বসন্তকাল, সোমবার, ১৬ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১লা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,১৭ই রজব, ১৪৪২ হিজরি, সকাল ৬:১৪
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

বাঁধ ভাঙার আওয়াজকারীদের দলে হাওড়ের পরিবার….

admin

নূরজাহান নীরা, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

রাক্ষসী বান কেড়ে নিয়েছে সব। স্বপ্নের ফসল হারিয়ে তাই দিশেহারা হাওড়ের

বেশিরভাগ পরিবার। ঘরে অন্ন না থাকায় দ্বারস্থ হতে হচ্ছে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির। গাঁটের টাকা খরচ করে জুটছে না তাও। গরিব-অসহায় মানুষজন দিনভর দাঁড়িয়ে থেকে অল্প চাল পেলেও, মধ্যবিত্তরা পড়েছেন বিপাকে। আত্মসম্মানের কথা ভেবে ওএমএসের চালও নিতে পারছেন না তারা। এদিকে বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে পানীয় জল ও গো-খাদ্যের তীব্র সঙ্কট। অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল আর বাঁধ ভেঙে সুনামগঞ্জ-নেত্রকোনার বিস্তীর্ণ এলাকা ডুবে গেছে। এর ফলে বিপর্যয়ে পড়েছেন হাওড়ের প্রায় ৫ লাখ মানুষ। তাই ওএমএস’র চাল নিতে আসা মানুষের লাইন প্রতিদিনই দীর্ঘ হচ্ছে।

ফসল তোলার ঠিক আগ মুহূর্তে ভয়াবহ বন্যায় সব হারিয়েছেন হাওড়াঞ্চলের জেলাগুলোর জমির মালিক থেকে শুরু করে বর্গাচাষি পর্যন্ত সবাই। বন্যা আক্রান্ত ৬ জেলার হাওড়াঞ্চলের কৃষিজীবীরা এখন পুরোপুরি কর্মসংস্থানহীন। একমুঠো চালও এখন আর অবশিষ্ট নেই। জেলা ও উপজেলা সদরে ভিজিএফ ও ওএমএসের মাধ্যমে কেউ কেউ কিছু সহায়তা পেলেও একেবারেই ত্রাণবঞ্চিত অবস্থায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাসিন্দারা।

অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সম্প্রতি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ৬ জেলার হাওড়গুলোর বাঁধ ভেঙে বন্যার পানি ঢুকতে শুরু করে। তলিয়ে যেতে থাকে হাওড়াঞ্চলের আবাদি জমিও। বন্যার পানিবাহিত দূষণ আর অঙ্েিজনের অভাবে মরে ভেসে ওঠে হাওড়ের মাছও।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলা সদরে ৩ জন ওএমএস ডিলারের মাধ্যমে প্রতিকেজি চাল ১৫ টাকা ও প্রতিকেজি আটা ১৭ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। তাও ক্ষতিগ্রস্তদের চাহিদার তুলনায় খুবই কম।

নেত্রকোনার কলমাকান্দা-মোহনগঞ্জ-মদনসহ ৬ উপজেলায় কমপক্ষে ২ লাখ মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব এলাকায় ১০ কেজি করে চাল ও নগদ ৫শ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হচ্ছে যা অপ্রতুল।

সুনামগঞ্জের বড় হাওড়গুলোর মধ্যে সর্বশেষ টিকে ছিল শনির হাওড়। বাঁধ ভেঙে গত রোববার দুপুরে তলিয়ে গেছে তাও। সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের হিসেব অনুযায়ী, জেলার হাওড় অঞ্চলগুলোয় ফসলের মোট আবাদি জমির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৬৬ হাজার হেক্টর। এর মধ্যে ১ লাখ ৩৫ হাজার হেক্টর বা ৮২ শতাংশ জমির ফসল গত বুধবারের মধ্যেই তলিয়ে যায়। সর্বশেষ গত রোববার শনির হাওড়ের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার মধ্য দিয়ে পুরোপুরি জলমগ্ন হয়ে পড়লো জেলার হাওড়াঞ্চলের প্রায় শতভাগ ফসল। জেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, এখানে শুধু ফসলই নষ্ট হয়েছে ২ হাজার কোটি টাকার বেশি।

পাশের জেলা নেত্রকোনার হাওড়াঞ্চলেও অধিকাংশ আবাদি জমি এখন পানির নিচে। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, এখানকার মোট আবাদি ৮০ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে বন্যায় তলিয়ে গেছে ৬৫ হাজার হেক্টর। যদিও প্রকৃতপক্ষে নষ্ট হয়ে যাওয়া ফসলি জমির পরিমাণ আরও বেশি বলে আমাদের জেলা প্রতিনিধি জানিয়েছেন। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, জেলায় বন্যাজনিত দূষণে মৎস্যসম্পদ নষ্ট হয়েছে প্রায় ২৪ কোটি টাকার।

