হেমন্তকাল, মঙ্গলবার, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১লা ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,১৬ই রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি, সন্ধ্যা ৬:২০
মোট আক্রান্ত

৪৬৪,৯৩২

সুস্থ

৩৮০,৭১১

মৃত্যু

৬,৬৪৪

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ১৩৬,৮৩৩
  • চট্টগ্রাম ২৩,২২২
  • বগুড়া ৮,৪৪৮
  • কুমিল্লা ৮,২৯০
  • সিলেট ৮,০৭৫
  • ফরিদপুর ৭,৬৬১
  • নারায়ণগঞ্জ ৭,৫২৬
  • খুলনা ৬,৭৯১
  • গাজীপুর ৬,০২২
  • কক্সবাজার ৫,৩৬৮
  • নোয়াখালী ৫,২০৩
  • যশোর ৪,২৯৩
  • বরিশাল ৪,২০৯
  • ময়মনসিংহ ৩,৯৮৮
  • মুন্সিগঞ্জ ৩,৮৮৭
  • দিনাজপুর ৩,৮৬২
  • কুষ্টিয়া ৩,৫১৮
  • টাঙ্গাইল ৩,৪৩৩
  • রংপুর ৩,৩২৫
  • রাজবাড়ী ৩,২২১
  • কিশোরগঞ্জ ৩,১৮৩
  • গোপালগঞ্জ ২,৭৭২
  • নরসিংদী ২,৫৭০
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৫৫৬
  • চাঁদপুর ২,৪৯৯
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৩৬
  • সিরাজগঞ্জ ২,৩২৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২২০
  • ঝিনাইদহ ২,১৬২
  • ফেনী ২,০৩৭
  • হবিগঞ্জ ১,৮৭১
  • মৌলভীবাজার ১,৮১২
  • শরীয়তপুর ১,৮১০
  • জামালপুর ১,৭১১
  • মানিকগঞ্জ ১,৬০৯
  • পটুয়াখালী ১,৫৬৮
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৫৬০
  • মাদারীপুর ১,৫২৯
  • নড়াইল ১,৪৭১
  • নওগাঁ ১,৪০০
  • ঠাকুরগাঁও ১,৩১১
  • গাইবান্ধা ১,২৮৭
  • পাবনা ১,২৮২
  • নীলফামারী ১,১৮২
  • জয়পুরহাট ১,১৭৭
  • সাতক্ষীরা ১,১২৫
  • পিরোজপুর ১,১২২
  • নাটোর ১,১০২
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • বাগেরহাট ১,০১৪
  • মাগুরা ৯৮৯
  • রাঙ্গামাটি ৯৮৪
  • বরগুনা ৯৭৭
  • কুড়িগ্রাম ৯৫১
  • লালমনিরহাট ৯১১
  • ভোলা ৮৫৮
  • বান্দরবান ৮২৯
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮০১
  • নেত্রকোণা ৭৬৭
  • ঝালকাঠি ৭৫৮
  • খাগড়াছড়ি ৭২২
  • পঞ্চগড় ৭১০
  • মেহেরপুর ৬৯১
  • শেরপুর ৫১১
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

হারিয়ে যাচ্ছে বন মোরগ…

admin

নূরজাহান নীরা, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

বন মোরগ বনে থাকে। বনেই তার জন্ম। বন মোরগ দেখতে হুবহু দেশীয় মোরগের মত হলেও আকার ও ওজনে অনেকটা কম। এটি এক গাছ থেকে অন্য গাছে, এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে উড়ে বেড়ায়। একটি বন মোরগের ওজন সর্বোচ্চ ১ কেজি, আর মুরগির ওজন ৫০০ গ্রাম থেকে ৭০০ গ্রাম হয়।

বন মোরগের মাংস খুবই সুস্বাদু। এর রান্না করা হাড়গুলো কড়কড়ে; মড়মড়ে। বন মোরগের রং লাল আর বন মুরগির রং হালকা লাল, হলুদ ও কালো। বন মুরগি ১০-১২টি ডিম পাড়ে। ডিমগুলো দেখতে দেশীয় মুরগির ডিমের চেয়ে একটু ছোট। বন মোরগ-মুরগি গহীন অরণ্যে থাকতে পছন্দ করে। এক সময় পাহাড়ে গেলেই দেখা যেত বন মোরগের ছুটাছুটি। কিন্তু এখন তা একেবারেই দুর্লভ। প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে বান্দরবানের লামা উপজেলায় শিকারীদের উৎপাতে দিন দিন হারিয়ে যেতে বসেছে বন মোরগ।

প্রতি শনি ও মঙ্গলবার লামা পৌর শহরের মাছ বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে ১০-২০ জন শিকারী বন মোরগ এবং পোষা বন মোরগের প্রায় বিকিকিনি চলে। প্রকাশ্যে বন মোরগ বিক্রি করলেও এ ক্ষেত্রে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইন অকার্যকর। ফলে পাহাড় থেকে আস্তে আস্তে হারিয়ে যাচ্ছে এ মোরগ। আগের মত এখন আর সচরাচর দেখা যায় না বন মোরগ-মুরগি। তবে শুষ্ক মৌসুমে লামা পৌর এলাকার রাজবাড়ী প্রবাসের ডুরি ও জাহাঙ্গীরের ডুরিসহ গহীন পাহাড়ের জঙ্গলে কিছু কিছু সময় বন মোরগ-মুরগি দেখা যায়।

