শিরোনাম:

নিউজ ফোর

প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৭ ডেমো নিউজ ফোর

প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৭ ডেমো নিউজ  ফোর

বালকদিগের সর্দার ফটিক চক্রবর্তীর মাথায় চট করিয়া একটা নূতন ভাবােদয় হইল; নদীর ধারে একটা প্রকাণ্ড শালকাষ্ঠ মাস্তুলে রূপান্তরিত হইবার প্রতীক্ষায় পড়িয়া ছিল; স্থির হইল, সেটা সকলে মিলিয়া গড়াইয়া লইয়া যাইবে।
যে ব্যক্তির কাঠ আবশ্যক-কালে তাহার যে কতখানি বিস্ময় বিরক্তি এবং অসুবিধা বােধ হইবে, তাহাই উপলব্ধি করিয়া বালকেরা এ প্রস্তাবে সম্পূর্ণ অনুমােদন করিল।
কোমর বাঁধিয়া সকলেই যখন মনােযােগের সহিত কার্যে প্রবৃত্ত হইবার উপক্রম করিতেছে এমন সময়ে ফটিকের কনিষ্ঠ মাখনলাল গম্ভীরভাবে সেই গুঁড়ির উপরে গিয়া বসিল; ছেলেরা তাহার এইরূপ উদার ঔদাসীন্য দেখিয়া কিছু বিমর্ষ হইয়া গেল।
একজন আসিয়া ভয়ে ভয়ে তাহাকে একটু-আধটু ঠেলিল, কিন্তু সে তাহাতে কিছুমাত্র বিচলিত হইল না; এই অকাল-তত্ত্বজ্ঞানী মানব সকল প্রকার ক্রীড়ার অসারতা সম্বন্ধে নীরবে চিন্তা করিতে লাগিল।
ফটিক আসিয়া আস্ফালন করিয়া কহিল, “দেখ, মার খাবি। এইবেলা ওঠ্‌।”
সে তাহাতে আরও একটু নড়িয়াচড়িয়া আসনটি বেশ স্থায়ীরূপে দখল করিয়া লইল।

এরূপ স্থলে সাধারণের নিকট রাজসম্মান রক্ষা করিতে হইলে অবাধ্য ভ্রাতার গণ্ডদেশে অনতিবিলম্বে এক চড় কষাইয়া দেওয়া ফটিকের কর্তব্য ছিল— সাহস হইল না। কিন্তু, এমন একটা ভাব ধারণ করিল, যেন ইচ্ছা করিলেই এখনি উহাকে রীতিমতো শাসন করিয়া দিতে পারে, কিন্তু করিল না; কারণ, পূর্বাপেক্ষা আর-একটা ভালাে খেলা মাথায় উদয় হইয়াছে, তাহাতে আর-একটু বেশি মজা আছে। প্রস্তাব করিল, মাখনকে সুদ্ধ ওই কাঠ গড়াইতে আরম্ভ করা যাক।
মাখন মনে করিল, ইহাতে তাহার গৌরব আছে; কিন্তু, অন্যান্য পার্থিব গৌরবের ন্যায় ইহার আনুষঙ্গিক যে বিপদের সম্ভাবনাও আছে, তাহা তাহার কিম্বা আর-কাহারও মনে উদয় হয় নাই।
ছেলেরা কোমর বাঁধিয়া ঠেলিতে আরম্ভ করিল— ‘মারে ঠেলা হেঁইয়াে, সাবাস জোয়ান হেঁইয়াে।’ গুড়ি এক পাক ঘুরিতে না-ঘুরিতেই মাখন তাহার গাম্ভীর্য গৌরব এবং তত্ত্বজ্ঞান -সমেত ভূমিসাৎ হইয়া গেল।
খেলার আরম্ভেই এইরূপ আশাতীত ফললাভ করিয়া অন্যান্য বালকেরা বিশেষ হৃষ্ট হইয়া উঠিল, কিন্তু ফটিক কিছু শশব্যস্ত হইল। মাখন তৎক্ষণাৎ ভূমিশয্যা ছাড়িয়া ফটিকের উপরে গিয়া পড়িল, একেবারে অন্ধভাবে মারিতে লাগিল। তাহার নাকে মুখে আঁচড় কাটিয়া কাঁদিতে কাঁদিতে গৃহাভিমুখে গমন করিল। খেলা ভাঙিয়া গেল।
ফটিক গােটাকতক কাশ উৎপাটন করিয়া লইয়া একটা অর্ধনিমগ্ন নৌকার গলুইয়ের উপরে চড়িয়া বসিয়া চুপচাপ করিয়া কাশের গােড়া চিবাইতে লাগিল।
এমন সময় একটা বিদেশী নৌকা ঘাটে আসিয়া লাগিল। একটি অর্ধবয়সী ভদ্রলােক কাঁচা গোঁফ এবং পাকা চুল লইয়া বাহির হইয়া আসিলেন। বালককে জিজ্ঞাসা করিলেন, “চক্রবর্তীদের বাড়ি কোথায়।”