বন্যার কারণে বর্তমানে হাওড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তীব্র খাদ্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ওএমএসের ত্রাণ বিতরণ শুরু হলেও তার সুবিধা পাচ্ছে না প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ। কোথাও কোথাও ভিজিএফ কার্ডের সংখ্যা বাড়ানো হলেও তা কাদের বিতরণ করা হবে, সে বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি এখনও।

সুনামগঞ্জের ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় জানিয়েছে, জেলায় আগে থেকেই ভিজিএফ কার্ডধারী ছিলেন ১ লাখ ৩৫ হাজার। এখন বন্যার কারণে তা আরও ২৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। তবে তার সুফল এখনও মাঠপর্যায়ে পৌঁছেনি। এসব কার্ড কাদের দেয়া হবে, তা চূড়ান্ত করা যায়নি। এছাড়া জেলায় খয়রাতি সাহায্য হিসেবে এসেছে মাত্র ৫২ লাখ টাকা। এর মধ্যে উপজেলাগুলো হয়ে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের কাছে গেছে ৪৮ লাখ টাকা। তবে তা বণ্টন করা হয়নি। এছাড়া জেলা সদরে ৯টি ও ১১ উপজেলায় ৩৩টি বুথে বিতরণ করা হচ্ছে ওএমএসের চাল ও আটা।

অন্যদিকে নেত্রকোনায় মোট ৩৫টি ওএমএস বুথ রয়েছে। খয়রাতি সহায়তা দেয়া হয়েছে ৩২৭ টন চাল ও নগদ ২১ লাখ টাকা। এছাড়া জেলাটিতে আগে থেকেই ১ লাখ ২৫ হাজার ভিজিএফ কার্ডধারী ছিলেন। নতুন করে কার্ডধারী বৃদ্ধি করা হয়নি।

এদিকে হাওড়াঞ্চলের বন্যাদুর্গতদের জন্য ওএমএস কর্মসূচি চালু করা হলেও এর কার্যক্রম আটকে রয়েছে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েই। ইউনিয়ন ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে নেই ওএমএস সেবা। যদিও সবচেয়ে দুর্গতিতে রয়েছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষরাই। এমনকি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কার্যক্রম যেটুকু চালু রয়েছে, তাও অপ্রতুল। প্রতিটি বুথে দৈনিক দেড় থেকে ২ হাজার মানুষের লাইন থাকলেও ত্রাণসহায়তা পাচ্ছেন মাত্র ২০০ জন করে। সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনার বিভিন্ন বুথে গিয়ে দেখা গেছে, শত শত নারী ও পুরুষের দীর্ঘ লাইন। বেশিরভাগই ফিরছেন খালি হাতে।

এদিকে ওএমএসের চাল নিয়েও উঠেছে দুর্নীতির অভিযোগ। সুনামগঞ্জ শহরের থ্রি স্টার, পাঁচ ভাই রেস্টুরেন্ট, তাহিতিসহ বেশকিছু রেস্তোরাঁয় ওএমএসের চাল দিয়ে ব্যবসা চালানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে। যদিও এ বিষয়ে জানতে চাইলে তা অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত রেস্তোরাঁগুলোর কর্মকর্তারা। থ্রি স্টার রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থাপক ইজ্জত আলী বলেন, ‘আমি দোকান থেকে চাল কিনে এনেছি। আমরা ওএমএস বুথ থেকে চাল আনিনি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুনামগঞ্জের জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) আবদুর রউফ বলেন, এ ধরনের অভিযোগ আমরা পেয়েছি। কৌশলে আগে থেকেই ছোট ছেলেদের লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। তাদের দিয়ে এ কাজ করানো হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কেউ লাইনে দাঁড়ালে তাকে নিষেধ করা যায় না। তবে প্রতিটি বুথে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে ছোট ছেলেদের চাল না দেয়ার জন্য। আর ১ জন যাতে একাধিকবার নিতে না পারে, সে বিষয়টিও নিশ্চিত হতে বলা হয়েছে।’

অন্যদিকে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার শাকিল আহমেদ বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মনিটরিং দল গঠন করা হয়েছে। তারা সার্বক্ষণিক নজর রাখছেন, যাতে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়।

স্মরণকালের এ ভয়াবহতম বন্যায় সুনামগঞ্জের বাসিন্দারা অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছেন বলে স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি।

আমাদের কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, ফসল হারিয়ে চরম খাদ্য সঙ্কটে দিন কাটছে কিশোরগঞ্জের হাওড়াঞ্চলের কৃষক পরিবারগুলোর। মন্ত্রণালয় থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ত্রাণ বরাদ্দ দেয়া হলেও অনেকেই তা পাননি।

