শীতকাল, মঙ্গলবার, ১২ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৬শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,১৩ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি, সকাল ৮:৩৯
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

শিলাবৃষ্টির সাথে রাজশাহীতে আমের বাজার চাঙা…

admin

ডেস্ক রিপোর্ট, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

রোজার শুরু থেকেই এবার জমে উঠেছে রাজশাহীর আমের বাজারগুলো। গ্রামগঞ্জের ছোট ছোট হাটবাজার থেকে শুরু করে শহরের বড় বড় আড়তে উঠেছে নানা জাতের আম। যে দিকেই যাওয়া যায়, চারদিকেই চোখে পড়ছে শুধু আম আর আম। ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে এবার আমের ক্ষতি হলেও ভালো দাম পাওয়ায় খুশি চাষিরা।

রাজশাহীর সবচেয়ে বড় আমের হাট বসে পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারে। এ বাজারের আশপাশের সড়কগুলোতে এখন শুধুই চোখে পড়ছে আমভর্তি ভ্যান। বাগানের কাঁচা-পাকা আম নিয়ে সব ভ্যানের গন্তব্য বানেশ্বর বাজার। বুধবার দুপুরে হাটে গিয়ে দেখা গেল, বাজারে উঠেছে নানা জাতের আম। খোলা আকাশের নিচে ভ্যানের ওপর সাজিয়ে আম বিক্রি করছেন প্রায় চার শতাধিক ব্যবসায়ী।

সপ্তাহের সাত দিনই এখন ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে বাজারটি। রোজার মধ্যেও বিকিকিনিতে ব্যস্ত সবাই। হিমসাগর, গোপালভোগসহ নানা জাতের আম এই বাজার থেকেই রওনা দিচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। বানেশ্বর বাজারের আশপাশে রয়েছে অন্তত ৫০টি আমের আড়ৎ। বেশ কয়েকটি আড়ৎ ঘুরে দেখা গেল, সবগুলোই ভরে উঠেছে গায়ে আঠা লেগে থাকা টাটকা আমে।

জুলফিকার আলী (৪৫) নামে এক আড়ৎদার জানান, এখন আড়তে যেসব আম আছে, তার সবই গাছপাকা। কিন্তু দূর-দূরান্তে পাঠানোর জন্য একটু শক্ত থাকতেই গাছ থেকে নামানো হয়েছে। এবার ঝড়ে আমের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার কারণে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে আম। তবে উৎপাদনে কমতি নেই বলেও জানান তিনি।

বানেশ্বর হাটের আম ব্যবসায়ী সেলিম রেজা (৪০) বলেন, রমজানের কারণে দেশের সব জায়গায় এখন আমের ব্যাপক চাহিদা। তাই হাটে তোলার সঙ্গে সঙ্গেই আম শেষ হয়ে যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থানের ব্যবসায়ীরা এখানে এসে আম কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। রাজশাহীর অনেক মানুষও আম কিনে তাদের আত্মীয়-স্বজনদের কাছে পাঠাচ্ছেন।

এদিকে হাটের একপাশে আমের জমে উঠেছে আম পাঠানো ঝুড়ির ব্যবসা। কেউ কেউ শুরু করেছেন খড় এবং চিকন দড়ির ব্যবসা। কুরবান আলী (৫০) নামে এক ব্যবসায়ী জানান, ক্রেতার আম কেনা হলে তারা ঝুড়িতে ভরে সেলাইও করে দিচ্ছেন। ঝুড়ির দাম ধরা হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা। পরিশ্রমিকসহ নেয়া হচ্ছে ৫০ টাকা।

বানেশ্বর হাটের মতো রাজশাহী মহানগরীর শালবাগান ও সাহেববাজারসহ আমের অন্যান্য বাজারগুলোও জমজমাট হয়ে উঠেছে। এবার গাছভর্তি মুকুল স্বপ্ন দেখিয়েছিল রাজশাহীর চাষিদের। ব্যাপক ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারণে কিছু সময় তারা হতাশও হয়ে পড়েছিলেন চাষিরা। তবে এখন আশানুরুপ ফলন পাওয়া যাচ্ছে বলেই জানিয়েছেন চাষিরা। তাছাড়া আমের দামও পাওয়া যাচ্ছে ভালো। এতে আমে এবারও লাভের মুখ দেখার আশা করছেন চাষিরা।

আম ব্যবসায়ীরা জানান, গোপালভোগ এক হাজার ৯০০ টাকা, খিরসাপাত এক হাজার ৮০০, লখনা এক হাজার ৩০০, গুটি এক হাজার, হিমসাগর দুই হাজার এবং রানীভোগ এক হাজার ৭৫০ টাকা মণ দরে পাইকারী বিক্রি হচ্ছে। বাজারে আর অন্য কোনো জাতের আম এখনও ওঠেনি। তাই আমের এ দাম আরও অন্তত সপ্তাহখানেক স্থায়ী থাকবে বলে জানান তারা। এমন দাম পেলে চাষিরা লাভবান হবেন বলেও ব্যবসায়ীরা জানান।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দেব দুলাল ঢালী জানান, জেলায় আমের বাগান রয়েছে প্রায় ১৭ হাজার হেক্টর জমিতে। এবার আম এসেছে এক লাখ ২৬ হাজার ৪৮০ গাছে। এসব গাছ থেকে দুই লাখ মেট্রিক টনের বেশি আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। গত বছর উৎপাদন হয়েছিল এক লাখ ৭২ হাজার মেট্রিক টন।

এবার কৃষি বিভাগ, উপজেলা প্রশাসন ও আমচাষিদের সমন্বয়ে আম নামানোর সময় বেঁধে দেয়া হয়েছিল। ১৫ মে থেকে গোপালভোগ ও গুটি, ২৫ মে থেকে হিমসাগর ও লখনা জাতের আম নামানো শুরু হয়েছে। আগামি ৮ জুন থেকে ল্যাংড়া, ১০ জুন থেকে ফজলি, ২০ জুন থেকে আম্রপালি এবং ১৫ জুলাই থেকে আশ্বিনা আম নামাতে পারবেন চাষিরা।।

০১-০৬-২০১৭-০০-১১০-০১-মনির জামান

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।