হেমন্তকাল, বুধবার, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,১৭ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি, রাত ৮:৫৫
মোট আক্রান্ত

৪৬৯,৪২৩

সুস্থ

৩৮৫,৭৮৬

মৃত্যু

৬,৭১৩

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ১৩৬,৮৩৩
  • চট্টগ্রাম ২৩,২২২
  • বগুড়া ৮,৪৪৮
  • কুমিল্লা ৮,২৯০
  • সিলেট ৮,০৭৫
  • ফরিদপুর ৭,৬৬১
  • নারায়ণগঞ্জ ৭,৫২৬
  • খুলনা ৬,৭৯১
  • গাজীপুর ৬,০২২
  • কক্সবাজার ৫,৩৬৮
  • নোয়াখালী ৫,২০৩
  • যশোর ৪,২৯৩
  • বরিশাল ৪,২০৯
  • ময়মনসিংহ ৩,৯৮৮
  • মুন্সিগঞ্জ ৩,৮৮৭
  • দিনাজপুর ৩,৮৬২
  • কুষ্টিয়া ৩,৫১৮
  • টাঙ্গাইল ৩,৪৩৩
  • রংপুর ৩,৩২৫
  • রাজবাড়ী ৩,২২১
  • কিশোরগঞ্জ ৩,১৮৩
  • গোপালগঞ্জ ২,৭৭২
  • নরসিংদী ২,৫৭০
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৫৫৬
  • চাঁদপুর ২,৪৯৯
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৩৬
  • সিরাজগঞ্জ ২,৩২৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২২০
  • ঝিনাইদহ ২,১৬২
  • ফেনী ২,০৩৭
  • হবিগঞ্জ ১,৮৭১
  • মৌলভীবাজার ১,৮১২
  • শরীয়তপুর ১,৮১০
  • জামালপুর ১,৭১১
  • মানিকগঞ্জ ১,৬০৯
  • পটুয়াখালী ১,৫৬৮
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৫৬০
  • মাদারীপুর ১,৫২৯
  • নড়াইল ১,৪৭১
  • নওগাঁ ১,৪০০
  • ঠাকুরগাঁও ১,৩১১
  • গাইবান্ধা ১,২৮৭
  • পাবনা ১,২৮২
  • নীলফামারী ১,১৮২
  • জয়পুরহাট ১,১৭৭
  • সাতক্ষীরা ১,১২৫
  • পিরোজপুর ১,১২২
  • নাটোর ১,১০২
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • বাগেরহাট ১,০১৪
  • মাগুরা ৯৮৯
  • রাঙ্গামাটি ৯৮৪
  • বরগুনা ৯৭৭
  • কুড়িগ্রাম ৯৫১
  • লালমনিরহাট ৯১১
  • ভোলা ৮৫৮
  • বান্দরবান ৮২৯
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮০১
  • নেত্রকোণা ৭৬৭
  • ঝালকাঠি ৭৫৮
  • খাগড়াছড়ি ৭২২
  • পঞ্চগড় ৭১০
  • মেহেরপুর ৬৯১
  • শেরপুর ৫১১
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

যে ভালোবাসা হারালে পাওয়া যায়না….

admin

ডেস্ক রিপোর্ট , বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

আর কতক্ষণ লাগবে তোমার? আমি দাঁড়িয়ে আছি তো।বিছানায় শুয়ে ভাবছে আবির আসতে আর কতক্ষণ লাগবে।
– কি হল? কই তুমি?
– এইতো বের হলাম। বাস এ উঠবো। কতক্ষণ লাগে তা তো জানি না। তবে তারাতারি আসার চেষ্টা করব।

আসলেই বের হয়েছে আবির। খুব প্রিয় এক জায়গা থেকে। ঘুম। সারাদিন বিছানার সাথে লেপটে থাকতে
পারে। শরীরের অবস্থা দেখে বোঝার উপায় নেই এই ছেলে এত ঘুমায়। মারিয়া যে কয়েকটা দিন দেখা করেছে সবসময়ই দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। কোনদিন আগে এসে পৌঁছাতে পারেনি আবির। মারিয়া নিজেও বিছানায় শুয়ে কথাগুলো বলছে। ওর অনেক দিনের ইচ্ছা আবির অপেক্ষা করবে, আর মারিয়া বলবে, রাস্তায় অনেক জ্যাম। তাই দেরি হল। আজই হয়ত সেইদিন।
আবির কোনমতে উঠে রেডি হয়ে নিল। আবিরের নিজেরও অনেক ইচ্ছা একদিন আগে যাওয়ার। কিন্তু কোনদিনই হয় না। এই ঘুম আর জ্যাম সব কিছুর জন্য দায়ি। প্রতিটা বার লেট আর প্রতিটা বার শাস্তি। ওহ, সে কি শাস্তি। ভাবাই যায় না।

