গ্রীষ্মকাল, বৃহস্পতিবার, ৩০শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,১লা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি, রাত ৯:৪৫
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সাংবাদিকতার সংজ্ঞা কী? পাবলিক সার্ভিস…

admin

ডেস্ক রিপোর্ট, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

সাংবাদিকতার সংজ্ঞা কী? কেউ বলবেন কলম-ক্যামেরার পেশাদারিত্ব। কেউ বলবেন সাংবাদিকতা আসলে ‘পাবলিক সার্ভিস’। সংবাদপত্রের জন্মলগ্ন থেকেই এই দ্বন্দ্ব ছিল, ‘ব্যবসায়িক স্বার্থ’ মাথায় নিয়েই কর্ম অতিবাহিত করবেন একজন সাংবাদিক, নাকি ‘জনগণের জন্য কাজ’ করবেন তিনি? উত্তর আজও মেলেনি! বরং এই দুইয়ের দ্বন্দ্বকে কাঁধে নিয়েই যুগের পর যুগ বয়স বেড়েছে পৃথিবীর প্রাচীনতম গণমাধ্যমের। ‘বাই দ্য পিপল, অফ দ্য পিপল, ফর দ্য পিপল’, এই মন্ত্র পাঠ করে কোনও সংবাদকর্মী সাংবাদিকতার পেশায় আসেন না, বরং পেটের দায়েই পেশা।

তাহলে কী প্যাশন নেই? অবশ্যই আছে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ‘কর্পোরেট কালচারে’ পাবলিক সার্ভিস রোলের বদলে একজন পেশাদার সাংবাদিক হয়ে ওঠেন ‘উন্নত মানের চাকর’। যে যত বেশি নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছেন, যে যত বেশি করে নিজের ‘মনের মানুষ’কে ‘খুন’ করতে পেরেছেন তিনিই হয়ে উঠেছেন ‘শ্রেষ্ঠ’।

আধুনিকালে এমনটাই হয়ে আসছে। তবে বহমান স্রোতের উল্টো দিকে কেউ না কেউ কখনও না কখনও সাঁতার কেটেছেন, এখনও সাঁতরে যান তাঁরা। হ্যাঁ, ব্যতিক্রম থাকেই। আর এই ব্যতিক্রমরাই হয়ে ওঠেন উদাহরণ, এনারাই হন ‘পথ প্রদর্শক’। মনুষত্ব এবং সাংবাদিকতার মধ্যেকার প্রকট দ্বন্দ্বে ‘সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার ওপরে নাই’, এই অনুভব আবারও ফিরে এল। ফিরে এল এক আলোক চিত্রগ্রাহকের হাত ধরে।

একবিংশ শতকের এমনই এক ব্যতিক্রম আলোক চিত্রগ্রাহকের কথাই বলব এই প্রতিবেদনে। ভারত থেকে সিরিয়ার দূরত্ব চার হাজার ২১১ কিলোমিটার। আকাশ পথে এই দূরত্ব পার হতে সময় লাগে খুব কম করে ৫ ঘণ্টা। তবে এখন যে সিরিয়ার কথা বলছি সেখানে আপনি পৌঁছে যাবেন এক পলকেই। একটা জ্বলন্ত অগ্নিগোলক। নিমিষে শেষ হয়ে যাচ্ছে শত শত প্রাণ। একদিকে গৃহযুদ্ধ অন্যদিকে শরণার্থী সমস্যা। সিরিয়া বেঁচে আছে ‘আইসিইউ’ বেডে। রক্তক্ষরণ ঠেকাতে পারছে না কেউই। যে মরে মরুক, আগে নিজে তো বাঁচি, এটাই এখন সিরিয়া।

এই সিরিয়াই সাক্ষী থাকল জীবন বাঁচানো সাংবাদিকতার। ক্যামেরা কাঁধেই রয়েছে, আঙুলটা কেবল শাটারে নেই, কোলে এক শিশু নিয়ে দৌড়ে যাচ্ছেন এক সাংবাদিক। জীবন বাঁচানোর পেশায় নিয়োজিত এই সাংবাদিক এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং। বাজারের ভাষায় লোকে পড়ছে, দেখছে, গিলছে আর খাচ্ছে।

সন্ত্রাসের খবর সংগ্রহ করতে ‘সিরিয়ার শরীর’ বেয়ে অনবরত দৌড়াচ্ছেন আলোক চিত্রগ্রাহক আলকাদের হাবাক। এদিনও এমন ঘটনার ছবি সংগ্রহ করতে বেরিয়েছিলেন তিনি। বম্ব ব্লাস্ট। একটা গোটা বাস দাউ দাউ জ্বলছে। ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ১২৬ টি মৃত দেহ, যার মধ্যে ৮০টি দেহ শিশু। ক্যামেরা চলছে। এক একটা ক্লিক সাক্ষী থাকছে ‘মৃত্যু উপত্যকার’। প্রাণ কই? হঠাৎ এক মৃদু ক্রন্দনে যেন মরুভূমিতে চির হরিতের সন্ধান! হ্যাঁ, একটা জীবনের আওয়াজ পেয়েই ছুটে যান চিত্রগ্রাহক আলকাদের হাবাক। ক্ষত বিক্ষত শরীরে তখনও হৃদ স্পন্দন আছে শিশুর। কী করবেন তিনি এবার? খবর সংগ্রহ করবেন না জীবন? কোনও দ্বিধা নেই, দ্বন্দ্ব নেই, জীবনের জন্য জীবন বাছলেন তিনি।

ক্যামেরা কাঁধেই, কোলে তুলে নিলেন মৃতপ্রায় শিশুকে। নিয়ে এলেন নিরাপদ আশ্রয়ে। এবার ফিরলেন অগ্নি গোলকে। আরও এক শিশু… না বাঁচাতে পারলেন না। ক্যামেরা কাঁধেই রইল, হাতগুলো পৌঁছে গেল ভেজা চোখে। সেদিন মেঘ ছিল না আকাশে তবুও বৃষ্টি হল। বৃষ্টি হল চোখে। আর এই ছবিই ধরা পড়ল আরেক সাংবাদিকের ক্যামেরায়।

‘সেই দৃশ্য ছিল ভীষণ ভয়াল

২৯-০৫-২০১৭-০০-১০০-২৯-মনির জামান

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।