গ্রীষ্মকাল, বৃহস্পতিবার, ৩০শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,১লা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি, রাত ১০:১৮
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

হাসপাতালে একটানা ৫৪ বছর কাটানো মানুষটি আর নেই…

admin

 ডেস্ক রিপোর্ট , বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

একই হাসপাতালে টানা ৫৪ বছর ভর্তি থাকার পর মারা গেছেন জেমস মরিস। ফলে তিনিই হাসপাতালে সব থেকে বেশি সময় অবস্থান করা একজন রোগি ছিলেন এমনটাই ভাবা হচ্ছে। বৃটেনের নাগরিক ও সাবেক সেনা সদস্য জেমস মরিস।

১৯৬২ সালে তার একটি পা ভেঙে যায়। তার বয়স তখন ২১ বছর। ওই সময় তাকে ভর্তি করানো হয় নর্থ ল্যাঙ্কাশায়ারের এয়ারড্রিতে অবস্থিত ওয়েস্টার মোফফাত হাসপাতালে। এখানে তার পায়ে অপারেশনের সময় অপারেশন টেবিলেই হৃদযন্ত্রের জটিলতায় (কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট) আক্রান্ত হন। তারপর থেকে তার চিকিৎসা চলতে থাকে ওই হাসপাতালেই।অবশেষে এপ্রিলের শেষের দিকে ৭৫ বছর বয়সে তিনি মারা যান।

তার আগে তিনি মাত্র তিনটি শব্দ বলতে পারতেন। তার ভাই কার্ল মরিস (৬২) বলেছেন, ওয়েস্টার মোফফাত হাসপতালের একজন স্টাফ বলেছেন, জেমসের চেয়ে বেশিদিন একটানা হাসপাতালে থাকা কোনো ব্যক্তির রেকর্ড তাদের কাছে নেই। কার্ল মরিসের বাস কোটব্রিজে।

তিনি বলেন, এতগুলো বছরে তার সঙ্গে আমরা যোগাযোগ, ভাব বিনিময় করতে পেরেছি। তিনি মানসিক দিক থেকে সুস্থ ছিলেন। তবে সব সময় আমাদের সঙ্গে কথা বলতে পারতেন না। তিনি ভালবাসতেন এমন মাত্র তিনটি শব্দ উচ্চারণ করতে পারতেন এ সময়ে। সেই শব্দ তিনটি হলো ‘হোম’, ‘পাব’ ও ‘হর্সেস’।

হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় আমরা তাকে ছুটির দিনে নিয়ে যেতাম বৃটেনের বিভিন্ন স্থানে। হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষ জানতো যে, তিনি ‘পাব’ বা বার কতটা পছন্দ করেন। তাই তারাও মাঝে মাঝে তাকে সেখানে নিয়ে যেতো। জার্মানিতে স্কটিশ রাইফেল রেজিমেন্টে দায়িত্বরত ছিলেন জেমস মরিস। সেকানে এক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি আহত হন। এতে তার নাক ও উরুর হাড় ভেঙে যায়। উরুতে অপারেশনের সময় তার ব্রেনের কিছু অংশ অসাড় হয়ে পড়ে।

ওদিকে ওয়েস্টার মোফফাত হাসপাতালের সিনিয়র চার্জ নার্স হেলেন রায়ান বলেছেন, এই সময়ে জেমস মরিস পরিবারের প্রতি আমাদের সমবেদনা। হাসপাতালে ব্যতিক্রমভাবে এত দীর্ঘ সময় কাটানোর পর তিনি অনেকের জীবন ছুঁয়ে গেছেন। তার ছিল আত্মবিশ্বাস। ছিল আদর্শ। এখানে হিদার ওয়ার্ডে ছিলেন তিনি। এ ওয়ার্ডের সবাই তাকে খুব মিস করবেন। ওদিকে ন্যাশনাল হেলথ স্কিমের একজন মুখপাত্র বলেছেন, হাসপাতালে একটানা ৫৪ বছর কাটানো কোন মানুষের রেকর্ড তাদের কাছে নেই।

৩/৫/২০১৭/১৩০/ম/জা্/

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।