বসন্তকাল, শনিবার, ২৭শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১০ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,২৮শে শাবান, ১৪৪২ হিজরি, রাত ৮:১১
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

শিশুর অ্যাজমায় মা-বাবার ডায়েরি:

admin

নূরজাহান নীরা, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম,

কটি শিশু পুরো পরিবারের ভালোবাসার প্রতীক। সকলের ভালোবাসাকে আশ্রয় করে বেড়ে ওঠা শিশুটি যখন রোগে আক্রান্ত হয়, তখন সবার মন দুঃখের কালো পর্দায়

ঢেকে যায়। শিশুদের একটি ভয়ংকর রোগের নাম অ্যাজমা। কোন শিশু হয়ত ফুটবল খেলার সময় অ্যাজমায় আক্রান্ত হয়। আবার কোন শিশুর ক্ষেত্রে গভীর রাতে অ্যাজমা তার কালো থাবা বসিয়ে দেয়।

মা বাবার জন্য শিশুদের সবসময় নজরবন্দি রাখা অনেক কঠিন বিষয়। কিন্তু অ্যাজমা আক্রান্ত শিশুটির দিকে নজর না রেখে উপায় কী? আর যদি মা বাবা অনেক আগে থেকেই সচেতন থাকেন তবে শিশুটি হয়ত একসময় এই কঠিন রোগ থেকে মুক্তি পায়। আসুন জেনে নিই শিশুর অ্যাজমায় মা বাবার করণীয় সম্পর্কে।
তৈরি করুন অ্যাজমা ডায়েরি: একটা শিশুর চিকিৎসা ঠিকভাবে হওয়ার জন্য মা বাবার উচিত শিশুর অ্যাজমা বিষয়ক উন্নতি অবনতি লিপিবদ্ধ করা। ডাক্তার অবশ্যই জানতে চাইবে যে তার চিকিৎসা পদ্ধতি কাজ করছে কি না। তাই আপনার শিশুর রোগের দৈনন্দিন সব খুঁটিনাটি লিখে রাখার জন্য আজই অ্যাজমা ডায়েরি তৈরি করুন। আপনার শিশুর কখন অ্যাজমা এ্যাটাক হয়েছে, কোন কোন দিনে হয়েছে এবং লক্ষণগুলো কী কী ছিল সব বিস্তারিত লিখে রাখুন। অবশ্যই দিন তারিখ লিখতে ভুলবেন না। শিশু যদি নিয়মিত ঔষধ গ্রহণ করে তবে ঔষধের প্রতিক্রিয়া এবং ডোজের পরিমাণও লিখে ফেলুন। আর কোন পরিস্থিতিতে তার অ্যাজমা বেড়ে যায় সেটাও লিখতে হবে পরিপূর্ণভাবে।

পিক ফ্লো মিটার ব্যবহার করুন: প্রতি মিনিটে ফুসফুসে কতটুকু বাতাস পরিবাহিত হয় এটা পরিমাপের জন্য পিক ফ্লো মিটার ব্যবহার করা হয়। এটা আপনাকে শিশুর ফুসফুসের অবস্থা জানতে সাহায্য করবে। আপনার ডাক্তার বা ডাক্তারের সহযোগীর কাছ থেকে পিক ফ্লো মিটার ব্যবহার পদ্ধতি জেনে নিন।
ডাক্তারের সাথে মন খুলে কথা বলুন: আপনার শিশুকে নিয়মিত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। এমনকী যখন সে ভালো বোধ করে তখনও। ডাক্তার আপনার শিশুর শ্বাস প্রশ্বাস পরীক্ষা করবেন। যদি শিশুটি ঔষধ গ্রহণ করে থাকে, ডাক্তার বোঝার চেষ্টা করবেন ঔষধ ঠিকমত কাজ করছে কী না। ডাক্তার অ্যাজমা ডায়েরি দেখে রোগী সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পাবেন এবং এ বাদেও মা বাবাকে অনেক প্রশ্ন করবেন। ডাক্তারই মা বাবাকে একটি অ্যাজমা অ্যাকশন প্ল্যান প্রদান করবেন যার মাধ্যমে মা বাবা শিশুর দেখ ভালের বিস্তারিত প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পারবেন।

ঔষধ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি সম্পর্কে জানুন: আপনি যদি শিশুর অ্যাজমার ঔষধ সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা পান তবে সহজেই শিশুর যত্ন নিতে পারবেন। ঔষধ বিষয়ে মা বাবাকে যে সব জিনিস মনে রাখতে হবে তা হলো:
● ঔষধ সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা মেনে চলুন।

● সময়ের ঔষধ সময়ে প্রদান করুন।

● অ্যাজমার লক্ষণের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ঔষধ প্রদানের প্রয়োজন হতে পারে।
● শিশু যখন সুস্থ থাকে তখনও ঔষধ নিয়ে অবহেলা করবেন না।
● ঔষধের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে ডাক্তারকে বিস্তারিত জানান।
অ্যাজমা বিষয়ে খুঁটিনাটি জানুন: আপনিও আপনার শিশুর জন্য তৈরি করা মেডিকেল টিমের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। তাই ডাক্তার বা তার স্টাফের কাছ থেকে অ্যাজমা বিষয়ে খুঁটিনাটি জেনে নিন। যে সব জিনিসের সংস্পর্শে শিশুর অ্যাজমা বেড়ে যায়, সেসব থেকে শিশুকে দূরে রাখুন। ঠিকভাবে ইনহেলার ব্যবহারের পদ্ধতি জেনে নিন। আপনার শিশুকে সাহস প্রদান করুন, কারণ অনেক সময় দুঃশ্চিন্তাও অ্যাজমা বাড়িয়ে দিতে পারে।
৪/৫/২০১৭/৪০/
Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।