শরৎকাল, মঙ্গলবার, ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,১২ই সফর, ১৪৪২ হিজরি, রাত ৮:১২
মোট আক্রান্ত

৩৬২,০৪৩

সুস্থ

২৭৩,৬৯৮

মৃত্যু

৫,২১৯

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ৯৮,৭১৯
  • চট্টগ্রাম ১৮,৬১৩
  • বগুড়া ৭,৫৫৪
  • কুমিল্লা ৭,৪২০
  • ফরিদপুর ৭,০৯৮
  • সিলেট ৬,৭৮৭
  • নারায়ণগঞ্জ ৬,৭২৮
  • খুলনা ৬,৩১৮
  • গাজীপুর ৫,৪০৫
  • নোয়াখালী ৪,৯৪৪
  • কক্সবাজার ৪,৬৭১
  • যশোর ৩,৮৫৮
  • ময়মনসিংহ ৩,৬৫৬
  • মুন্সিগঞ্জ ৩,৪৭৪
  • বরিশাল ৩,৪৬৪
  • দিনাজপুর ৩,৩৪৩
  • কুষ্টিয়া ৩,২৪৩
  • টাঙ্গাইল ৩,০৭৩
  • রাজবাড়ী ৩,০৪০
  • রংপুর ২,৭৭৭
  • কিশোরগঞ্জ ২,৭৭৩
  • গোপালগঞ্জ ২,৫৫১
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৪৩৮
  • সুনামগঞ্জ ২,৩২৩
  • নরসিংদী ২,২৯০
  • চাঁদপুর ২,২৮২
  • সিরাজগঞ্জ ২,১৪৬
  • লক্ষ্মীপুর ২,১১৮
  • ঝিনাইদহ ১,৯০৬
  • ফেনী ১,৮৪০
  • হবিগঞ্জ ১,৭৩৯
  • শরীয়তপুর ১,৬৯০
  • মৌলভীবাজার ১,৬৮২
  • জামালপুর ১,৫৩১
  • মানিকগঞ্জ ১,৪৯২
  • মাদারীপুর ১,৪৫৮
  • পটুয়াখালী ১,৪১৫
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৪১৪
  • নড়াইল ১,৩২৫
  • নওগাঁ ১,৩১৩
  • গাইবান্ধা ১,১৫৫
  • পাবনা ১,১১৮
  • ঠাকুরগাঁও ১,১১৪
  • সাতক্ষীরা ১,০৯৩
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • জয়পুরহাট ১,০৮১
  • পিরোজপুর ১,০৬৯
  • নীলফামারী ১,০৪১
  • বাগেরহাট ৯৮৬
  • নাটোর ৯৮৬
  • বরগুনা ৯১০
  • মাগুরা ৯০৪
  • রাঙ্গামাটি ৮৯৪
  • কুড়িগ্রাম ৮৯০
  • লালমনিরহাট ৮৫০
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৭৭৫
  • বান্দরবান ৭৭০
  • ভোলা ৭২২
  • নেত্রকোণা ৭১৮
  • ঝালকাঠি ৬৯৪
  • খাগড়াছড়ি ৬৭৭
  • পঞ্চগড় ৬০৪
  • মেহেরপুর ৬০১
  • শেরপুর ৪৬৬
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

আগে মেধাবীবান্ধব শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে…

 ডেস্ক রিপোর্ট , বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

বিশ্বের অধিকাংশ দেশে, বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে শিক্ষা ব্যবস্থা মেধাবীবান্ধব নয়। বাংলাদেশও এই খাতে ব্যতিক্রম নয়। গবেষকরা বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থী তৈরি করতে হলে সবার আগে মেধাবীবান্ধব শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।তাদের মতে, মেধাবীদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি থাকতে হবে তা পরিচর্যার পরিবেশ। নিশ্চিত করতে হবে তাদের ধরে রাখার মতো পর্যাপ্ত সুযোগসুবিধা। সর্বোপরি থাকতে হবে বৈশ্বিক জ্ঞানলাভের সুযোগ। এসবের মধ্য দিয়েই বেড়ে ওঠে মেধাবীরা। কিন্তু বাংলাদেশ এর সবগুলোতেই অন্যদের চেয়ে পিছিয়ে। আর এ পিছিয়ে থাকার মূলে রয়েছে দেশের বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থা। এ দুর্বলতার কারণেই উঠে আসছে না মেধাবীরা।সম্প্রতি ‘দ্য গ্লোবাল ট্যালেন্ট কমপিটিটিভনেস ইনডেক্স’ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যৌথভাবে ব্যবসায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইনসিড, অ্যাডেকো গ্রুপ ও হিউম্যান ক্যাপিটাল লিডারশিপ ইনস্টিটিউট। প্রতিবেদনটি তৈরির ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে ছয়টি স্তম্ভ। এগুলো হলো- এনাবল, অ্যাট্রাক্ট, গ্রো, রিটেইন, লেবার অ্যান্ড ভোকেশনাল স্কিল ও গ্লোবাল নলেজ স্কিল, যার সবগুলোতেই বাংলাদেশ রয়েছে পেছনের সারিতে।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্তি, কারিগরি শিক্ষার সুযোগ, উচ্চশিক্ষার মান, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনার মান, প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার, স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের সুযোগ- মেধাবীদের বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে এগুলোকে ধরা হয় গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হিসেবে। এগুলোর বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের অবস্থান অত্যন্ত দুর্বল। প্রতিবেদনে এগুলোকে প্রকাশ করা হয়েছে গ্রো স্তম্ভের মধ্য দিয়ে।

