শীতকাল, সোমবার, ১১ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৫শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,১২ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি, রাত ১২:০৭
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

বন্যা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত….

admin

ডেস্ক রিপোর্ট , বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জ্বর, আমাশয় জাতীয়সহ পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ছে বলে এলাকাবাসী দাবি করছেন। এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ এপ্রিলের পাহাড়ি ঢলে মালিঝিকান্দাসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের ফসল ও ঘরবাড়ি তলিয়ে যায়। ইউনিয়নের জুলগাঁও, চেঙ্গুরিয়া, বানিয়াপাড়া, ডাকুরপাড়, রাঙামাটিয়া, বাতিয়াগাঁও, হাসলী বাতিয়া ও হাসলীগাঁও এই আটটি গ্রাম সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঢলে। এতে প্রায় কয়েক শতক হেক্টর জমির বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে যায়। তবে কয়েকদিনের তীব্র রোদে পানি কমে যাওয়ার সাথে সাথে পাকা ধান পঁচতে শুরু করেছে। সেই পাকা ধান কাটতে গিয়েই বেশির ভাগ কৃষক বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাছাড়া শিশুরাও পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

 

বানিয়াপাড়া গ্রামের কৃষক জুলফিকার মিয়া বলেন, এখনো ধান খেতে পানি আছে। তাই পঁচা পানিতে আমাদের ধান কাটতে হচ্ছে। ফলে অনেকেই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) খন্দকার আবদুল মান্নান জানান, বন্যা হওয়ার পর সাধারণত ওই সব এলাকাগুলোতে পানিবাহিত রোগ একটু বেড়ে যায়। তবে ওই এলাকা থেকে ব্যাপকভাবে রোগ ছড়িয়ে পড়ার মতো অভিযোগ পাইনি। তাই এলাকায় এখনো কোনো মেডিকেল টিম পাঠানো হয়নি।

৩/৫/২০১৭/৪০/তৌ/আ/

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।