হেমন্তকাল, শনিবার, ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,২০শে রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি, রাত ৩:২১
মোট আক্রান্ত

৪৭৩,৯৯১

সুস্থ

৩৯০,৯৫১

মৃত্যু

৬,৭৭২

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ১৪৬,৪১৩
  • চট্টগ্রাম ২৫,৩৩৪
  • বগুড়া ৮,৮৪৪
  • কুমিল্লা ৮,৫৮৮
  • সিলেট ৮,৪৫৭
  • নারায়ণগঞ্জ ৭,৯০৭
  • ফরিদপুর ৭,৭৯৩
  • খুলনা ৬,৮৮২
  • গাজীপুর ৬,৪২৩
  • কক্সবাজার ৫,৫০৭
  • নোয়াখালী ৫,৩২৫
  • বরিশাল ৪,৪৪৬
  • যশোর ৪,৪৩৪
  • ময়মনসিংহ ৪,১৩২
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,০৫৭
  • দিনাজপুর ৪,০৫৭
  • রংপুর ৩,৫৯৯
  • কুষ্টিয়া ৩,৫৯৭
  • টাঙ্গাইল ৩,৫০১
  • রাজবাড়ী ৩,২৯৩
  • কিশোরগঞ্জ ৩,২৭৬
  • গোপালগঞ্জ ২,৮৬১
  • নরসিংদী ২,৬৪৮
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৬৪৩
  • চাঁদপুর ২,৫৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৬৭
  • সিরাজগঞ্জ ২,৩৯৪
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৫০
  • ঝিনাইদহ ২,১৯৪
  • ফেনী ২,১০২
  • হবিগঞ্জ ১,৮৯৪
  • শরীয়তপুর ১,৮৩০
  • মৌলভীবাজার ১,৮২৮
  • জামালপুর ১,৭৩৬
  • মানিকগঞ্জ ১,৬৪৮
  • পটুয়াখালী ১,৬০৯
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৫৯৩
  • মাদারীপুর ১,৫৫৭
  • নড়াইল ১,৪৮৮
  • নওগাঁ ১,৪৩৪
  • পাবনা ১,৪০০
  • ঠাকুরগাঁও ১,৩৮২
  • গাইবান্ধা ১,৩৩১
  • নীলফামারী ১,২২৭
  • জয়পুরহাট ১,২১১
  • পিরোজপুর ১,১৩৯
  • নাটোর ১,১৩৩
  • সাতক্ষীরা ১,১২৮
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • রাঙ্গামাটি ১,০৩৭
  • বাগেরহাট ১,০২৩
  • মাগুরা ১,০১৩
  • বরগুনা ১,০০৩
  • কুড়িগ্রাম ৯৬৫
  • লালমনিরহাট ৯২৯
  • ভোলা ৯০০
  • বান্দরবান ৮৫৭
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮০৭
  • নেত্রকোণা ৭৯০
  • ঝালকাঠি ৭৮৯
  • খাগড়াছড়ি ৭৪০
  • পঞ্চগড় ৭৩৯
  • মেহেরপুর ৭১৬
  • শেরপুর ৫২৪
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

ভরা মৌসুমেও সংকট, দাম বাড়ার আশঙ্কা…

admin

তৌহিদ আজিজ, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

ভরা মৌসুমেও সংকট চলছে চালের বাজারে। এ কারণে চালের দাম কমাচ্ছে না ব্যবসায়ীরা। সরকারের চাল মজুদে ঘাটতি, হাওড়ের বন্যা, সারাদেশে উৎপাদন কম হওয়া এবং মিল-কারখানায় পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকাকে চালের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে বলছেন ব্যবসায়ীরা। আর সরকার বলছে বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে চাল আমদানির জন্য এলসি খোলা হয়েছে।

রাজধানীর অন্যতম পাইকারি চালের বাজার মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট। এখান থেকে চাল সরবরাহ করা হয় আশপাশের এলাকায়। পাইকারি দরে ব্যবসায়ীরা এখান থেকে চাল কিনে নিয়ে যান। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী- এ বছর প্রতিকেজি বোরো ধান উৎপাদনে খরচ হয়েছে ২২ টাকা, আর প্রতিকেজি চাল উৎপাদনে খরচ হয়েছে ৩১ টাকা। এ হিসেবে সরকার চালকল মালিকদের কাছ থেকে ৩৪ টাকা কেজিতে সিদ্ধ চাল এবং ৩৩ টাকা কেজিতে আতপ চাল কেনার জন্য দাম নির্ধারণ করে। চালকল মালিকরা খাদ্যমন্ত্রী ও খাদ্য অধিদফতরের ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে মিটিং করে এই দামে সরকারকে চাল দিতে রাজি হয়।

ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের সবচেয়ে বেশি মানুষ যে মোটা চালের ভাত খায় তা ৩৬-৩৭ টাকা থেকে বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৪১-৪২ টাকা কেজি পাইকারি দরে। খুচরা বাজারে এ দাম ৪৮-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর মিনিকেট ৫২-৫৪, নাজির ৫২-৬০ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ বছর সারাদেশে ধান উৎপাদন কম হওয়ার কারণে চালের দাম বাড়তি বলে দাবি করেন চাল ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, হাওড় অঞ্চলে বন্যার কারণে চালের বাজারে প্রভাব পড়েছে। বিদেশ থেকে সময়মতো চাল আমদানি না হওয়ায় বাজার চড়া বলে জানান তারা।

চাল ব্যবসায়ী বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় দাম একটু বেশি। মিল থেকে পর্যাপ্ত চাল বাজারে সময়মতো আসছে না। চালের বাজারের নিয়ন্ত্রণ এখন মিলারদের হাতে চলে গেছে বলে দাবি এ ব্যবসায়ীর। মিল থেকে পাইকারি বাজারে চালের দামে মাত্র ১ টাকার পার্থক্য বলে জানান তিনি। বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে চাল সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ী মহল।

চালের ওপর উচ্চহারে ট্যাঙ্ বসানোটা উদার আমদানি নীতির পরিপন্থী বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও আগে চাল আমদানির ওপর ট্যাঙ্ তুলে দেয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন তারা। তাহলে আজকে চালের দাম এ পর্যন্ত আসতো না।

কৃষি মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রতিবছর রমজান মাসে চালের দাম কমে। ব্যতিক্রম এ বছর। দিন দিন দাম বাড়ছে চালের। রমজানের পর দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানান এ চাল ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, হাওড়ে যে ক্ষতি হয়েছে সেটা হয়তো সামগ্রিক উৎপাদনের ১০ শতাংশ। আসল কথা উৎপাদন কম হয়েছে এবার। এ কারণে চালের দাম আগের তুলনায় বেশি। সরকারের কাছে পর্যাপ্ত চাল নেই, তাই মিল মালিকরা ইচ্ছামতো দাম বাড়াচ্ছে।

এখন সরকার যদি দ্রুত চাল আমদানি করতে পারে তাহলে দেখা যাবে চালকল মালিকরা যে চালগুলো ধরে রেখেছে সেগুলোও দ্রুত বাজারে ছেড়ে দেবে। এতে করে বাজারে চালের দামে দ্রুত ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেও মনে করেন কোনো কোনো ব্যবসায়ী।

১৪-০৬-১৭-০০-১০-

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।