নাবল স্তম্ভটির মধ্যে রয়েছে সরকারের দক্ষতা, বেসরকারি খাতের সঙ্গে সরকারের যোগাযোগ, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, ব্যবসার পরিবেশ, গবেষণা ও উন্নয়নে ব্যয়, শ্রমিক-মালিকের পারস্পরিক সম্পর্ক, পেশাগত ব্যবস্থাপনা, তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো, প্রযুক্তি ব্যবহারের মতো বিভিন্ন বিষয়। গত কয়েক বছরে দেশে এগুলোর কিছু ক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটলেও, দুর্বলতা রয়ে গেছে অনেকগুলোতেই।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নেহাল করিম বলেন, সঠিক পরিকল্পনার অভাব রয়েছে এক্ষেত্রে। আর্থসামাজিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা নিতে হবে। কাজের সুযোগ রয়েছে, এমন বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রয়োজন।মেধাবীদের বিকাশের সুযোগের পাশাপাশি তাদের কাজের ক্ষেত্র তৈরি ও ধরে রাখার বিষয়টিও প্রতিবেদনের সূচকে গুরুত্ব পেয়েছে। এক্ষেত্রে জীবনযাত্রার মান, পেনশন ব্যবস্থা ও কর; বিদেশী বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্র তৈরি, মেধাবীদের ধরে রাখা ও লিঙ্গসমতা; শ্রমপরিবেশের উন্নয়ন ও শ্রমের উৎপাদনশীলতা এবং উচ্চশিক্ষিত শ্রমশক্তি, গবেষক ও পেশাজীবী তৈরির মতো বিষয়গুলো উঠে এসেছে রিটেইন, অ্যাট্রাক্ট, লেবার অ্যান্ড ভোকেশনাল স্কিল ও গ্লোবাল নলেজ স্কিল স্তম্ভের মধ্য দিয়ে। এসব সূচকেও বাংলাদেশের অবস্থান বেশ দুর্বল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, এনাবল স্তম্ভে ১০৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৫, অ্যাট্রাক্ট স্তম্ভে ৯১, গ্রো স্তম্ভে ১০৮, রিটেইন স্তম্ভে ৯৭, লেবার অ্যান্ড ভোকেশনাল স্কিল স্তম্ভে ৮১ ও গ্লোবাল নলেজ স্কিল স্তম্ভে ৯১তম। আর সব স্তম্ভের ভিত্তিতে ১০৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০০তম। এক্ষেত্রে ১০০-এর মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর ৩০ দশমিক ৮৯। তালিকার শীর্ষে রয়েছে সুইজারল্যান্ড। দেশটির স্কোর ৭২ দশমিক ৬৪৮। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে ভারত ও শ্রীলংকা।সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও একটা অবস্থান তৈরি হয়েছে আমাদের। তবে এ অবস্থানেই আটকে রয়েছি কয়েক বছর ধরে। এজন্য মানসম্মত শিক্ষা ও এ খাতে সুশাসন নিশ্চিতের বিষয়টিতে গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।মূলত দুটি স্তম্ভ শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ভিত্তিতে সূচকটি প্রণয়ন করা হয়েছে। এগুলোর ফলাফল পরিমাপ করা হয়েছে শূন্য থেকে ১০০-এর একটি স্কেলে। সবচেয়ে ভালো অবস্থান প্রকাশ করা হয়েছে ১০০ স্কোরের মাধ্যমে। আর পাঁচটি ভিন্ন ভিন্ন বয়স শ্রেণীর ক্ষেত্রে এ ফলাফল বিবেচনায় নেয়া হয়।অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, প্রতিবেদনটিতে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে বাংলাদেশের অবস্থা যে আশাব্যঞ্জক নয়, এমন চিত্রই উঠে এসেছে। উচ্চশিক্ষার চিত্র এখনো খুবই করুণ। তার ওপর কর্মসংস্থানের সঙ্গে অনেকটাই সামঞ্জস্যহীন অবস্থায় রয়েছে শিক্ষা ব্যবস্থা।প্রতিবেদনে প্রতিটি স্তম্ভের অধীনে কয়েকটি উপসূচক রয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষার ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির হার, শিক্ষিতের হার, শিক্ষার গুণগত মান, বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও কাজ করতে গিয়ে শেখার হার। আর কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়গুলো হলো- কর্মক্ষম মানুষের চাকরিতে নিয়োজিতের হার, বেকারত্বের হার, আংশিক বেকারত্ব, দীর্ঘমেয়াদি বেকারত্ব, দক্ষতা, শিশুদের কাজে নিয়োজিতের হার। এর সব ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের অবস্থান অত্যন্ত দুর্বল।

৩/৫/২০১৭/১৬০/তৌ/আ/

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।