গ্রীষ্মকাল, বৃহস্পতিবার, ২৩শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৬ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,২৪শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি, দুপুর ১:৪৩
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

উপকূলের লাখো মানুষ দুর্যোগ ও ঝকিপূর্ণ…

admin

ডেস্ক রিপোর্ট ,বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

উপকুলজুড়েই নড়বড়ে বাঁধের কারণে উপকূলের লাখ লাখ মানুষের দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। ফলে আইলা দুর্গত খুলনা বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার উপকূলীয় উপজেলাসমূহে মানুষ চরম অনিশ্চিয়তায় দিন কাটাচ্ছে। চলতি ঘূর্ণিঝড় মৌসুমে বাঁধের অস্তিত্ব নিয়েও শংকার অন্ত নেই। সার্বিক অর্থে আইলার ৮ বছরেও যে বাঁধ সমস্যার শেষ হলো না তা’ বলাই বাহুল্য। সর্বশেষ গত পরশু উপকূলীয়াঞ্চল সাতক্ষীরার আশাশুনিতে বাঁধ ভেঙে ৭টি গ্রাম প্লাাবিত হয়েছে। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে শত শত পরিবার। এ অঞ্চলের মানুষের একমাত্র জীবন জীবীকা মৎস্য ঘের পানির তোড়ে এখন চরম বিপন্ন। এতে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অসহায় মানুষগুলো পার্শ্ববর্তী গ্রাম ও সাইক্লোন সেল্টারে আশ্রয় নিয়েছে। স্থানীয় এমপি ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক বলেন, এ ব্যাপারে পাউবোকে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে এবং আশা করছি সত্বর বাঁধ মেরামত সম্ভব হবে।

সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের উপকূলজুড়ে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কিলোমিটার বাঁধ রয়েছে। এই বাধগুলো ৬০ এর দশকে নির্মাণ করা হলেও দীর্ঘ অর্ধশতাব্দীতেও তা’ বড় ধরনের কোন পরিবর্তন হয়নি। শুধু মাঝে মাঝে ভেসে যাওয়া বা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ছোটখাট মেরামত কাজ করার মধ্যে দিয়েই পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঁধের রক্ষণাবেক্ষণের নামে শতশত কোটি টাকা খরচ করেছে। সূত্র বলেছে, ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় আইলায় খুলনা অঞ্চলের উপকূলীয় বাঁধ তছনছ হয়ে যাওয়ার পর ৭ বছরেও যখন ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ পুরোপুরি সংস্কার বা পুননির্মান করা সম্ভব হলো না তখনই মানুষের বাঁধভীতি চরম আকার ধারণ করে। উপকূলীয় মানুষ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতি আস্থা হারাতে বসেছে। এমনি একটি অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের বেশিরভাগ এলাকা সংস্কার করা সম্ভব হলেও সংস্কারকৃত বাঁধের মান এবং স্থায়িত্ব নিয়ে হাজারো প্রশ্ন এখন জনমনে। বাঁধের বেশিরভাগ এলাকাই এখন অমাবশ্যা-পূর্ণিমার জোয়ারে পানি ছুঁইছুঁই করে। ভরাকটালে ইতিমধ্যে সংস্কারকৃত বা পুননির্মিত বাঁধের অনেক এলাকা নড়বড়ে ও ভঙ্গুরপ্রায় বাঁধই জীবন-জীবিকার ঝুঁকি হিসেবে দেখা দিতে পারে বলে আশংকা করছে ভুক্তভোগী উপকূলবাসী। সূত্র বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে জোয়ারের উচ্চতা এবং তীব্রতা বৃদ্ধির কারণে উপকূলীয় বাঁধের নাজুক পরিস্থিতির বিষয়টি এখন বাস্তবতা। এই বাস্তবতাকে স্বীকার করে সার্বিক বিবেচনায় এ কথা এখন নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল ও ভোলাসহ উপকূলীয় জেলাসমূহের প্রায় ৩৫শ’ কিলোমিটার বাঁধের আওতায় বসবাসকারী আড়াই কোটি উপকূলবাসীর জীবন-জীবিকা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। উপকূল জুড়ে নির্মিত এই দীর্ঘ বাঁধের যথোপযুক্ত এবং কার্যকরী সংস্কারের অভাবজনিত কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ যে কত ভয়াবহ হতে পারে তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ঘূর্ণিঝড় আইলা। সূত্রমতে, আইলা শিক্ষা দিয়েছে যে, ৫০ বছর আগে নির্মিত এসব বাঁধ এখন আর মাঝারী পর্যায়ের ঘূর্ণিঝড়জনিত জলোচ্ছ্বাস মোকাবেলায় কোনভাবেই সক্ষম নয়। আর সিডরের ক্যাটগরির ঘুর্ণিঝড় হলেতো ধ্বংসযজ্ঞের মাত্রা যে কত ভয়াবহ হবে তা’ কল্পনা করলেও গা শিউরে ওঠে।

 

৮/৪/২০১৭/১৮০/সা/ফা/

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।