গ্রীষ্মকাল, রবিবার, ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি, সকাল ৯:৪৮
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

বাহিরের তাপমাত্রায় আগুন লেগেছে বাজারে…

admin

মাহামুদ হাসান তাহের, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

বেশ কয়েকদিন ধরেই বাড়ছিল নিত্যপণ্যের দাম। রোজা শুরুর হওয়ায় তা আরো বেড়েছে। বিশেষ করে বেগুন-শসা, টমেটো, কাঁচামরিচসহ বিভিন্ন সবজির দাম। শুধু সবজিই নয়, এরসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মাছ ও মাংসের দামও। রাজধানীবাসী বাংলারিপোর্টকে বলেন, বাজারে আগুন লেগেছে।

রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে,  রমজান শুরুতেই ১০ টাকা বেড়ে বর্তমানে প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, টমেটো প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। গেল সপ্তাহেও এই  টমেটোর দাম ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা। রোজার অতি প্রয়োজনীয় জিনিস বেগুন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। অন্যদিকে কাঁচা মরিচ প্রতিকেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা। গাজরের দাম বেড়েছে দ্বিগুন। প্রতি কেজি গাজর বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। প্রতি হালি লেবু আগের সপ্তাহের তুলনায় দ্বিগুন বেড়ে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া লাউ, মিষ্টি কুমড়া, বাঁধাকপি, করলা, কাকরোল, ধুন্দল, মুলা, কাঁচ কলা, কাঁচা পেঁপে, কচুসহ সাধারণ সবজির আগের তুলনায় বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ।

সবজির পাশাপাশি মাছ-মাংসের বাজারেও লেগেছে আগুন। কয়েকটি বাজারে ঘুরে দেখা গেছে প্রতি কেজি রুই ও কাতল মাছ ২০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে ৩০০ থেকে ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও পাঙ্গাস ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, কই ২৪০ থেকে ৩০০ টাকা, টেংরা ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, শিং ৪৪০ টাকা থেকে ৭০০ টাকায়।

মাংসের বাজারে দেখা গেল রমজানে গরুর মাংসের দাম ৪৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি কথা থাকলেও প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকায়। খাসির মাংস ৭২০ থেকে ৭৮০ টাকা, ফার্মের মুরগি ১৬৫ থেকে ১৭৫ টাকা, মাঝারি আকারের পাকিস্তানি কর্ক মুরগি প্রতি হালি ৬০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়াও রমজানের অতি দরকারী সামগ্রী ছোলা এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি ১০০ টাকার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এক সপ্তাহ অাগে প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হয়েছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। যা এখন বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯৫ টাকায়।

বাজারে এমন লাগামহীন দামের কারণ হিসেব বেশির ভাগ ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন সরকারের নিয়ন্ত্রণ না থাকাকে।  তাদের মতে, বাজারে কোনো প্রকার সরকারি মনিটরিং না থাকায় পাইকারি বাজার থেকে শুরু করে খুচরা বাজারের এই অবস্থা।

তবে বিক্রেতাদের দাবি ভিন্ন তারা বলছেন, বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় দাম সামান্য বেড়েছে। এছাড়াও রমজানে সময় বেগুন, টমেটো, লেবু, কাঁচামরিচের চাহিদা বেশি থাকায় দাম বেড়েছে।

২৮-০৫-২০১৭-০০-২০-২৮

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।