গ্রীষ্মকাল, রবিবার, ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪২ হিজরি, সকাল ৯:২৯
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

বজ্রপাতের সাথে সাথে হালদায় মিলছে মাছের ডিম

admin

অপৃর্ব হাসান, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

দেশের একমাত্র মাছের প্রাকৃতিক প্রজননক্ষেত্র হালদা নদীতে এবার মা মাছ গত বছরের চেয়ে কিছুটা বেশি ডিম ছেড়েছে। এতে করে ডিম আহরণকারীদের গত বছরের হতাশা কেটেছে। তাদের চোখেমুখে তৃপ্তি আবহ ফুটে উঠেছে। শনিবার বিকাল থেকে নদীর পাড়ে রেণু ফোটানোর উৎসব শুরু হয়। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সন্ধ্যায় মা মাছ নদীতে আংশিক ডিমের নমুনা দেয়। পরে রাত বারোটা থেকে সাড়ে বারোটায় ডিম ছেড়েছে। রাতভর ডিম আহরণকারীরা নদী থেকে ডিম সংগ্রহ করেছে।

আহরণকারীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এবার ডিমের পরিমাণ গত বছরের থেকে কিছুটা বেশি। তারা এখন সংগৃহীত ডিম থেকে রেণু ফোটাতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এলাকায় নারীপুরুষ সবাই রেণু ফোটানোর কাজ করছে। বৃষ্টির কারণে আবহাওয়া এখন শীতল। আর শীতল আবহাওয়াই রেণু ফোটানোর জন্য উপযোগী। অন্যদিকে আহরণকারীরাও স্বস্তি বোধ করছে।

এক সময় ডিম থেকে রেণু ফোটাতে হালদা নদীর দুই পাড়ে সনাতনী পদ্ধতির মাটির কুয়া ছিল ডিম আহরণকারীদের ভরসা। এতে প্রচুর ডিম নষ্ট হয়ে যেত। পরে হাটহাজারীর মদুনাঘাট, শাহ মাদারী, মাছুয়াঘোনা, গড়দুয়ারা এবং রাউজান উপজেলার কাগতিয়া, মোবারকখীল এবং পশ্চিম গহিরায় মৎস্য বিভাগ উন্নত প্রযুক্তির হ্যাচারি প্রতিষ্ঠা করে। এ ব্যাপারে মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে ডিম আহরণকারীদের সচেতনও করা হয়।

ফলে বিগত কয়েক বছর ডিম আহরণকারীরা নদী থেকে সংগৃহীত ডিম হ্যাচারিতে নিয়ে রেণু ফোটানোর ব্যবস্থা করছে। এতে করে ডিম নষ্টের পরিমাণ কমে যায়। তারপরও কিছু কিছু ডিম আহরণকারী সনাতনী পদ্ধতির মাটির কুয়ায় রেণু ফোটায়।

হালদা নদীর পাড়ে গিয়ে দেখা গেছে গড়দুয়ারার স্লুইচ গেট এলাকায় মো. লোকমান মাটির কুয়ায় রেণু ফোটাচ্ছেন। এক সময় হাটহাজারী, ফটিকছড়ি ও রাউজান তিন উপজেলার অসংখ্য মানুষ হালদা নদীতে ডিম দেয়ার এ মৌসুমের অপেক্ষায় থাকত। তখন অবশ্য জনসংখ্যানুপাতে হালদা নদীতে মাছের পরিমাণ বেশি ছিল।বর্তমান সময়ের মত হালদা নদীর সাথে সংযুক্ত খাল ও ছড়ার মধ্যে স্লুইচ গেট ছিল না। তাছাড়া বর্তমানের মত নদীদূষণের এত ভয়াবহতাও ছিল না। কালের বিবর্তনে নদীদূষণের মাত্রা সীমাহীন বেড়েছে। তাছাড়া সচেতনতার অভাবে মানুষও মা মাছ ধরছে। ফলে নদীতে মা মাছের আনা গোনা কমে যাওয়ায় ডিমের পরিমাণও কমতে শুরু করেছে।

এরপরও হালদা নদীর ডিম থেকে উৎপাদিত রেণুর চাহিদা থাকায় এখনো বেশ কিছু মানুষ ডিম আহরণে আগ্রহী হয়ে উঠে। গত বছর ডিম সংগ্রহে নদীতে তিনশতের মত নৌকা দেখা গেছে। কিন্তু ডিম কম ছাড়ায় এবার ডিম সংগ্রহের প্রতি আগ্রহ হারিয়েছে অনেকে। এবছর মাত্র ১০৫টি নৌকা ডিম সংগ্রহ করছে। কারণ ডিম থেকে উৎপাদিত রেণু পোনার বিক্রির আয় থেকে সংগ্রহের খরচ অধিক হওয়ায় ডিম আহরণকারীরা হতাশ হয়ে পড়ে। তাছাড়া পরিশ্রমের এ কাজ করতেও অনেকে আগ্রহী নয়।

২৪/৪/২০১৭/ ৮০/

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।