বসন্তকাল, শনিবার, ২৭শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১০ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,২৮শে শাবান, ১৪৪২ হিজরি, সন্ধ্যা ৭:৫৯
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

জ্যৈষ্ঠের প্রথম দিন বাজারে এলো বিদেশী না দেশী আম…

admin

ডেস্ক রিপোর্ট, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

কয়েকদিন আগেই রাজশাহীর বাজারে এসেছে ভারতীয় আম। এবার জ্যৈষ্ঠের প্রথম দিনই বাজারে এলো দেশি গোপালভোগ। গোপালভোগের আগমনের মধ্যে দিয়ে মৌসুমে এবারই প্রথম উঠলো দেশি আম।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, স্বল্প পরিমাণে বাজারে আসতে শুরু করেছে গোপালভোগ। মৌসুমের নতুন ফল, তাই দাম বেশি। কিন্তু পরিমাণে কম হলেও চড়া দামেই পছন্দের ফলটি কিনছেন ক্রেতারা।

রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজারে নিজের ফলের দোকানে সোমবারই প্রথম আম সাজিয়েছেন ব্যবসায়ী বকুল হোসেন। তিনি জানান, প্রতিকেজি গোপালভোগ ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। আর কিছু দিন পর বিভিন্ন জাতের আম বেশি পরিমাণে উঠলে দাম কমবে বলে জানান তিনি।

ওই দোকানে আমের ক্রেতা মহররম আলী বলেন, বাজারে এসে পাকা আম দেখেই তিনি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু তার কাছে দাম একটু বেশিই মনে হচ্ছে। এরপরেও পরিবারের সদস্যদের মৌসুমের প্রথম আমের স্বাদ দিতে কম করে হলেও আম কিনেছেন। আলাপ শেষে তিনি দুই কেজি আম কিনে নিয়ে যান।

জানা গেছে, সপ্তাহের প্রথম থেকেই রাজশাহীর বাগানগুলোতে গোপালভোগ পাকতে শুরু করেছে। এখন সেগুলো পেড়ে বাজারে তুলছেন বাগান মালিকরা। সাহেববাজার ছাড়াও নগরীর শালবাগান ও লক্ষ্মীপুর বাজারে আম উঠেছে। পাইকারি আম বিক্রি হচ্ছে পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারেও।

রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুব্রত পাল জানান, কৃত্রিম উপায়ে আম পাকানো বন্ধে বিভিন্ন জাতের আম পাড়ার ক্ষেত্রে এবার বিভিন্ন তারিখ নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় প্রতিটি উপজেলা প্রশাসন ঠিক করে দিয়েছে কোনো আমটি কত তারিখের আগে পাড়া যাবে না। বিষয়টি দেখভালের জন্য প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কমিটিও করে দেয়া হয়েছে।

তিনি জানান, এবার সবার আগে গোপালভোগ জাতের আম পাড়ার সময় ছিল ১৫ মে। তবে গাছে আম পাকা শুরু করলে দুই-চার দিন আগেও চাষিরা আম পাড়তে পারবেন। গোপালভোগের ক্ষেত্রে তাই হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই গাছে গোপালভোগ পাকতে শুরু করায় চাষিরা তা পেড়ে বাজারে তুলতে শুরু করেছেন।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, গত ৮ বছরের ব্যবধানে রাজশাহীতে আমের আবাদ বেড়েছে ৮ হাজার ৭২৯ হেক্টের জমিতে। আর উৎপাদন বেড়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ৬২৯ মেট্রিক টন। এ বছর রাজশাহীর ১৬ হাজার ৫৮৩ হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। প্রতি হেক্টরে ১০ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে কৃষি বিভাগ। তবে এবার কালবৈশাখীতে আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক দেব দুলাল ঢালি বলেন, এবার রাজশাহীর শতকরা ৯০ ভাগেরও বেশি গাছে মুকুল এসেছিল। গাছে গাছে পর্যাপ্ত গুটিও এসেছিল। তাই কালবৈশাখীতে অনেক আম ঝরে গেলেও উৎপাদনে কোনো ঘাটতি থাকবে না। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে বলেই আশা প্রকাশ করেন তিনি।

১৫/৫/২০১৭/০-২৬০-৭/আ/হৃ/

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।