হেমন্তকাল, মঙ্গলবার, ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২০শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,৩রা রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি, বিকাল ৫:৩৪
মোট আক্রান্ত

৩৯১,৫৮৬

সুস্থ

৩০৭,১৪১

মৃত্যু

৫,৬৯৯

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ১১১,২২২
  • চট্টগ্রাম ১৯,৮৮৩
  • বগুড়া ৭,৭৯৯
  • কুমিল্লা ৭,৬৯৪
  • ফরিদপুর ৭,২৬৮
  • সিলেট ৭,১৬৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৬,৯৩৫
  • খুলনা ৬,৫২৮
  • গাজীপুর ৫,৫৮০
  • নোয়াখালী ৫,০৩৫
  • কক্সবাজার ৪,৮৭১
  • যশোর ৪,০১৯
  • ময়মনসিংহ ৩,৭৫৮
  • বরিশাল ৩,৬৬২
  • মুন্সিগঞ্জ ৩,৫৫৫
  • দিনাজপুর ৩,৪৯২
  • কুষ্টিয়া ৩,৩৬৭
  • টাঙ্গাইল ৩,২১৭
  • রাজবাড়ী ৩,১১৩
  • রংপুর ২,৯০৯
  • কিশোরগঞ্জ ২,৮৯৫
  • গোপালগঞ্জ ২,৬২২
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৪৭০
  • নরসিংদী ২,৩৮১
  • সুনামগঞ্জ ২,৩৭১
  • চাঁদপুর ২,৩৩২
  • সিরাজগঞ্জ ২,২০১
  • লক্ষ্মীপুর ২,১৬১
  • ঝিনাইদহ ১,৯৮৩
  • ফেনী ১,৯১৩
  • হবিগঞ্জ ১,৭৭৬
  • মৌলভীবাজার ১,৭৪২
  • শরীয়তপুর ১,৭২৮
  • জামালপুর ১,৬১৯
  • মানিকগঞ্জ ১,৫২৩
  • মাদারীপুর ১,৪৭৯
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৪৬৫
  • পটুয়াখালী ১,৪৬৪
  • নড়াইল ১,৩৭৩
  • নওগাঁ ১,৩৩১
  • গাইবান্ধা ১,২০০
  • পাবনা ১,১৭৬
  • ঠাকুরগাঁও ১,১৬৭
  • জয়পুরহাট ১,১১৬
  • সাতক্ষীরা ১,১০৫
  • নীলফামারী ১,১০০
  • পিরোজপুর ১,০৯৪
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • নাটোর ১,০১৫
  • বাগেরহাট ১,০০৬
  • মাগুরা ৯২৬
  • বরগুনা ৯১৮
  • রাঙ্গামাটি ৯১৫
  • কুড়িগ্রাম ৯১৪
  • লালমনিরহাট ৮৮৫
  • বান্দরবান ৭৮৯
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৭৮২
  • ভোলা ৭৪৫
  • নেত্রকোণা ৭২২
  • ঝালকাঠি ৭১৬
  • খাগড়াছড়ি ৬৯৬
  • পঞ্চগড় ৬৪১
  • মেহেরপুর ৬৩১
  • শেরপুর ৪৮৪
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

