গ্রীষ্মকাল, শুক্রবার, ২৪শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,২৫শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি, দুপুর ২:২৩
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

দরকারি ঘরোয়া ব্যবহার মধু…

admin

ডেস্ক রিপোর্ট, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

মিষ্টি জাতীয় খাবার মধুকে কে না পছন্দ করে? ছেলে থেকে বুড়ো সবারই বেশ পছন্দনীয় খাবার মধু। সেই প্রচীন আমল থেকে এখনকার ডাক্তারীবিদ্যা, সবখানেই রয়েছে মধুর সমান দাপট।

শরীরের কোষকে দ্রুত বৃদ্ধি করার অত্যন্ত কার্যকরী এই উপাদানটি খাওয়ার ফলে কেবল শরীরের নানারকমের রোগ-ব্যাধিই দূর হয় না, মন আর মস্তিষ্কও সতেজ হয়ে ওঠে। আজ তাই জেনে নিন মধুর ঘরোয়া কিছু প্রয়োজনীয় ব্যবহারের দিক:

মুখের প্রদাহ: মুখ ও গলার যেকোন প্রদাহে মধু বেশ ভালো কাজ দেয়। ঔষধি শাস্ত্রে সেই পুরাতন আমল থেকে নানারকম গাছ-গাছড়ার সাথে মুখের ব্যাকটেরিয়ার দূর করার জন্যে মধুর ব্যবহার অনেক প্রচলিত। এতে করে কাশি, গলা জ্বালাপোড়াসহ আরো নানা সমস্যার সমাধান করা যায়।

জ্বর: মধুর সাথে খানিকটা লেবুর রসের মিশ্রণ জ্বর প্রতিরোধে অনেকটা সাহায্য করে। শুধু জ্বর ছাড়া ঠাণ্ডাজনিত যেকোন কাজে এটি বেশ ভালো উপকার দেয়।

শক্তি: দারুচিনি আর মধুর মিশ্রণ শরীরের পক্ষে বেশ ভালো। এটি কেবল শরীরের বাড়তি শক্তিরই যোগান দেয় না, হাইপারটেনশন আর কার্ডিয়োভ্যাসকুলার রোগেরও প্রতিকার করে খুব সহজেই।

পেটের প্রদাহ: আদা পেটের নানারকম ব্যাধি, যেমন কোষ্ঠকাঠিন্যের পক্ষে বেশ উপকারী। তবে এর সাথে খানিকটা মধুর মিশ্রণ আদার প্রভাবকে আরো খানিকটা বাড়িয়ে তোলে। পেটের যেকোন সমস্যার ক্ষেত্রে তখন প্রচন্ড শক্তিশালী এক ঔষধ হয়ে দাঁড়ায় এটি।

ইনফেকশন প্রতিরোধে: লবঙ্গ নানারকম রোগের প্রতিষেধক হিসেবে পরিচিত। এর ভেতরে থাকে ইউজিনল নামক একটি উপাদান যা কিনা মধুর সাথে মিশ্রিত হলে শরীরের এন্টিসেপটিকের মতন কাজ করে এবং সব ধরনের ইনফেকশন থেকে শরীরকে বাঁচিয়ে দেয়।

অ্যাসিডিটি প্রতিরোধে: মধুর সাথে আপেলের সিডার ভিনেগারের মিশ্রণ ঘটালে যে জিনিসটি পাওয়া যায় সেটা পেটের নানারকম গোলমাল সারিয়ে তোলে। খাবার হজমে সাহায্য করে। এছাড়া অ্যাসিডিটির ক্ষেত্রেও বেশ ভালো ঔষধ হিসেবে কাজ করে মিশ্রণটি।

ত্বকের সাহায্যকারী: দুধের ভেতরে থাকে ভিটামিন এ। যেটা কিনা ফাঁটা ত্বককে ঠিকঠাক করে তুলতে সাহায্য করে। কমলালেবুর ভেতরে রয়েছে ত্বকের ময়লা অংশটিকে সরিয়ে নেবার ক্ষমতা। আর এই দুটোর সাথে যদি মধু মিশিয়ে দেয়া হয় তাহলে এটি শুষ্ক ত্বককেও অনেকটা সারিয়ে তুলতে পারে। কেবল শুষ্ক ত্বকই নয়, শরীরের রুক্ষ আর ফাটা অংশগুলোকেও সারিয়ে তোলে এটি। এছাড়াও মধু আর চিনির মিশ্রণও শুষ্ক ত্বককে সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।

কোষ্ঠকাঠিন্য: নারিকেল তেল আর পানির অন্যতম গুন হচ্ছে শুষ্ক জিনিসকে সারিয়ে তোলা। আর মধুর সাথে এর মিশ্রণটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে শরীরের নানারকম ব্যাথা সারিয়ে দেয়। এছাড়াও শরীরে বাড়তি শক্তি নিয়ে আসে মিশ্রণটি।

ওজন কমাতে: সম্প্রতি করা কিছু পুষ্টি বিজ্ঞানীদের গবেষণার ফলে এটা পাওয়া গিয়েছে যে লেবুর সাথে খানিকটা গরম পানি আর মধুর মিশ্রণ শরীরের ওজন কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

ধুমপান প্রতিরোধে: গবেষণায় পাওয়া গেছে যে খানিকটা আনারস আর এরপর খানিকটা মধু, এভাবে করে কিছুটা সময় খেলেই ধূমপায়ীদের সিগারেটের

প্রতি যে আগ্রহ সেটা কিছু হলেও হ্রাস পায়। তাই বলা যায় যে ধূমপান কমাতেও মধু অনেকটা ভালো ভূমিকা রাখে।

১৫/৫/২০১৭/০-১৯০/১৭/ম/জা/

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।