বসন্তকাল, মঙ্গলবার, ৩০শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৩ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,১লা রমজান, ১৪৪২ হিজরি, রাত ১:৫৭
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

কমেযাচ্ছে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল যোগাযোগ…

admin

 ডেস্ক রিপোর্ট , বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

ঢাকা-চট্টগ্রাম ডাবল রেললাইনের অংশ হিসেবে মেঘনা নদীর ওপর দ্বিতীয় ভৈরব রেলওয়ে সেতু ও তিতাস নদীর ওপর তিতাস সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। উদ্বোধনের পর খুব শিগগির সেতু দুটির ওপর দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হবে। সেতু দুটি চালু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে রানিং টাইম কমে আসবে। বাড়ানো যাবে গাড়ির সংখ্যাও।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি সেতু নির্মাণের ফলে এখন থেকে ভৈরব ও আখাউড়া স্টেশনে ক্রসিং ছাড়াই ট্রেন চলাচল করতে পারবে। সেতুর কাজ শেষ হওয়ায় এখন আনুষঙ্গিক কিছু কাজ বাকি আছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক।

প্রকল্প পরিচালক জানান, ৯৮৪ মিটার দৈর্ঘ্য (এক কিলোমিটার থেকে ১৬ মিটার কম) এবং ৭ মিটার প্রস্থের সেতু দুটিতে মিটারগেজ ও ব্রডগেজ দুটি লাইনই থাকছে। আগের পুরনো সেতুতে কেবল মিটারগেজ লাইন রয়েছে। সেতু দুটি দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-নেয়াখালী, ঢাকা-চাঁদপুর রেলওয়ে পথে ট্রেনের রানিং সময় কমে আসবে।

প্রকল্প পরিচালক ও রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. আবদুল হাই জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি সেতু হলো মেঘনা নদীর ওপর নির্মিত দ্বিতীয় ভৈরব রেলওয়ে সেতু এবং তিতাস নদীর ওপর নির্মিত তিতাস সেতু। সেতু দুটি চালু হওয়ার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে অন্তত আরও ১৫ মিনিট সময় কমে আসবে। এতে করে যাত্রী সুবিধা অনেক বেড়ে যাবে।

ভারতের অর্থায়নে নির্মিত সেতু দুটি দিয়ে মিটারগেজ ও ব্রডগেজ উভয় ট্রেন চলাচল করতে পারবে জানিয়ে প্রকল্প পরিচালক ও রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো.আবদুল হাই জানান, ধীরে ধীরে মিটারগেজ ট্রেনের ব্যবহার কমে আসছে। বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা উভয় ট্রেন চলাচলের উপযোগী করে সেতু নির্মাণ করেছি। আগামীতে মিটারগেজ ট্রেন বন্ধ হলেও যাতে সেতু নির্মাণ করতে না হয়। সেতু নির্মাণে আধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি উন্নতমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে কারণ ভবিষ্যতের বিষয়টি মাথায় রেখে কাজ করছি। যাতে কয়েক বছর পর এ সেতু ট্রেন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে না পড়ে।

উল্লেখ্য, ১৯৩৭ সালে ব্রিটিশ সরকার ঢাকা রেলওয়ে পথে যাত্রী ও মালামাল পরিবহনের সুবিধার্থে সেতু দুটি নির্মাণ করে। ডাবল লাইন না থাকায় ট্রেনগুলো যাতায়াতের সময় ক্রসিং করতে হয়। এতে ১০ থেকে ২০ মিনিট সময় নষ্ট হয়।

১৪/৫/২০১৭/৫০/ম/জা/

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।