বসন্তকাল, রবিবার, ১৫ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,১৬ই রজব, ১৪৪২ হিজরি, সন্ধ্যা ৬:২১
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সমঅধিকার আলাদা ‘মহিলা সিট’ কেন…

admin

ডেস্ক রিপোর্ট , বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

আমরা সমঅধিকারের কথা বলি। সমমর্যাদার কথা বলি। বলি নারী-পুুরুষে বৈষম্যহীন সমাজের কথা। তাই যদি হয়, তাহলে বাসে আলাদা ‘মহিলা সিট’ কেন? ‘সমঅধিকার’ হিসেবে তো নারী-পুরুষের অবস্থান ‘সম’ হওয়ার কথা। অর্থাৎ নারী-পুরুষ সবার জন্য সমান সংখ্যক আসন থাকবে; কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।

হ্যাঁ, বাসে সংরক্ষিত আসন থাকতেই পারে। তবে সেটা নারীর জন্য নয়; প্রতিবন্ধী, শিশু, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা, প্রৌঢ় ও অসুস্থ মানুষের জন্য। জনস্বার্থে প্রত্যেক বাসেই তাদের জন্য সিট থাকা উচিত। যেখানে ‘মহিলা আসন’ শব্দটা থাকে, সেটা হওয়া উচিত ‘সংরক্ষিত আসন’। বাসে ‘মহিলা সিট’ বা সংরক্ষিত আসনগুলো সাধারণত ইঞ্জিন বক্সে, চালকের পাশে বা পেছনেই থাকে। এটা কোনোভাবেই সঙ্গত নয়। কারণ আসনগুলো এমন অদ্ভুত উঁচু জায়গায় হওয়া উচিত নয়, যেখানে অপেক্ষাকৃত দুর্বল বা অসুস্থ মানুষের পৌঁছতে, বসতে, নামতে কষ্ট হয়। আর ইঞ্জিন বক্সের সিটগুলো এতই গরম যে, তাপের জন্য সেখানে শীতকালেও বসা দায়।

সংরক্ষিত আসনগুলো প্রকৃতপক্ষে বাসের প্রথম দুই-তিন সারির আসনেই থাকা উচিত। আমাদের পরিবহন খাত প্রকৃতপক্ষে, কোনো নিয়মনীতির ধার ধারে না। সিটিং বাসগুলা দিনকয়েক পেরুলেই আর সিটিং থাকে না। যতক্ষণ পা ফেলার জায়গা আছে, ততক্ষণ বাসে ‘বাঁদুড় ঝোলার’ যাত্রী উঠানো চলতেই থাকে। মহিলারা সঙ্গত কারণেই বাসে উঠার জন্য যুদ্ধ করতে পারে না, আবার পুরুষদের মতো ‘বাঁদুড়’ও হতে পারে না। তাছাড়া আছে ভিড়ের মধ্যে যৌন নিগ্রহের ভয়; ব্যাগ থেকে ফোন, টাকা-পয়সা চুরির ভয়। ফলে মহিলারা সিংহভাগ ক্ষেত্রে বাসে উঠতেই পারে না। অফিস-আওয়ারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে যায় বাসে উঠতে।

তাই আইন হওয়া উচিত, কোনো বাস ‘দাঁড়ানো যাত্রী’ নিতে পারবে না। সব বাস হবে কার্যকর অর্থে ‘সিটিং’। তাছাড়া সব রুটে থাকা চাই যাত্রী অনুপাতে পর্যাপ্ত বাস। তাতেই কেবল বাসে আসন সংক্রান্ত মহিলাদের সমস্যা কমবে বলে মনে করি।

আরেকটি বিষয়, মহিলা আসনে বসলে জেল-জরিমানার বিধান করা হয়েছে। এই আইন বাস্তবায়ন করা হবে কীভাবে? ধরুন, কোনো বাসে মহিলা আসনে পুরুষ যাত্রী বসল। মহিলা যাত্রীটি তখন কাকে বা কোথায় অভিযোগ করবে? কে ওই পুরুষ যাত্রীকে শাস্তি দেবে? এসব সুস্পষ্ট নয়। এক্ষেত্রে প্রতিটি ট্রাফিক সিগন্যালে চেকপোস্ট বসালে হয়তো কিছুটা কাজ হতে পারে। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, বাসে মহিলা আসন নয়, সংরক্ষিত আসন থাকবে, বাকি সব আসনে নারী-পুরুষ যে কেউ ফাঁকা থাকা সাপেক্ষ বসতে পারবে। ‘দাঁড়ানো যাত্রী’ নেয়া যাবে না- এমন বিধান সংযুক্ত করে নতুন সড়ক পরিবহন আইনটি পাস হওয়া উচিত।

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।