হেমন্তকাল, শনিবার, ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,২০শে রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি, রাত ৮:১৩
মোট আক্রান্ত

৪৭৫,৮৭৯

সুস্থ

৩৯৩,৪০৮

মৃত্যু

৬,৮০৭

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ১৪৬,৪১৩
  • চট্টগ্রাম ২৫,৩৩৪
  • বগুড়া ৮,৮৪৪
  • কুমিল্লা ৮,৫৮৮
  • সিলেট ৮,৪৫৭
  • নারায়ণগঞ্জ ৭,৯০৭
  • ফরিদপুর ৭,৭৯৩
  • খুলনা ৬,৮৮২
  • গাজীপুর ৬,৪২৩
  • কক্সবাজার ৫,৫০৭
  • নোয়াখালী ৫,৩২৫
  • বরিশাল ৪,৪৪৬
  • যশোর ৪,৪৩৪
  • ময়মনসিংহ ৪,১৩২
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,০৫৭
  • দিনাজপুর ৪,০৫৭
  • রংপুর ৩,৫৯৯
  • কুষ্টিয়া ৩,৫৯৭
  • টাঙ্গাইল ৩,৫০১
  • রাজবাড়ী ৩,২৯৩
  • কিশোরগঞ্জ ৩,২৭৬
  • গোপালগঞ্জ ২,৮৬১
  • নরসিংদী ২,৬৪৮
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৬৪৩
  • চাঁদপুর ২,৫৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৬৭
  • সিরাজগঞ্জ ২,৩৯৪
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৫০
  • ঝিনাইদহ ২,১৯৪
  • ফেনী ২,১০২
  • হবিগঞ্জ ১,৮৯৪
  • শরীয়তপুর ১,৮৩০
  • মৌলভীবাজার ১,৮২৮
  • জামালপুর ১,৭৩৬
  • মানিকগঞ্জ ১,৬৪৮
  • পটুয়াখালী ১,৬০৯
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৫৯৩
  • মাদারীপুর ১,৫৫৭
  • নড়াইল ১,৪৮৮
  • নওগাঁ ১,৪৩৪
  • পাবনা ১,৪০০
  • ঠাকুরগাঁও ১,৩৮২
  • গাইবান্ধা ১,৩৩১
  • নীলফামারী ১,২২৭
  • জয়পুরহাট ১,২১১
  • পিরোজপুর ১,১৩৯
  • নাটোর ১,১৩৩
  • সাতক্ষীরা ১,১২৮
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • রাঙ্গামাটি ১,০৩৭
  • বাগেরহাট ১,০২৩
  • মাগুরা ১,০১৩
  • বরগুনা ১,০০৩
  • কুড়িগ্রাম ৯৬৫
  • লালমনিরহাট ৯২৯
  • ভোলা ৯০০
  • বান্দরবান ৮৫৭
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮০৭
  • নেত্রকোণা ৭৯০
  • ঝালকাঠি ৭৮৯
  • খাগড়াছড়ি ৭৪০
  • পঞ্চগড় ৭৩৯
  • মেহেরপুর ৭১৬
  • শেরপুর ৫২৪
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

৭দিনের বৃষ্টিতে, বোরো ফসল পানির নিচে…

admin

ডেস্ক রিপোর্ট ,বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকমSadullapur

