গ্রীষ্মকাল, বৃহস্পতিবার, ৩০শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,১লা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি, রাত ৮:৫১
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

জমে উঠেছে ঈদের প্রধান আকর্ষণ নতুন পোশাক বাজার…

admin

ফরহাদ শিমুল, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

 

ঈদের প্রধান আকর্ষণ নতুন পোশাক। তাই রোজার শুরু থেকেই রাজশাহীর বিভিন্ন কাপড়ের মার্কেটগুলোতে ভিড় বেড়েছে ক্রেতাদের। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগে থেকেই ঈদ বাজার শুরু হয়ে গেছে। পরে অতিরিক্ত ভিড়ের চাপ এড়াতে এবার আগেভাগেই কেনাকাটা শুরু করেছেন ক্রেতারা।

সকালে নগরীর আরডিএ মার্কেট, নিউমার্কেটসহ কয়েকটি বিপণিবিতানে গিয়ে দেখা যায়, নানা ডিজাইনের নতুন নতুন ঈদ পোশাকে ক্রেতা আকর্ষণের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে দোকানগুলোতে। কেনাকাটা শুরু করেছেন অনেকে। বিশেষ করে মেয়েদের কেনাকাটা চলছে বেশ জোরেশোরেই। বিক্রেতারাও আশায় বুক বেধে ঈদের নতুন পোশাক সাজিয়ে রেখেছেন দোকানে।

আরডিএ মার্কেটের ক্লথ স্টোরের মালিক বাংলারিপোর্টকে বলেন, রোজার প্রথম দিন থেকে ঈদ বাজার ধরে তারা এর ১৫ দিন আগেই নতুন পোষাক তুলেছেন। এরপর ঠিক রোজার শুরু থেকেই বাজারে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। জুন শুরু হওয়ার পর থেকে বাজারে পুরোদমে কেনাকাটা শুরু হয়েছে।

দোকানীরা জানিয়েছেন, এবারও ঈদ উপলক্ষে বাজারে ভারতীয় পোশাকের আধিক্য। তবে এবার ভারতীয় নায়িকা ও সিরিয়ালের নামে তেমন কোনো পোশাক আসেনি। এর বিপরীতে বাজার দখল করেছে কিছু পাকিস্তানি পোশাক। আর শাড়ির ক্ষেত্রে এবার দেশিই বিক্রি হচ্ছে বেশি। সব পোশাকের দাম এখন পর্যন্ত সহনশীল আছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

আরডিএ মার্কেটের লিজা ফ্যাশন হাউসের স্বত্বাধিকারী আয়েশা আক্তার লিজা জানান, এবার ঈদে মেয়েদের পোশাকের ক্ষেত্রে ভারতীয় ‘ওয়ান পিস’ এসেছে। এটি বিক্রি হচ্ছে দেড় হাজার থেকে চার হাজার টাকা পর্যন্ত। থ্রি-পিস ‘ফ্লোর টাচ’ বিক্রি হচ্ছে আড়াই হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত। মেয়েদের প্লাজো পাজামা বিক্রি হচ্ছে দেড় হাজার থেকে আট হাজার টাকায়। এছাড়া পাকিস্তানি লোন ৮০০ থেকে দুই হাজার ২০০ এবং দেশি থ্রি-পিস ৬৫০ টাকা থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

এখানে নিজের জন্য পোশাক কিনতে গিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী  বলেন, ‘সামনে ভিড় আরও বাড়বে, তখন দেখা যাবে একটা পোশাক ভালো করে দেখেও কেনার সুযোগ থাকবে না। তাই চাপ বাড়ার আগেই কেনাকাটা করতে আসলাম। অনেকগুলো দোকান ঘুরে কিছু কিনেছি, আরও কিছু কিনব।’

মার্কেটটির সরকার কালেকশনের মালিক বাংলারিপোর্টকে জানান, তার দোকানে মেয়েদের ভারতীয় ঝিপসি আড়াই হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকা, বাচ্চাদের ফ্রক ও টপস এক হাজার থেকে তিন হাজার টাকা, লং থ্রি-পিস এক হাজার থেকে সাত হাজার টাকা, ভারতীয় গ্রাউন্ড আট হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকা এবং ছোট মেয়েদের বাহুবালি-২ বিক্রি হচ্ছে দেড় থেকে তিন হাজার টাকায়।

শাড়ির ভূবনের নজরুল ইসলাম জানান, ঈদে এবার কাতান শাড়ি এসেছে। শাড়িটি দেড় হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টিস্যু সিল্ক নামে ভারত থেকে একটি শাড়ি এসেছে। এটি দেড় হাজার থেকে দুই হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া মুসলিন জামদানি ও টাঙাইলের সিল্ক বিক্রি হচ্ছে সাড়ে চার থেকে ছয় হাজার টাকায়। দেশি বিভিন্ন শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে সর্বনিম্ন ৬৫০ টাকা থেকে দেড় হাজার টাকায়। তবে এবার সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে সুতির শাড়ি। এগুলো দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

নিউমার্কেটের নেক্সট কালেকশনের বিক্রয়কর্মী রানা রহমান জানান, এখানে ছোট মেয়েদের সারারা, পার্টি ফ্রক, স্কার্ট ও ডিভাইডার ও জিপসি এক হাজার ৮০০ থেকে চার হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ছেলেদের জিনসের প্যান্ট, শার্ট ও টি-শার্ট বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ টাকা থেকে এক হাজার টাকায়। তরুণদের জন্য নতুন কিছু গ্যাবাডিং প্যান্ট ও শার্টও বাজারে এসেছে। এগুলো সুলভমূল্যে বিক্রি হচ্ছে বলেই জানান তিনি।

নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টের ফড়িংয়ের মালিক মো. মাসুম জানান, ঈদ উপলক্ষে এবার তার দোকানে দেশি-বিদেশী বিভিন্ন পাঞ্জাবি বিক্রি হচ্ছে এক হাজার থেকে তিন হাজার টাকায়। এরমধ্যে পেঁয়াজ কটন দেড় হাজার, গৌরি আড়াই হাজার ও সুজন কুমার বিক্রি হচ্ছে তিন হাজার টাকায়। এরই মধ্যে বেচাকেনা জমে উঠেছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, বিক্রি আরও বাড়বে বলে জানান তিনি।

মাসুম বলেন, ‘১৫ রোজার পর বাজারে কেনাকাটার ধূম পড়বে। তখন হাঁটার জায়গাও পাওয়া যাবে না। বছরের এই একটা মাসই তো ধুমিয়ে বিক্রি করতে পারি, তাই ভালো কিছুর প্রত্যাশা করছি।’

মাসুমের দোকানের ক্রেতা সারোয়ার জাহান বলন, ‘একটু আগেভাগেই কেনাকাটা করে ফেলছি এবার। শেষদিকে দাম থাকে বেশি, কাপড়ের মানও ভালো পাওয়া যায় না। তাই কিনে ফেললাম এখনই।’

০৮-০৬-১৭-০০-৫০

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।