গ্রীষ্মকাল, মঙ্গলবার, ২৮শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১১ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,২৯শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি, সকাল ১০:৪৬
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

নন-প্রফেশনাল দরকার-নাটের গুরু নাঈম আশরাফ…

admin

ডেস্ক রিপোর্ট, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

কোনো প্রফেশনালকে আজ রাতে চাই না। সম্পূর্ণ নন-প্রফেশনালকে চাই। এমন কাউকে দাওয়াত করবি না, যারা এর আগে কোথাও ব্যবহার হয়েছে। গত ২৮ মার্চ বন্ধু সাফাতকে এভাবেই জন্মদিনের প্রস্তুতি নিতে বলে নাঈম আশরাফ। এ কথা শোনার পর সাফাত সিদ্ধান্ত নেয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই দুই ছাত্রীকে ডাকা। এ সময় তাদের পাশেই ছিল গাড়িচালক বিল্লাল।

রিমান্ডে গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল এসব কথা জানায়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলারিপোর্ট টোয়েন্টিফোর ডটকমের কাছে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওই কর্মকর্তা বলেন, গাড়িচালক জানিয়েছে, সাফাত ও নাঈম ওই ঘটনার আগে অনেক মেয়ের সর্বনাশ করেছে। নিত্য নতুন মেয়েদের কোনো রেস্টুরেন্টে ডেকে পরিচয় হতো। এরপর নির্জন কোনো হোটেলে নিয়ে তাদের সর্বনাশ করতো। কেউ মুখ খুলতে চাইত না। তাদের অনেককেই টাকা দিত। কাউকে ডায়মন্ডের কোনো কিছু গিফট করতো। আবার কাউকে ভয় দেখাত। এর আগেও সাফাত ও নাঈম অনেক ধর্ষণের ভিডিও করেছে বলেও জানায় গাড়িচালক।

বিল্লাল ডিবির কাছে আরো জানায়, ওই রাতে ধর্ষণের ঘটনার মূলহোতা নাঈম আশরাফ। ঘটনার আগে পরিকল্পনায় নাঈম যদি প্রফেশনাল চলবে না, নন-প্রফেশনাল দরকার- এসব কথা না বলতো, তবে এমনটি হতো না। সব নাটের গুরু ওই নাঈম আশরাফই।

এদিকে, গাড়িচালক বিল্লালকে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তরের আগে র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে সে জানিয়েছে, ঘটনার দিন সাফাতকে নিয়ে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সে দ্য রেইন ট্রি হোটেলে যায়। হোটেলে তাকে রেখে বনানীর আগোরার সামনে থেকে সাফাতের এক মেয়ে বন্ধুকে গাড়িতে ওঠায়। তাকে নিয়ে বনানীর ১১ নম্বরে যায়। সেখান থেকে সাফাতের আরও এক মেয়ে বন্ধুকে গাড়িতে ওঠায় বিল্লাল। দুইজনকে নিয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে হোটেলে ফেরে বিল্লাল। সেখানে তখন নাঈমও অবস্থান করছিল।

দুই মেয়েকে রেখে সাড়ে ৮টা পর্যন্ত নিচে সে অবস্থান করে। এরপর রাত সাড়ে ৯টার দিকে গুলশান থেকে ভুক্তভোগী দুই তরুণীকে নিয়ে হোটেলে যায় বিল্লাল। রাত ১০টার দিকে সাফাতের দুই বান্ধবীকে নিয়ে সে হোটেল ত্যাগ করে। পরে রাত ৪টার দিকে আবার হোটেলে যায়। সাফাত তাকে (বিল্লাল) দুই কক্ষের ফলস পার্টিশনের পাশে দাঁড়িয়ে ভিডিও করতে বলে। এ সময় সে সেখান থেকে ধর্ষণের ঘটনা ভিডিও করে।

র‌্যাবের কাছে বিল্লাল আরো জানায়, জন্মদিনের পার্টিতে দুই তরুণীকে রাতভর নির্যাতন করেই ক্ষান্ত হয়নি দুই নির্যাতক সাফাত আহমেদ ও তার বন্ধু নাঈম আশরাফ (প্রকৃত নাম আবদুল হালিম)। গর্ভধারণ রোধে দুই তরুণীকে সেদিন জোর করে জন্মনিয়ন্ত্রক বড়ি খাওয়ায় তারা। নির্যাতিত দুই তরুণীর এক চিকিৎসক বন্ধু সেই বড়ি খাওয়ার জন্য নিষেধ করে।

এ কারণে সেই বন্ধুকে মারধর করে সামনে ইয়াবা রেখে মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে বিল্লাল। তারপর সাফাত ও নাঈম বলে, ‘এই ঘটনা যদি কাউকে বলিস, তবে ইয়াবার মামলা দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেব। তোদের ইয়াবাখোর বানিয়ে দেব।’

জন্মনিয়ন্ত্রক বড়ি খাওয়ানোর পর দুই তরুণীকে আবারও ধর্ষণ করা হয়। সেই ঘটনারও ভিডিও ধারণ করে বিল্লাল।

২৯-০৫-২০১৭-০০-১০-২৯-আ/হৃ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।