গ্রীষ্মকাল, শুক্রবার, ২৪শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,২৫শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি, দুপুর ১:২০
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

গর্ভাবস্থায় জন্ডিস হলে কি করবেন?

admin

ডা. নূরজাহান নীরা , বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

গর্ভকালীন সময়ে অন্যান্য সমস্যার মতো জন্ডিসও একটি সমস্যা হিসেবে বেশ পরিচিত। আসুন জানা যাক গর্ভাবস্থায় জন্ডিসের কারণ; লিভারের রোগ- এই রোগে ভাইরাসের সৃষ্ট প্রদাহে লিভারের কোষগুলো স্ফীত হয়ে তাদের কর্মক্ষমতা হারায়। ফলে লিভারের বিলিরুবিনের শোধন হয় না, অপরিশোধিত বিলিরুবিন রক্তে জমে যায়। তা ছাড়া বাইল বা পিত্ত নিঃসরণও বাধাপ্রাপ্ত হয়ে পরিশোধিত বিলিরুবিনও শরীর থেকে বেরিয়ে না গিয়ে রক্তে জমে যায়।
গর্ভাবস্থায় লিভারের অন্য কোনো রোগ বা পিত্তথলিতে পাথর।
গর্ভাবস্থায় টক্সিমিয়া অর্থাৎ শরীরে বিষাক্ত পদার্থ জমে যাওয়া।
গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত বমি।
লিভারের ক্ষতি করে এমন ওষুধ যদি মাকে খেতে হয়।
গর্ভাবস্থায় রক্তের কোনো অসুখ যেমন থ্যালাসেমিয়া-এতে রক্তকণিকা সহজে ভেঙে যায় এবং বিলিরুবিন রক্তে জমে জন্ডিস দেখা দেয়।
কোনো কারণে মাকে যদি রক্ত পরিসঞ্চালন নিতে হয় তাহলেও জন্ডিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
গর্ভাবস্থায় জন্ডিস কেন বিপজ্জনক
গর্ভাবস্থায় লিভারের কাজ স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেড়ে যায়। মায়ের খাবার থেকে উপযুক্ত প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট তৈরি ছাড়াও ভ্রুণ শিশু প্লাসেন্টা বা ফুলের বের হওয়া দূষিত বর্জ্য পদার্থ পরিশোধন ও পরিবর্তন করার কাজ লিভারের মধ্যেই সম্পন্ন হয়। মায়ের অ্যানিমিয়া বা উপযুক্ত প্রোটিনের অভাবে লিভারের কোষগুলো ঠিকমতো কাজ করে উঠতে পারে না। এ সময় ভাইরাল হেপাটাইটিস খাদ্যাভাবে দুর্বল লিভারের কাজে বাধা সৃষ্টি করে। গর্ভাবস্থায় জন্ডিসের প্রকোপ বেড়ে যায়, ফলে রক্তে খুব বেশি বিলিরুবিন জমে যায়। পরে লিভারের কোষের বিশেষ ক্ষতির ফলে মায়ের চেতনা (মানসিক) প্রায় লুপ্ত হয়ে আচ্ছন্নভাব এবং কোমা হতে পারে, যাতে প্রাণহানির সম্ভাবনা থাকে। এ ছাড়া গর্ভাবস্থায় জন্ডিসে লিভারের কোষে রক্ত জমাট বাঁধার পক্ষে জরুরি প্রোথ্রন্বিন সৃষ্টি ব্যাহত হয়। এতে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে না এবং শিশুর জন্ম দেয়ার অব্যবহিত পর প্রসূতির অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়, যা মায়ের প্রাণনাশের কারণ হতে পারে। এ ছাড়া হেপাটাইটিস ‘বি’ গর্ভবতী মায়ের থেকে সন্তানের শরীরে আসতে পারে।
জন্ডিস থেকে বাঁচতে
পানি ফুটিয়ে পান করুন। যেকোনো ফিল্টারের পানি যদি শতভাগ দূষণমুক্ত হয় তবে তা পান করা যেতে পারে। কিন্তু মনে রাখবেন ফিল্টার কখনো পানিকে দূষণমুক্ত করতে পারে না। ফিল্টারে ব্যাকটেরিয়া বাদ যায় কিন্তু ভাইরাস যায় না। রাস্তায় কাটা ফল বা ফল অনেকক্ষণ কেটে রাখবেন না। এর থেকে সংক্রমণ হতে পারে। টয়লেট থেকে এসে সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুতে হবে। নইলে সংক্রমণের সমূহ আশঙ্কা থাকে।
হাতের নখ যেন বড় না হয়। নিয়মিত নখ কাটবেন। এগুলো সবই হেপাটাইটিস ‘এ’ এবং হেপাটাইটিস ‘ই’ থেকে সতর্কতার কথা বলা হলো। ‘জেনারেল হাইজিন’ বা সাধারণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাই পরিত্রাণের উপায়।
হেপাটাইটিস ‘বি’ বা হেপাটাইটিস ‘সি’-এর ক্ষেত্রে সতর্কতা আবার অন্য রকম।
শরীরে রক্ত নিতে হলে আগে দেখে নিতে হবে সেই রক্ত হেপাটাইটিস ‘বি’ বা ‘সি’ ভাইরাসমুক্ত কি না।

০৮-০৭-১৭-০০-১৩০

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।