বালক ডাঁটা চিবাইতে চিবাইতে কহিল, “ওই হােত্থা।” কিন্তু কোন্ দিকে যে নির্দেশ করিল, কাহারও বুঝিবার সাধ্য রহিল না।
ভদ্রলােকটি আবার জিজ্ঞাসা করিলেন, “কোথা।”
সে বলিল, “জানি নে ?” বলিয়া পূর্ববৎ তৃণমূল হইতে রসগ্রহণে প্রবৃত্ত হইল। বাবুটি তখন অন্য লােকের সাহায্য অবলম্বন করিয়া চক্রবর্তীদের গৃহের সন্ধানে চলিলেন।
অবিলম্বে বাঘা বাগ্‌দি আসিয়া কহিল, “ফটিকদাদা, মা ডাকছে।”
ফটিক কহিল, “যাব না।”
বাঘা তাহাকে বলপূর্বক আড়কোলা করিয়া তুলিয়া লইয়া গেল; ফটিক নিষ্ফল আক্রোশে হাত পা ছুড়িতে লাগিল।
ফটিককে দেখিবামাত্র তাহার মা অগ্নিমূর্তি হইয়া কহিলেন, “আবার তুই মাখনকে মেরেছিস।”
ফটিক কহিল, “না, মারি নি।
“ফের মিথ্যে কথা বলছিস।”
কখ্‌খনাে মারি নি। মাখনকে জিজ্ঞাসা করো।”
মাখনকে প্রশ্ন করাতে মাখন আপনার পূর্ব নালিসের সমর্থন করিয়া বলিল, “হাঁ, মেরেছে।”
তখন আর ফটিকের সহ্য হইল না। দ্রুত গিয়া মাখনকে এক সশব্দ চড় কষাইয়া দিয়া কহিল, “ফের মিথ্যে কথা!”
মা মাখনের পক্ষ লইয়া ফটিককে সবেগে নাড়া দিয়া তাহার পৃষ্ঠে দুটা-তিনটা প্রবল চপেটাঘাত করিলেন। ফটিক মাকে ঠেলিয়া দিল।

