বসন্তকাল, সোমবার, ২৯শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১২ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,৩০শে শাবান, ১৪৪২ হিজরি, রাত ৩:৫১
মোট আক্রান্ত

সুস্থ

মৃত্যু

  • জেলা সমূহের তথ্য
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

”চলচ্চিত্রে রাষ্ট্রীয় ও জনস্বার্থবিরোধী নয়”সিনেমায় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস থাকতে হবে..

admin

ডেস্ক রিপোর্ট ,বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

চলচ্চিত্রে রাষ্ট্র ও জনস্বার্থবিরোধী কোনো বক্তব্য প্রচার করা যাবে না। দেখানো যাবে না সরাসরি কোনো ধর্ষণের দৃশ্য। এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে জাতীয় চলচ্চিত্র নীতিমালা, ২০১৭ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।পরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্রে রাষ্ট্র ও জনস্বার্থবিরোধী কোনো বক্তব্য প্রচার করা যাবে না। সিনেমায় মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস ও তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা সমুন্নত রাখতে হবে। একই সঙ্গে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ ভাষা পরিহার করতে হবে।’নতুন নীতিমালায় চলচ্চিত্রে সরাসরি কোনো ধর্ষণের দৃশ্য দেখানো যাবে না, এ কথা জানিয়ে সচিব বলেন, ‘আগে যেভাবে প্রকাশ্য ধর্ষণের দৃশ্য দেখা যেত, এখন থেকে সেটা করা যাবে না। তাছাড়া নারী, শিশু কিংবা উভয়ের প্রতি সহিংসতা কিংবা বৈষম্যমূলক আচরণ বা হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড উৎসাহিত করে এমন কোনো ঘটনা প্রচার করা যাবে না, এই ধরনের কোনো দৃশ্য দেখানো যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘নীতিমালা অনুযায়ী সিনেমায় বিভ্রান্তিকর ও কোনো অসত্য তথ্য পরিবেশন করা যাবে না। এমনকি কোনো অশোভন উক্তি, আচরণ এবং অপরাধীদের কার্যকলাপের কৌশল প্রদর্শন, যা অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে নতুন পদ্ধতির প্রবর্তন ও মাত্রা আনতে সহায়ক হতে পারে, এমন দৃশ্য দেখানো যাবে না।’শফিউল আলম বলেন, ‘চলচ্চিত্রে দেশীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ভাবধারার সুষ্ঠু প্রতিফলন এবং এর সঙ্গে জনগণের নিবিড় যোগসূত্র স্থাপন ও সাংস্কৃতিক ধারাকে দেশপ্রেমের আদর্শে অনুপ্রাণিত করার প্রয়াস অব্যাহত রাখতে হবে।’

সেন্সরের পরিবর্তে সার্টিফেকেশন সিস্টেম চালু করা হবে জানিয়ে সচিব বলেন, ‘সেন্সর শব্দটি একটু নেতিবাচক, নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট বহন করে। এজন্য বিভিন্ন দেশে সেন্সরের ক্ষেত্রে সার্টিফিকেশন শব্দটি ব্যবহার করা হয়। আমাদের দেশেও পর্যায়ক্রমে সেন্সর সিস্টেম বাদ দিয়ে সার্টিফিকেশন সিস্টেম চালু করা হবে।’

চলচ্চিত্রের সৃজনশীলতা বজায় রাখতে কপিরাইট ও অন্যান্য মেধাস্বত্ব সংরক্ষণে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও নীতিমালায় নির্দেশনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।সচিব বলেন, ‘চলচ্চিত্রে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ভাবধারার সুষ্ঠু প্রতিফলন ঘটাতে হবে। সকল ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে এবং ধর্মীয় সহিংসতা রোধে জনগণকে উজ্জীবিত করতে হবে। সুস্থ্য, শিক্ষামূলক ও বিনোদনধর্মী চলচ্চিত্র নির্মাণ, বিতরণ ও প্রদর্শন করতে সরকারি এবং বেরকারি পর্যায়ে নীতিগত ও অবকাঠামোগত ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হবে।’তথ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের জাতীয় চলচ্চিত্রবিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটি থাকবে। এই কমিটি নীতিমালার আলোকে চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে বিভিন্ন সুপারিশ করবে।চলচ্চিত্র আমদানি ও রপ্তানিতে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি কমিটি থাকবে জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, এরা কোনো চলচ্চিত্র আমদানি বা রপ্তানির সুপারিশ করবে।সিনেমা হল বন্ধ হয়ে যাওয়া চলচ্চিত্রের বড় সমস্যা, উল্লেখ করে সচিব বলেন, ‘সিনেমা হলগুলো বাণিজ্যিক ভবন হয়ে যাচ্ছে। দোকানপাট করে ফেলা হচ্ছে। এটা রোধ করতে সরকার পৃষ্ঠপোষকতা করছে। দেশের প্রত্যেক জেলায় একটি করে তথ্য ভবন করা হবে। এতে একটি করে সিনেপ্লেক্স থাকবে। এছাড়া সরকারি অনুদান দিয়েও বিভিন্ন জেলায় ডিজিটাল সিনেপ্লেক্স করা হবে।’

 

৪/৪/২০১৭/১৯০/তৌ/আ/

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।