বসন্তকাল, সোমবার, ২৯শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১২ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,৩০শে শাবান, ১৪৪২ হিজরি, রাত ৪:১২
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

গরমে সুতি কাপড়ের যত্ন….

admin

মনির জামান, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

গ্রীষ্মকালে গরম আর ঘাম থেকে রেহাই পেতে সুতি পাতলা কাপড় পরার চেয়ে বিকল্প কোনোকিছু পাওয়া বেশ কঠিন। তবে খুব তাড়াতাড়ি ঘামে ভিজে যাওয়া এই কাপড়টি সঠিক যত্ন না হলে বেশি দিন টেকে না, তার উপর ধোওয়ার পর পোশাক ছোট হয়ে যাওয়া বা রং ওঠার সম্ভাবনা, ইস্ত্রি করা ইত্যাদির তালিকাটা বেশ বড়। তার জন্য চাই একটু যত্ন। সেটাই কীভাবে করবেন জেনে নিন আজকের প্রতিবেদন থেকে।

 

সুতি সম্পর্কে প্রথমেই জেনে নিতে হবে, এটি হলো এমন ফ্যাব্রিক, যার শ্বাস নেয়ার অনেক জায়গা রয়েছে। তাই সুতির কাপড় এত হালকা এবং পরে আরাম। তবে এই কারণেই কিন্তু সুতি কাপড় ঘাম ও শরীর থেকে বেরোনো অতিরিক্ত তেল সহজে শুষে নেয়। এ রকম ক্ষেত্রে না কেচে সুতির জামা বারবার পরা হলে দেখা যায়, কলারের কাছে এবং আর্মপিটে জামার রং কিছু দিন পরই ফিকে হয়ে গেছে। তাই পরার পর পোশাক হাওয়ায় মেলে দিন। বার দুয়েক পরার পর কেচে নিন।

 

বিভিন্ন রঙের সুতির পোশাক একসঙ্গে কাচবেন না। এতে রঙের মিশেল ঘটে জামার স্বাভাবিক রঙ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আর সম্ভব হলে সেগুলো সব সময় স্বাভাবিক তাপমাত্রার জলে ধুতে চেষ্টা করুন। পোশাকে কোথাও দাগ লেগে থাকলে, আগে সেটা তুলে নিন। দাগের উপর স্টেন রিমুভার লাগিয়ে একটি টুথব্রাশ দিয়ে ঘষে তুলুন। তার পর জামাটি হালকা ডিটারজেন্টে মিনিট পনেরো মতো ভিজিয়ে, কেচে নিন।

 

সুতিতে যেহেতু সহজেই ভাঁজ পড়ে যায়, তাই জামার আকৃতি ঠিক রাখতে ঝুলিয়ে রাখুন। এর জন্য মোটা হ্যাঙ্গার ব্যবহার করুন।

সাধারণত হালকা ভেজা জামাকাপড় ওয়াশিং মেশিনে শুকনো করে নেন অনেকেই। কিন্তু এটা না করাই ভালো। ঘামে ভেজা হোক বা পানিতে ভেজা, স্বাভাবিক ভাবে শুকাতে দেয়াটাই ভালো। চেষ্টা করবেন, কটন গারমেন্ট ওয়াশিং মেশিনে না কেচে, হাতে কেচে নিতে এবং কড়া রোদে না শুকিয়ে, বারান্দায় হালকা বাতাসে শুকিয়ে নিতে।

 

আয়রন করার আগে জামাতে পানির ছিটে দিয়ে নেবেন। আর কোনো দাগ থাকলে, তার উপর অবশ্যই ইস্ত্রি করবেন না। পোশাকে যদি কোনো এমবেলিশমেন্ট থাকে, তা হলে উলটো করে আয়রন করুন। ইস্ত্রি করার পর পোশাক শুকিয়ে গেলে, বাইরে কিছুক্ষণ রেখে আলমারিতে তুলে রাখুন।

 

কটন যেহেতু ঘাম ও তেল শরীর থেকে সহজেই শুষে নেয়, তাই না কেচে সুতির পোশাক আলমারিতে রাখবেন না। কারণ পোশাকের ওই অংশগুলোর রং নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

 

সুতির পোশাক পোকায় কাটার ভয় থাকে। তাই কয়েকটি ন্যাফথলিন পাতলা কাপড়ে মুড়ে পোশাকের নীচে রাখুন। ল্যাভেন্ডার স্যাশেও রাখতে পারেন। পোশাকের নীচে পাতলা সুতির কাপড় পেতে শুকনো মরিচ ও তামাক পাতা রাখুন। আর অনেক দিন কোনো পোশাক পরা না হলে তা বের করে কিছুক্ষণ রোদে রাখুন।

৩/৫/২০১৭/৩০০/

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।