মা চীৎকার করিয়া কহিলেন, “অ্যাঁ, তুই আমার গায়ে হাত তুলিস!”
এমন সময়ে সেই কাঁচাপাকা বাবুটি ঘরে ঢুকিয়া বলিলেন, “কী হচ্ছে তােমাদের।”
ফটিকের মা বিস্ময়ে আনন্দে অভিভূত হইয়া কহিলেন, “ওমা, এ যে দাদা, তুমি কবে এলে।” বলিয়া গড় করিয়া প্রণাম করিলেন।
বহু দিন হইল দাদা পশ্চিমে কাজ করিতে গিয়াছিলেন। ইতিমধ্যে ফটিকের মার দুই সন্তান হইয়াছে, তাহারা অনেকটা বাড়িয়া উঠিয়াছে, তাহার স্বামীর মৃত্যু হইয়াছে, কিন্তু একবারও দাদার সাক্ষাৎ পায় নাই। আজ বহুকাল পরে দেশে ফিরিয়া আসিয়া বিশ্বম্ভরবাবু তাঁহার ভগিনীকে দেখিতে আসিয়াছেন।
কিছুদিন খুব সমারােহে গেল। অবশেষে বিদায় লইবার দুই-একদিন পূর্বে বিশ্বম্ভরবাবু তাঁহার ভগিনীকে ছেলেদের পড়াশুনা এবং মানসিক উন্নতি সম্বন্ধে প্রশ্ন করিলেন। উত্তরে ফটিকের অবাধ্য উচ্ছৃঙ্খলতা, পাঠে অমনােযােগ, এবং মাখনের সুশান্ত সুশীলতা ও বিদ্যানুরাগের বিবরণ শুনিলেন।
তাঁহার ভগিনী কহিলেন, “ফটিক আমার হাড় জ্বালাতন করিয়াছে।”

শুনিয়া বিশ্বম্ভর প্রস্তাব করিলেন, তিনি ফটিককে কলিকাতায় লইয়া গিয়া নিজের কাছে রাখিয়া শিক্ষা দিবেন।
বিধবা এ প্রস্তাবে সহজেই সম্মত হইলেন।
ফটিককে জিজ্ঞাসা করিলেন, “কেমন রে ফটিক, মামার সঙ্গে কলকাতায় যাবি?”
ফটিক লাফাইয়া উঠিয়া বলিল, “যাব।”
যদিও ফটিককে বিদায় করিতে তাহার মায়ের আপত্তি ছিল না, কারণ তাঁহার মনে সর্বদাই আশঙ্কা ছিল- কোন্ দিন সে মাখনকে জলেই ফেলিয়া দেয় কি মাথাই ফাটায়, কি কী একটা দুর্ঘটনা ঘটায়, তথাপি ফটিকের বিদায়গ্রহণের জন্য এতাদৃশ আগ্রহ দেখিয়া তিনি ঈষৎ ক্ষুন্ন হইলেন।
‘কবে যাবে’ ‘কখন যাবে’ করিয়া ফটিক তাহার মামাকে অস্থির করিয়া তুলিল; উৎসাহে তাহার রাত্রে নিদ্রা হয় না।
অবশেষে যাত্রাকালে আনন্দের ঔদার্য-বশত তাহার ছিপ ঘুড়ি লাটাই সমস্ত মাখনকে পুত্রপৌত্রাদিক্রমে ভােগদখল করিবার পুরা অধিকার দিয়া গেল।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি পুলিশের অভিযানে মাদক মামলার আসামীসহ গ্রেফতার- ০২

প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৭ ডেমো নিউজ  ফোর

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি পুলিশের অভিযানে মাদক মামলার আসামীসহ ০২ জন আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার (২ মার্চ) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়,জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কর্তৃক থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া মাদক মামলার আসামী ১। মোঃ দুলাল মিয়া (৪৫), পিতা-মৃত কুরবান আলী , মাতা-মৃত ছাবিরজান, সাং- রঘুরামপুর স্কুলপাড়া (মুন্সিবাড়ী উপজেলা/থানা- ময়মনসিংহ সদর, জেলা -ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ কে চর রাঘবপুর এলাকা হইতে গ্রেফতার করে এবং আসামীর নিকট হইতে ০৬ লিটার চোলাইমদ উদ্ধার করে।

এছাড়াও এসআই (নিঃ) মোঃ মাজহারুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ০১টি গ্রেফতারী পরোয়ানাভূক্ত আসামীকে গ্রেফতার করেন।

পরোয়ানাভূক্ত আসামীর নাম ও ঠিকানা-

১। মোঃ রাসেল মিয়া , পিতা-জুলহাস উদ্দিন, স্থায়ী: (সাং- বীর বওলা) , উপজেলা/থানা-
কোতোয়ালী মডেল, জেলা -ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ।