বাসের জন্য প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা শেষে অবশেষে বাস আসল। মনে মনে অনাগত শাস্তির কথা ভাবছে আবির। খুব ভাল করেই জানে আজকের প্রশ্নের উত্তর দিতেও ব্যর্থ হবে। আজ পর্যন্ত একটা দিনও উত্তর দিয়ে শাস্তি থেকে পার পায়নি আবির। বাসে উঠার পর জানালার পাশে বসল। পাশে কেউ নেই। ২ সিটের অধিকারী হয়ে খুবই খুশি আবির। সব সময় ভাগ্য এত ভাল হয় না। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই সব ভেঙ্গে এক মানুষ এসে আবিরের পাশে বসল। ২ সিটের সুখ এখন হাফ সিটে নেমে এসেছে। এত বড় শরীর নিয়ে পাশে যে মানুষটা বসে আছে তার দেড় সিটেও মনে হয় হচ্ছে না। ২ সিট পেলে সে হাসি মুখে দাঁত বের করে বসে পরবে। ধন্যবাদও দিবে না একবার আবিরকে। মারিয়ার সাথে দেখা হলে তো এমনিতেই শাস্তি অপেক্ষা করছে। তার আগে এই কোন শাস্তি পাচ্ছে আবির?
লাস্ট যেদিন দেরী করে গেল, মারিয়া রাগি রাগি চোখ করে বলল- দেরী হল কেন এত? প্রতিদিন আমি অপেক্ষা করব? কি পাইছ তুমি?

– জ্যাম ছিল রাস্তায়।
– প্রতিদিন এক কথা বলবা না। রাস্তায় জ্যাম ছিল? তো তুমি জামেই থাকতা। আমি যদি এর মাঝে অন্য কারও সাথে বসে গল্প করা শুরু করে দিতাম তুমি কিছু করতে পারতা?
– না না। কি বল তুমি? তুমি কত ভাল মেয়ে। তুমি অমন করতেই পার না।
একটু রাগি মুখে তাকাল মারিয়া। মুখটা নিচু করে ফেলল আবির। নিশ্চয় এখনি প্রশ্ন করবে আবিরকে।
– তুমি তো বাসে আসছ, তাই না?
– হ্যাঁ।
– পাশে কে বসছিল?
– একটা মেয়ে।
– বয়স কত?
– তোমার মত হবে।
– কি কালারের ড্রেস পরেছিল?
– কালো।
– আচ্ছা। ঠিক আছে। আচ্ছা বাসে সিট কয়টা ছিল?
– বাসে সিট? গুনছি নাকি আমি?
– পাশে বসা মেয়ের ড্রেসের কালার দেখতে পারছ আর বাসের সিট গুনতে পার নায়?
– না,ওটা কি সম্ভব নাকি? পাশে বসলে ড্রেস দেখব না?
– তাই দেখ। আমি প্রশ্ন করছি উত্তর দিতে পারনি তুমি। শেষ।
– আজ আবার কি শাস্তি দিবা?
– আজ আমার হাত ধরতে পারবা না। পাশে পাশে ঘুরবা, বসে থাকবা, খাবা একসাথে। কিন্তু হাত ধরতে পারবা না।
– এটা কেমন কথা? আমি কি করে থাকব হাত না ধরে?
– থাকতে হবে। অপরাধ করছ, আবার উত্তরও দিতে পার নায় প্রশ্নের।
– আর এমন হবে না। এরপর থেকে আর দেরী করে আসব না, বিশ্বাস করো।
– না। এর আগেও অনেকবার বলছ। তাও আমাকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। আর সম্ভব না।
– একবারের জন্যও না? আমি না তোমাকে ভালবাসি? আমি হাত ধরব না?
– না।

সেদিন সত্যিই একবারের জন্যও হাত ধরতে দেয়নি মারিয়া। কয়েকবার ধরার ব্যর্থ চেষ্টা করেছিল আবির। প্রতিবারই হতাশ।
একটু চলার পরই জ্যাম। সহ্য করার মতন না। মাঝে ২ বার মারিয়া ফোন দিল। প্রতিবারই বলল আবির, এই তো চলে এসেছি, আর একটু।
আজ কি প্রশ্ন করতে পারে? বাসে লাইট আছে ৪ টা। জানালা ১২ টা। একটা মাত্র ফ্যান যা ড্রাইভার এর মাথার উপর প্রাণপণ ঘুরে চলছে। selfish ড্রাইভার। খালি নিজেরটাই বুঝে। এইদিকে একজন যে হাফ সিটে বসে টিকে থাকার যুদ্ধ করছে সেই দিকে কোন খেয়াল নেই।
মনে হচ্ছে পাশে বসা লোকটাকে কিছু বলতে কিন্তু পরে আর বলা হল না। জানালা দিয়ে বাহিরের লোকজন দেখছে আবির। কত মিষ্টি করে শাসন করে মারিয়া। রাগ করে কত মিষ্টি করে। এত মিষ্টি ভালবাসার সম্পর্ক হয়ত খুব কম মানুষের ভাগ্যেই থাকে।