গত মঙ্গলবার সকালে লামা বাজারে কথা হয় বন মোরগ শিকারী নুরুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি জানান, ঘরে পোষা বন মোরগকে বন মোরগের আবাসস্থলের কাছাকাছি নিয়ে পায়ে চিকন রশি দ্বারা বেঁধে রাখেন। পোষা বন মোরগ তখন বাঁক দিতে থাকে। তখন বন মোরগগুলো এ মোরগটিকে মারতে আসে। মারামারির এক পর্যায়ে দূরে লুকিয়ে থাকা শিকারী দৌড়ে গিয়ে বন মোরগটিকে ধরে ফেলেন। কোন কোন শিকারী চিকন সুতার কল, ফাঁদ ও জাল দিয়ে একসাথে ৭-৮টি মোরগ-মুরগি শিকার করেন।

আবার কোন কোন শিকারী ধানের সাথে বিষ মিশিয়ে আবাসস্থলে ছিটিয়ে দেয়। আর এ ধান খেয়ে ছোট-বড় অনেক মোরগ-মুরগি মারা যাওয়ার ৩০-৪০ মিনিট আগে জবাই দিতে হয়। অন্যথায় এরা নিজের পায়ের ধারালো নখ দিয়ে গলার রগ ছিড়ে আত্মহত্যা করে।

সূত্র জানায়, শিকারীরা ১টি বন মোরগ বিক্রি করেন ৩০০-৪০০ টাকা। আর বন মুরগি বিক্রি করে ১৫০-২০০ টাকা। অনেকে অতিথি আপ্যায়ন অথবা সখ করে খাওয়ায় জন্য শিকারীদের আগাম টাকা দিয়ে থাকেন। তবে একটি পোষা বন মোরগের দাম ৩-৪ হাজার টাকা। পরীক্ষা নিরীক্ষায় যে বন মোরগটি বেশী ভালো মনে হয় তার দাম আরো একটু বেশি।

তিনি আরও বলেন, অন্যান্য সময়ের চেয়ে শীত মৌসুম বন মোরগ শিকারের উপযুক্ত সময়। এ সময় একটি পোষা বন মোরগ থেকে মাসে ১৫-২০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে অর্ধশতাধিক শিকারী বন মোরগ শিকার কাজে নিয়োজিত রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।আরেক শিকারী জাফর বলেন, বন মোরগ পোষ মানাতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। প্রথমত বন মোরগের আবাসস্থল থেকে ডিম সংগ্রহ করতে হয়। তারপর দেশি মুরগি দ্বারা তা দিলে ২১ দিন পর বাচ্চা ফুট। বাচ্চা ফোটার দিন থেকে এই বাচ্চা বেঁধে রেখে লালনপালন করতে হয়। না হলে ৫-৭দিন পর অথবা একটু একটু পাখা গজালে বাচ্চাগুলো উড়াল দিয়ে পাহাড়ের জঙ্গলে চলে যায়। এই মুরগি বড় হয়ে ডিম পাড়লে; বাচ্চা ফোটালে ওই বাচ্চা পোষা বা গৃহপালিত হয়। পোষা বন মোরগ শিয়াল বিড়ালে নষ্ট করতে পারে না। এদের রোগ বালাইও কম হয়।অভিজ্ঞদের মতে, ১০টি দেশীয় মুরগি প্রজননের জন্য একটি মোরগ প্রয়োজন হয়। কিন্তু একটি বন মোরগ ২০টিরও বেশি মুরগিকে প্রজনন দিতে সক্ষম। এছাড়া এই বন মোরগ লড়াইয়ের ক্ষেত্রে খুবই পটু। একটি বন মোরগের সাথে বড় আকারের দুটি দেশিয় মোরগ রড়াই করে কুপোকাত হয়ে যায়। বন মোরগের পায়ের নক ও ঠোঁট খুবই ধারালো।লড়াইয়ের সময় বন মোরগ অন্য মোরগকে নখ দিয়ে আঁচড় দেয় এবং ডানা দিয়ে ঠাস ঠাস আঘাত করে দেশীয় মোরগকে ধরাশায়ী করে ফেলে। স্থানীয়রা জানান, এভাবে বন মোরগ শিকার করা হলে অচিরেই পাহাড় থেকে বন মোরগ হারিয়ে যাবে।

পশ্চিম রাজবাড়ীর বন মোরগ শিকারী মো. শফি আলম বলেন, দিনকাল এখন ভালো যাচ্ছে না। শীত মৌসুম আসলে পোষা বন মোরগটি দ্বারা ১০-১২টি বান মোরগ মুরগি শিকার করি। এক একটি বন মোরগের বাচ্চা ৪০০-৫০০ টাকা হারে বিক্রি করে থাকেন বলে তিনি জানান।এ বিষয়ে লামা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন আহমদ বলেন, বন মোরগ শিকারের বিষয়টি আমি অবগত নই। তবে কেউ বন্য প্রাণী শিকার করলে, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২/৫/২০১৭/১৫০/

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।