প্রত্যেক আসামীদের চালান মোতাবেক যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হইয়াছে।

 

ময়মনসিংহে সাংবাদিকদের নিয়ে ইফতার করলেন থান গ্যালারীর প্রোপ্রাইটর গোবিন্দ সাহা

প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৭ ডেমো নিউজ  ফোর

রমযান মাস একটি বরকতের মাস। এ বরকতের মাসে সাংবাদিকদের নিয়ে ইফতার করলেন মেসার্স নিউ শ্রীমা থান গ্যালারীর প্রোপ্রাইটর গোবিন্দ সাহা। শনিবার (২৯ মার্চ) ময়মনসিংহ নগরীর থানা ঘাট উৎসব কমিউনিটি সেন্টারে মেসার্স নিউ শ্রীমা থান গ্যালারীর প্রোপ্রাইটর গোবিন্দ সাহা এর ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।

উক্ত দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে আলোকিত ময়মনসিংহ ও ময়মনসিংহ সমাচার পত্রিকার সম্পাদক আব্দুল হালিম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক খান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া পলাশ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিজয় টিভির প্রতিনিধি আব্দুল হক লিটন, ৭৫ বাংলা এর সম্পাদক ও দৈনিক নতুন সময় এর ব্যুরো প্রধান মাঈন উদ্দিন উজ্জ্বল, বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার প্রতিনিধি সুলতান রহমান বাপ্পি, আজকালের কন্ঠের প্রতিনিধি শেখ মোঃ দিন ইসলাম, ময়মনসিংহ প্রতিদিনের প্রতিনিধি আব্দুস সাত্তার, উর্মি বাংলার প্রতিনিধি আব্দুল হাকিম, দৈনিক প্রতিদিনে কন্ঠস্বরের প্রতিনিধি সেলিম সাজ্জাদ, লোকালয় বার্তা প্রতিনিধি বিশ্বনাথ সাহা বিসু, মুক্তখবর প্রতিনিধি সাদিয়া সুলতানা, হেমন্ত টিভি প্রতিনিধি পপি আক্তার প্রমুখ।

সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেছে, রবিবার ঈদ

প্রাইম আইটি ওয়ার্ল্ড নিউজ-২৭ ডেমো নিউজ  ফোর

সংগৃহীত ছবি

সৌদি আরবের আকাশে (২৯ মার্চ) শনিবার পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে।রবিবার (৩০ মার্চ) ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন সৌদি আরববাসী।

সৌদি কর্তৃপক্ষ আজ এ ঘোষণা দিয়েছে বলে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস জানিয়েছে।

এদিন দেশটির দুই বৃহৎ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সুদাইর ও তুমাইরে চাঁদ দেখার সবচেয়ে বড় ব্যবস্থা করা হয়।

সেখানে সন্ধ্যা ৬টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঈদের চাঁদের অনুসন্ধান শুরু হয়। দুই পবিত্র মসজিদভিত্তিক ওয়েবসাইট ইনসাইড দ্য হারামাইমের তথ্য মতে, ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখার জন্য সৌদি আরবজুড়ে ১০টি জ্যোতির্বিদ্যা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে চাঁদ দেখার ব্যবস্থা করা হয়। সেই সঙ্গে দেশটির সাধারণ মানুষকে ঈদের চাঁদ অনুসন্ধানের আহ্বান জানানো হয়।

গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের বৃহৎ মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ায় দেখা যায়নি শাওয়াল মাসের চাঁদ।

দেশটিতে আজ রমজানের ২৯তম দিন ছিল। কিন্তু কোথাও চাঁদ দেখা না যাওয়ায় আগামী সোমবার (৩১ মার্চ) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। যার অর্থ ইন্দোনেশিয়ার মানুষ ৩০টি রোজা পূর্ণ করবে।