– ঐ জোরে চালা বাস।

জানালায় সজোরে বিশাল হাত নিয়ে থাপ্পড় দিয়ে বলল আবিরের পাশে বসা বিশাল দেহী মানুষটা। তার বগলের নিচে যে একজন পরে আছে সেই দিকে একদমই খেয়াল নেই।
ওহ, কি দুর্গন্ধ। কি দোষ করেছিল আবির আল্লাহই জানে। দেড় সিট নিয়েছে সমস্যা নেই। বগলের নিচে এভাবে রেখে বাস থাপড়াতে হবে। আরে বডি স্প্রে না থাকুক, অন্তত ঘামাচি পাউডার তো দিয়ে আসতে পারত। বমি আসছে দুর্গন্ধে।
বমির কথা ভাবতেই হঠাৎ মাথায় একটা কথা আসল, আচ্ছা বাসে উঠলে তো অনেকেই বমি করে। ড্রাইভারদের কখনও বমি আসে না? আসলে তখন কি হত?

আজও মারিয়া আগে চলে আসল। প্রচণ্ড রাগ হচ্ছে। ছেলেটা প্রতিদিন দেরি করে আসে। এই যে দেরি করে আসলে হাত ধরতে দেই না, রাগ করি, কথা বলি না। তাও একটা দিন আগে আসে না। আর ছেলেটা কেমন যেন, রাগ করে থাকতে পারিনা ওর উপর। চোখের দিকে তাকালেই রাগ চলে যায়। তাই যতটা সময় রাগ করে থাকি ভুলেও চোখের দিকে তাকাই না। চোখের দিকে তাকালেই এমন একটা অসহায়ের মত ভাব করবে যেন কত কষ্টে আছে। আসলে তো সব ঢঙ। তাও পারি না রাগ করতে। আর ফাজিলটাকে শাস্তি দিয়ে যেটা করতে মানা করব ঐটা আরও বেশি করে করবে। ফাজিল, শয়তান। আজ আসুক , আজ আর ফাজিলটার অসহায়ের মত তাকানো দেখে রাগ ভাঙবে না।
জ্যাম ছেড়েছে তাহলে। বেশি সময় লাগার কথা না আর। আসলেই বড্ড বেশি দেরি করে যাওয়া হয়। মেয়েটা প্রতিদিন একা একা দাঁড়িয়ে থাকে। একটু সময় মত একদিনও যাওয়া হয় না। খারাপ লাগে অনেক, কিন্তু ঘুম না ভাঙলে আমার কি করা?

আবির বিরক্তির চরম পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এমনিতেই মারিয়ার জন্য মন খারাপ। আজ ও শাস্তি পেতে হবে। তার উপর পাশের দানবের যন্ত্রণা। কিছুক্ষণ ধরে অন্য এক যন্ত্রণা দিচ্ছে লোকটা। বাসের হেল্পার পিচ্চিটা যখনি বলছে, বায়ে পেলাস্টিক, বায়ে পেলাস্টিক।
আর আবিরের পাশের লোকটা উঠে উঠে জানালা দিয়ে ” পেলাস্টিক ” দেখার চেষ্টা করছে। সাথে সাথে আবিরকে তার শরীরের সুগন্ধে রাঙ্গিয়ে দিচ্ছে যাচ্ছেন। আজব মানুষ।
বাস থেকে নেমে তারতারি একটা রিকশা নিয়ে গেল। রিকশা থেকে নেমে আস্তে করে মারিয়ার সামনে এসে দাঁড়াল আবির। আবির বলতে শুরু করল – জানো, আজ এত জ্যাম……

– চুপ। আমি তোমাকে কিছু জিজ্ঞাসা করছি?
– না, দেরি করলাম তো তাই।
– সে তো প্রতিদিনই করো, আর প্রতিদিন এসে একই কথা বল।
– সত্যি কথা বিশ্বাস করো…
– চুপ। বাসে আসছ তো?
– হ্যাঁ।
– বাসে চাকা ছিল কয়টা?
– লাইট ৪ টা, জানালা ১২ টা, ফ্যান একটা selfish ড্রাইভার এর মাথার উপর।
– এগুলো জানতে চাইছি? চাকা কয়টা ছিল?
বাসে চাকা কয়টা ছিল একটু চিন্তা করলেই বলা যাবে। কিন্তু মাথায় কোন কিছু ঢুকছে না এখন।মাথায় একটাই চিন্তা মারিয়া আজ কি শাস্তি দিবে।
– বলতে পারবা না, তাই তো?
– ঠিক মনে করতে পারছি না।
– আজ বাসা থেকে আসার সময় ভেবে এসেছিলাম, আজ আমি তোমাকে