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার সুতাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা জুমেলা আক্তার। ডুবে যাওয়া ক্ষেত থেকে সামান্য যে ধান পেয়েছেন তা দিয়ে ৬ সদস্যের পরিবারে ভাত খাওয়াই দায় অথচ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকায় নাম ওঠেনি তার। জুমেলার মতো নাম না ওঠার তালিকায় সুতাপাড়া ইউনিয়নে রয়েছে এমন হাজারও কৃষক। সপ্তাহখানেক আগে যাদের ফসল ডুবেছে পাহাড়ি ঢলে। হাওড়াঞ্চলে এমন কৃষকের সংখ্যা লাখখানেক হলেও সরকারি তালিতায় নাম ওঠেনি বেশিরভাগের।

ক্ষতিগ্রস্ত ৯টি উপজেলায় সরকারিভাবে এরই মধ্যে সাড়ে ৫শ মেট্রিকটন চাল ও ২৬ লাখ টাকা বিতরণ করা হলেও তা সামান্য বলে জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা।

তবে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দাবি বৈরী আবহাওয়ায় ত্রাণ কার্যতক্রম বাধার মুখে পড়লেও তা অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, নতুন করে ৫০ হাজার কৃষককে ভিজিএফের আওতায় ৩০ কেজি চাল ও ৫শ টাকা করে দেবার তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।

সুনামগঞ্জ শনির হাওড় থেকে ফিরে অরুণ চক্রবর্তী জানান, সুনামগঞ্জের হাওড় এলাকাজুড়ে এখন শুধু হতাশাগ্রস্ত মানুষের মুখ। অথচ কিছুদিন আগেও যারা নবান্নের ফসল ঘরে তোলার স্বপ্নে বিভোর ছিল, তাদের সেই স্বপ্ন বানের জলে ভেসে গেছে। জেলা প্রাণিসমপদ কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেনের মতে, শুধু গোবাদিপশু, গো-খাদ্যসহ পোল্ট্রি খাদ্য ও ডিম উৎপাদন হরাসের ফলে ১০৫ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে।

জেলা প্রাণিসমপদ কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেন বলেন, জেলার ১১টি উপজেলায় ফসলহানির ঘটনায় ক্ষতি হয়েছে ৭৭ কোটি ১৯ লাখ টাকার গো-খাদ্য এবং পোল্ট্রিফিডের দানাদার খাদ্যসহ ডিম উৎপাদন হরাসের ফলে ১৪ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে গো-খাদ্য সঙ্কটের কারণে স্বল্পমূল্যে গবাদিপশু বিক্রির ফলে আরও ১৪ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তালিকা তৈরি শেষ হলে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা করা হবে। জেলার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জের ৮৮টি ইউনিয়নে ফসলহানির ঘটনায় সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৮৩ হাজার ১১৭টি পরিবার, আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৭৯ হাজার ৫০০ পরিবার। এছাড়া লোকসংখ্যা হিসেবে ধরলে ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫৫ জন সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত এবং ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৩০০ জন আংশিক ক্ষতিগ্রত হয়েছে। ৭ হাজার ২৯৩টি বাড়ি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত ও আংশিক ৮২ হাজার ৯৮৯টি বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) থেকে সুবল চন্দ্র দাস জানান, হাওড় উপজেলা অষ্টগ্রামে এবারের আগাম বন্যা কৃষক পরিবারের মুখের গ্রাস কেড়ে নেয়ার পাশাপাশি কেড়ে নিয়েছে গবাদিপশুর গ্রাসও। গো-খাদ্যের তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। হাওড়ের কৃষকরা বর্ষায় তাদের গবাদিপশু বাঁচিয়ে রাখেন ভুসির পাশাপাশি প্রধানত ধানের শুকনো খড় খাইয়ে। কিন্তু হাওড়ের পর হাওড় এবার তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকরা ফসল কাটতে পারেননি। যে কারণে মানুষের খাদ্য সঙ্কটের পাশাপাশি গো-খাদ্যেরও তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ফলে অসহায় কৃষকরা পানির দামে বেপারীদের কাছে তাদের গবাদিপশু বিক্রি করে দিচ্ছেন। তাড়াইল (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, তাড়াইল উপজেলার ৯টি হাওড়ের সবক’টি বিলের শত শত একর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। হাওড়গুলো শুনই হাওড়, হুলিয়ার বিল, বন্যি, ছাতল, মাগুরী বিল, কল্লা ভাদেড়া বিল, কাইছনার বিল, হাগুয়া বিল, দিগদাইড় বিলে শত শত একর জমির আধা-পাকা ধান উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল, আর অবিরাম বর্ষণে গত শুক্রবার রাতে আরও কয়েকটি ছোট ছোট বিলের বাঁধ ভেঙে হাজার হাজার কৃষকের মাথায় হাত পড়েছে। উপজেলার বিভিন্ন হাওড়ে গিয়ে দেখা গেছে, পানির নিচ থেকে নৌকা নিয়ে আধাপাকা ধান কেটে নিয়ে যাচ্ছে। উপজেলায় গবাদিপশুর তীব্র খাদ্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

২৬/৪/২০১৭/৮০/

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।