রাজাহীতে ৫হাজার জমি অনাবাদি…

admin

ডেস্ক রিপোর্ট ,বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

রাজশাহীর তানোর উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের প্রায় পাঁচ হাজার হেক্টর ফসলি জমিতে পানি সেচের অভাবে চলতি মৌসুমে বোরো আবাদ করতে পারবে না চাষিরা। ফলে একটি আবাদ করে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা। উপজেলার কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, তানোর উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও দুইটি পৌরসভার আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ২৩ হাজার ৯৯৩ হেক্টর। এর মধ্যে কলমা ইউনিয়ন ও বাঁধাইড় ইউনিয়নে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৮ হাজার ৪৮৫ হেক্টর। কলমা ইউনিয়নের ৩ হাজার ৮৭০ হেক্টর জমির মধ্যে চলতি মৌসুমে এক হাজার ২৭০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষবাদ চলছে। বাকী দুই হাজার ৬শ হেক্টর জমি পানি সেচের অভাবে অনাবাদী হয়ে পড়ে রয়েছে। বাঁধাইড় ইউনিয়নে ৪ হাজার ৬১৫ হেক্টর জমির মধ্যে চলতি মৌসুমে এক হাজার ১২০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ অব্যাহত রয়েছে। বাকী তিন হাজার ৪৯৫ হেক্টর জমিতে পানি সেচের অভাবে বোরো আবাদ করতে পারবে না কৃষকরা। ১নম্বর কলমা ইউপি’র চৈতপুর, আদিবাসীপাড়া, দি্ব্যস্থল, কন্দপুর, বলদিপাড়া, সংকরপুর গ্রাম এবং ২নম্বর বাঁধাইড় ইউনিয়নের জৈতগোকুল, জৈগিবাড়ি, রামজেদপুর, ঝিনাখোর, গোলাকান্দা, ঝিনাপাড়া, ধামধুম, চকপারুলীসহ মাড়িয়া গ্রামের চাষিরা পানি সেচের অভাবে চলতি মৌসুমে জমিতে বোরো আবাদ করতে পারবেন না। গতকাল শুক্রবার তানোর সদর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে কলমা ইউনিয়নে দিব্যস্থল গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, অনাবাদি জমির মাঠকে মাঠ শুধু ধূসর মরুভুমি হয়ে খাঁ খাঁ করছে। এ সকল অনাবাদি ফসলের জমিতে গরু, ছাগল চরছে। এ সময় ঐ এলাকার কয়েকজন উপস্থিত কৃষকরা এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, বরেন্দ্র তানোর জোনের কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার জন্য আমরা এই অঞ্চলের মানুষ ফসলি জমিতে বোরো আবাদ করতে পারছি না। বরেন্দ্র গভীর নলকূপ না বসানোর কারণে আমরা বোরো আবাদের উন্নয়নের ধারা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। একই গ্রামের আফজাল হোসেন নামে এক কৃষক জানান, দীর্ঘযুগ ধরে শুধু পানি সেচের অভাবে প্রায় ২০ বিঘা জমিতে বোরো চাষ করতে পারছি না। চৈতপুর হঠাৎপাড়া গ্রামের কৃষক সাইদুর রহমান, শামিম উদ্দিন, টিপু একই কথা বলেন। বাধাইড় ইউপির জৈতগোকুল গ্রামের রবিউল ইসলাম ও আজাদ আলী জানান, আকাশের বৃষ্টির উপর ভরসা করে আমরা একটিমাত্র ফসল (আমন) আবাদ করতে পারি। শুধু আমাদের গ্রামের ফসলি জমিতে নয় আশপাশের গ্রামের জমির মাঠেও বরেন্দ্রর গভীর নলকূপ না থাকায় পানি সেচের অভাবে হাজার হাজার বিঘা ফসলি জমি বোরো মৌসুমে অনাবাদি হয়ে পড়ে থাকে। ওই সব অনাবাদি জমিগুলোতে যদি বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষ গভীর নলকূপ স্থাপন করে পানি সেচের ব্যবস্থা করেন তাহলে এই অঞ্চলের কৃষকরা বোরো মৌসুমে চাষাবাদ করে সোনালি ফসল ঘরে তুলে সচ্ছলভাবে চলতে পারতো। একটি ফসল আবাদ করে জীবিকা র্নিবাহ করা অতি কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঐ একই কথা বললেন ঝিনাখোর গ্রামের কৃষক আবদুর রশীদ, আবুল কালাম আজাদ ও কারী মফিজ উদ্দিন। এ বিষয়ে বরেন্দ্র তানোর জোনের সহকারী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম কলমা ও বাঁধাইড় ইউনিয়নে পানি সেচের অভাবে হাজার হাজার জমি বোরো মৌসুমে অনাবাদি হয়ে পড়ে থাকার কথা শিকার করে বলেছেন, ঐ সব এলাকায় পানির গভীরতা অনেক নিচে থাকায় বরেন্দ্রর গভীর নলকূপ স্থাপন করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। ফলে সেখানে গভীর নলকূপ স্থাপন করা সম্ভব হয় নি।

 

৮/৪/২০১৭/৫০/তৌ/আ/

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।