শীতকাল, মঙ্গলবার, ১২ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৬শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,১৩ই জমাদিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি, সকাল ৬:০৬
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

তিস্তার বালু চরে এখন মিষ্টি কুমড়া…

admin

মনির জামান, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

দৃষ্টিভঙ্গিটা ছিল কিছুই না হওয়ার চেয়ে অন্তত কিছু হোক। গবেষণার ভিত্তিতে কৃষি উৎপাদন ও ভূমিহীন কৃষকদের জীবনমানের উন্নয়নকে সামনে রেখে কাজ শুরু। আর শুরুর বছরেই অনাবাদি ও পড়ে থাকা বালুচরে পিট পদ্ধতিতে মিষ্টি কুমড়া চাষে মেলে সফলতা। এরপর কেবল সামনের দিকে এগিয়ে চলার গল্প।

চাষির সংখ্যা বেড়ে শত শত থেকে এখন হাজার হাজারে দাঁড়িয়েছে। মিষ্টি কুমড়ায় ভূমিহীন এসব চাষির সংসারে ফিরেছে স্বচ্ছলতা। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন এর উদ্যোগ ও সহায়তায় বালুচরে মিষ্টি কুমড়া চাষের এ সফলতার দৃষ্টান্ত এখন সারা দেশজুড়ে। ২০০৫ সালে গাইবান্ধা জেলার চরাঞ্চলের ১১টি স্থানে ১৭৭ জন চাষিকে নিয়ে সবজি ফলানোর এ সংগ্রাম শুরু করে প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন। এর পরের কয়েক বছরের মধ্যেই রংপুর জেলার তিস্তা নদীর বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে মিষ্টি কুমড়া চাষে বিপ্লব ঘটে গেছে।

রংপুরের কাউনিয়া ও গঙ্গাচড়া উপজেলার তিস্তা নদীর জেগে ওঠা বালুচরে উত্তোলনের অপেক্ষায় পড়ে থাকা সারি সারি মিষ্টি কুমড়ার নান্দনিক শোভায় মুগ্ধ কৃষক, থমকে দাঁড়ায় পথিকও। চরাঞ্চলে উৎপাদিত কুমড়া এ অঞ্চলের মানুষের চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে।

সরেজমিনে গঙ্গাচড়া উপজেলার চর মর্নেয়া, শংকরদহ, ধামুর, কোলকোন্দ, শিঙ্গীমারী ও নোহালী চর এলাকায় দেখা যায়, আবাদকৃত মিষ্টি কুমড়া উত্তোলনে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছেন কৃষকরা। চর শিঙ্গিমারীর চাষি ইলিয়াছ মিয়া, মতিয়ার মিয়া, হরিকান্ত বর্মণ, আরতী রানী, ঝুমু রানী ও বিলকিস বেগম জানান, তারা গত তিন বছর ধরে মিষ্টি কুমড়ার চাষ করছেন।

কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের রাজিব গ্রামের দিনেশ চন্দ্র, শফিকুল, তালুক সাহবাজ গ্রামের আব্দুল খালেক ও হরিচরণ শর্মা গ্রামের শফিকুল ইসলাম জানান, তাদের বাপ-দাদার আমলে কখনো এসব বালুচরে কোনো ফসলের চাষ হয়নি। এবার এলাকার চাষিরা প্রত্যেকে ২০০ থেকে ২৫০টি গাদায় (পিট) কুমড়া চাষ করেছেন। তারা জানান, নভেম্বর মাসে একটি করে গাদায় দুই থেকে তিনটি চারা রোপণ করা হয়। এতে তাদের খরচ হয়েছে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা। ইতিমধ্যে প্রত্যেক চাষির কুমড়া বিক্রয় হয়েছে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকায়। জমিতে আরো যে পরিমাণ কুমড়া রয়েছে তা ১০ থেকে ১২ হাজার টাকায় বিক্রি করা যাবে।

উদ্ভাবিত কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ ও প্রাকটিক্যাল অ্যাকশন চলতি বছর গঙ্গাচড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়নের প্রায় ১৯০ হেক্টর এবং কাউনিয়া উপজেলার প্রায় ৭৩ হেক্টর বালুচরে মিষ্টি কুমড়ার চাষ করেছে। উৎপাদিত কুমড়া বর্তমানে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি হচ্ছে।

২৬/৪/২০১৭/১৪০/

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।