বসন্তকাল, সোমবার, ১৬ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১লা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,১৭ই রজব, ১৪৪২ হিজরি, দুপুর ১২:০৪
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

হারিয়ে যাচ্ছে লেইজ, ফিতা, চুড়ির গ্রাম্য দোকান…

admin

ডেস্ক রিপোর্ট ,বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

লেইস ফিতাওয়ালাদের এখন আর আগের মতো দেখা মেলে না। শহরের যান্ত্রিকতার ভিড়ে হারিয়ে গেছে বাঙ্বন্দি ব্যবসায়ী লেইস ফিতাওয়ালারা। মফস্বল বা গ্রামের পথেও তাদের পদচারণা কদাচিৎ ঘটে। সারদা এলাকায় লেইস ফিতাওয়ালা জমসেদ জানান, এখন আর আগের মতো গ্রামে কেউ চুড়ি ফিতা কেনেন না। মার্কেটে সবরকম প্রসাধন সামগ্রী আর সাজসজ্জার জিনিস পাওয়া যায়। এখন সবাই মার্কেটে যান। তারপরও জমসেদের কণ্ঠে শোনা যায়_ ‘ লেইস ফিতা, এই লেইস ফিতা’ ডাক। আধুনিক সভ্যতা কেড়ে নিয়েছে সেই লেইস ফিতাওয়ালাদের বিচরণ। তাই সচরাচর আর চোখে পড়ে না কাগজের কাটুনের ওপর সাদা বা লাল কাপড় পেঁচিয়ে পুঁটলি কাঁধে ঝুলিয়ে আরেক হাতে কাচের ঢাকনাওয়ালা বাঙ্ বহনকারী লেইস ফিতাওয়ালাদের। ফেরি করে লাভবান হওয়া যায় না বলে ব্যবসায়ীরা এ ব্যবসা থেকে আগ্রহ হারাচ্ছেন। লেইস ফিতাওয়ালারা একবারেই যে হারিয়ে গেছেন তা ঠিক নয়। তবে শহরের যান্ত্রিকতার ভিড়ে তাদের দেখা মেলা ভার। তবে মফস্বল বা গ্রামের পথে লেইস ফিতাওয়ালাদের দর্শন মেলে কদাচিৎ। দুপুরের পর যখন অন্দরমহলের নারীরা মধ্যাহ্নভোজ সেরে উঠানের আড্ডার জন্য প্রস্তুত, তখন রাস্তা দিয়ে হেঁকে যেতেন লেইস ফিতাওয়ালারা। তাদের সে ডাক শুনে খুকুমণিরা বায়না ধরতো ফিতা-চুড়ি বা নেইল পলিশের। নারী বরাবরই প্রসাধনপ্রিয়, খুকুমণির আবদারে খুকুমণির মায়েরও দেখতে ইচ্ছা করতো, কী আছে ফেরিওয়ালার বাঙ্।ে এটা থেকে ওটা পরখ করে নারীরা কিনে নিতেন স্নো, ক্রিম বা কদুর তেল। খুকুমণির কাঁধঝোলানো চুলে বেঁধে দেয়া হতো লাল টুকটুকে ফিতা। এখন বাঙ্বন্দি ব্যবসার চেয়ে অনেকে দোকান খুলে কিংবা অন্য ব্যবসার দিকে ঝুঁকে গেছেন অনেকটা। তাই তাদের আর দেখা মেলে না। খুকুমণিরা আজকাল আর লাল ফিতার বায়না ধরে না। কটিয়াদী উপজেলা সদরের গৃহবধু স্বপ্না আক্তার বলেন, ছোটবেলায় লেইস ফিতাওয়ালার কাছ থেকে জিনিস কিনতাম। এখন আর তাদের দেখা যায় না। আগের দিনগুলো সত্যি অনেক মজার ছিল। সবাই একসঙ্গে এটা সেটা দেখে অনেক মজা করে চুড়ি-ফিতা, নেইল পলিশ কিনতাম।

 

৮/৪/২০১৭/২২০/সা/ফ/

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।