সুনামগঞ্জে গত ৭ দিনের টানাবর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ১০ হাওরের ২৭ হাজার হেক্টর জমির কাচা বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। ঝুঁকিতে রয়েছে ১৩৩ হাওরের বোরো ফসল। পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্মিত বাঁধ সময়মত না হওয়ায় এবং বাঁধের কাজে অনিয়মে এমনটি হয়েছে বলে দাবি করছেন কৃষকরা।অপরদিকে, হাওর অঞ্চলে নদনদী খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতে এ সকল হাওর তলিয়ে যায় এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এবার সবকটা হাওরের বোরো ফসল নষ্ট হওয়ায় আশঙ্কা রয়েছে। স্থানীয় কৃষকরা বাঁধ রক্ষায় স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করলেও পানি আটকাতে পারছেনা। গত ২৮ মার্চ থেকে জেলায় মাঝারি বৃষ্টি চলছে। এতে নদ-নদী খাল বিলের পানি বেড়ে চলছে। কৃষকেরা মাথায় হাত রেখে ডুকরে কাঁদছেন । ধান পাকার আগেই কাঁচা ধানের তোর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন কৃষকরা। দিশেহারা হয়ে কৃষক বিকল্প উপার্জনের পথ খুঁজছেন। দুর্ভিক্ষের অশনি সংকেত হাঁনা দিচ্ছে হাওরপারের কৃষকদের মাঝে। হাওর ঘুরে দেখা গেছে চারদিকে পানি আর পানি। চোখে পড়ে না গোছা গোছা ধানের শীষ। বাঁধের কাজ ঢিমেতালে হওয়ায় বাঁধ ভেঙ্গে ঢুকছে পানি। নদনদী ও খাল বিল থেকে প্রবাহিত পানি হাওর ডুবিয়ে দিচ্ছে। অনেককে কাচা ধান গবাদিপশুর খাবারের জন্য কেটে নিতে দেখা যাচ্ছে। সর্বোপরি কৃষকেরা গোলায় ধান তোলার আশা ছেড়ে দিয়েছেন। কৃষকের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলায় পাউবোর বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে হাওর পারের বাসিন্দারা। সুদখোর মহাজনদের ঋণের তাগাদা বাড়তি দুশ্চিন্তা যোগ হয়েছে কৃষকের মনে। সুনামগঞ্জ কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে চলতি বোরো মওসুমে জেলায় ২ লাখ ১৫ হাজার ৮১৭ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হলেও ফলন হয়েছে ২লাখ ২৩ হাজার ৮২ হেক্টর জমিতে। জেলার ধর্মপাশা, জামালগঞ্জ, দিরাই, শাল্লা, বিশ্বম্ভরপুর, জগন্নাথপুর ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ১০টি হাওরের ফসল তলিয়ে গেছে।

কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ ভেঙে এবং বাঁধে মাটি না দেওয়ায় সেই বাঁধ দিয়ে পানি ডুকে চন্দ্রসোনার তাল, সাথারিয়া, পাথারিয়া, বরাম হাওর, কাইক্কার ধার হাওর, ডুবাইল হাওর, নলুয়ার হাওর, জোয়ালভাঙ্গা হাওর, পাগনার হাওর, করচার হাওরসহ ১০ হাওরের ৫ হাজার হেক্টর জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে। পাহাড়ি ঢল ও বর্ষণ অব্যাহত থাকায় জেলার ১৩৩ হাওরের কাচা বোরো ফসল সমপূর্ণ ঝুঁকিতে রয়েছে। এ বছর আগাম বৃষ্টি ও ঢল নামায় কাচা ফসল তলিয়ে যাওয়ায় ফসল হারিয়ে বিলাপ করছে হাওরপাড়ের কৃষক। অনেক স্থানে পানি আটকাতে কৃষকরা স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করলেও পানি আটকাতে পারছেন না। জানা গেছে, ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে পানি উন্নয়ন বোর্ড ৪৮টি হাওরের বোরো ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ মেরামত, সংস্কার ও নতুন বাঁধ নির্মাণে ৫৫ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছিল। গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর কাজ শুরুর কথা থাকলেও কাজ শুরু হয়েছিল এ বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে। ফলে এখনো বাঁধের কাজ শেষ হয়নি। কোন কোন বাঁধে এখনো মাটি ফেলা হয়নি। এসব কারণে হাওরের ফসলহানি হয়েছে বলে কৃষকরা জানান। সময় মতো বাঁধে মাটি পড়লে ফসলহানি এড়ানো যেতো বলে জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা। কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. জাহেদুল হক বলেন, কাঁচা ফসল তলিয়ে যাওয়ায় এবার কৃষকের ক্ষতির পরিমাণ বেশি হবে। অধিকাংশ স্থানেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ ভেঙে হাওরে পানি ঢুকে ফসলহানি ঘটাচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত ১০ হাওরের ফসল তলিয়ে গেছে। অন্য হাওরও ঝুঁকিতে রয়েছে বলে তিনি জানান। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মো. জাহেদুল হক বলেন, এপর্যন্ত ২৭ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান ফসল রক্ষা বাধ ভেঙে তলিয়ে গেছে। এতে আনুমানিক ২৬০ কোটি টাকার ফসল হানি ঘটেছে আর ১ লাখ ২৫ হাজার কৃষক সরসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আফসর উদ্দিন বলেন, সুনামগঞ্জে আগাম বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত কয়েক দিন যাবৎ হাওর এলাকার বাধের ডিজাইন ফেল করে বাধের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ভারতে চেরাপুঞ্জিতে মাত্রাতিরিক্ত বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বরাক বেসিনে পানির চাপ ক্রমশ বাড়ছে।

 

৪/৪/২০১৭/২০০/সা/ফা/

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।