খাইয়ে দিব। একসাথে খেতে বসলেই তো বল, একটু খাইয়ে দাও না। ভেবেছিলাম আজ তোমার ইচ্ছাটা পূরণ করব। আজও তুমি দেরি করে আসলা। তোমার ইচ্ছাটা আর পূরণ হচ্ছে না।
আবির মুখ ঘোমড়া করে দাঁড়িয়ে রইল। কোন কথা বলল না। মারিয়াও চোখ নিচের দিকে দিয়ে তাকিয়ে আছে। আবিরের মুখের দিকে তাকানো যাবে না। প্রতিদিন দেরি করবে আর মাফ করে দিবে। কখনও না। মারিয়ার কষ্ট হয় না?

কিছুক্ষণ নীরব থাকার পর মারিয়ার হঠাৎ মনে হল আবির চুপ করে আছে কেন? আজ আর রাগ ভাঙানোর চেষ্টা করছে না কেন? মারিয়া মুখ তুলে আবিরের দিকে তাকাল। আবিরও মুখ নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে।
মারিয়া আবিরের কাছে গিয়ে হাত ধরে বলল- এই কি হইছে? এমন চুপ করে আছো কেন? আজ আর রাগ ভাঙ্গাবা না।
– আমি কি ইচ্ছা করে এমন করি? আমার ঘুম ভাঙতে চায় না সকাল বেলা। আর বাস কি আমি চালাই, জ্যাম বাধলে আমি কি করব? আমার খারাপ লাগে না তুমি প্রতিদিন দাঁড়িয়ে থাক? প্রতিদিন আমাকে শাস্তি দাও।
অসহায়ের মত মুখ করে কথা গুলো বলছে আবির। আবারও রাগ চলে গেল মারিয়ার। হাতটা আরও শক্ত করে ধরল মারিয়া। মুখে একটু হাসি নিয়ে বলল- আহারে, আমার পাগলটা দেখি রাগ ও করতে পারে। কত্ত রাগ করছ দেখি তো?

– আমাকে খাইয়ে দিবে না,না?
– দিব তো। তোমাকে দিব না তো কাকে দিব বল? আচ্ছা বল, কি খাবা?
– ফুস্কা, আইস ক্রিম, বাদাম …
– এই এই, আস্তে আস্তে বল। একটা একটা করে বল।
– সবগুলো খাবো।
– হ্যাঁ সবগুলো খাবে। কিন্তু একসাথে তো পারবা না। একটা একটা করে খাবা, আচ্ছা?
– না খাবো না, খাইয়ে দিবে।
– দিব তো, পাগল।
আইস ক্রিম খাইয়ে দিচ্ছে মারিয়া আবিরকে। আবির খাওয়াতে ব্যাস্ত। আর মারিয়া তাকিয়ে আছে এক দৃষ্টিতে আবিরের দিকে। বড্ড বেশি কান্না পাচ্ছে মারিয়ার। কষ্টে না। খুশিতে। এত ভালবাসে কেন আবিরকে ও? পাগলটার মাঝে কি আছে? জানা নেই। সব কিছু সবসময় জানতে নেই। ভালবাসে বাসুক। এত কিছু বুঝতে গেলে ভালো লাগাটুকু হারিয়ে যেতে পারে।
– আর একটা খাইয়ে দিবে?
আবির আবারও সেইরকম মুখ করে তাকিয়ে আছে। না করার উপায় নেই।
-আচ্ছা দিচ্ছি।
– একটা কথা বলি?
– বল।
– আমি আর কখনও দেরি করে আসব না। আমাকে প্রতিদিন এভাবে খাইয়ে দিবে?
– দিব।
– আমিও তোমাকে একটু খাইয়ে দেই।
– দাও।

আবির আইস ক্রিমটা নিয়ে মারিয়াকে খাইয়ে দিচ্ছে। চোখ দিয়ে পানি পরছে এখনও মারিয়ার। পাগলটার সে দিকে একদম খেয়াল নেই। শুধু খাওয়া নিয়েই ব্যাস্ত। মারিয়া আবিরের হাতটা আর একটু শক্ত করে ধরল। মনে মনে বলল, তোমাকে অনেক ভালবাসি, ছেড়ে যেওনা কখনও।
আবির বুঝল কিনা জানে না।

আবির সবই দেখছে সবই বুঝছে। সব কিছু সবসময় বুঝতে দিতে নেই। একটু রাগ করুক না মেয়েটা। রাগলে অনেক সুন্দর লাগে দেখতে মারিয়াকে।

৭/৫/২০১৭/৬০/তৌহিদ আজিজ/

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।