২০২০ সালের মধ্যেই ওষুধ হবে ‘বিষ’…

তৌহিদ আজিজ, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

মানুষ মরণশীল। বাস্তব থেকেও অতি বাস্তব। রূঢ় সত্য। কিন্তু মানুষ এই জীবনকে বাঁচিয়ে রাখতেই সাহায্য নেন ওষুধের। তবে গবেষকদের আশঙ্কা, ২০২০ সালের মধ্যেই ওষুধও হবে ‘বিষ’।

এমনিতেই মানবদেহে যে কোন ধরনের রোগের প্রতিরোধক হিসেবে যে অ্যান্টিবায়োটিকস ব্যবহার করা হয়, তা ওই শরীরের জার্ম, ব্যাকটেরিয়ার ওপর বিষের মত কাজ করে। শরীর থাকলে রোগ হবে, আর রোগ সারাতে অ্যান্টিবায়োটিকস আছে, এই চিরাচরিত মিথ খুব শীঘ্রই ভাঙতে চলেছে, এমনটাই মনে করা হচ্ছে নতুন পর্যবেক্ষণে। পেনিসিলিনের আবিষ্কার চিকিৎসা বিজ্ঞানকে নতুন দিশা দেখিয়েছিল। বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিংয়ের পেনিসিলিন প্রতিটি মারণ রোগের প্রতিরোধক হিসেবে অ্যান্টিবায়োটিকসে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। ১৯২৮ থেকে বর্তমান সময়, প্রায় এক শতকের দিকে এগিয়ে যাওয়া এই প্রথাতেই ভাঙতে চলেছে ‘অ্যান্টিবায়োটিকস প্রয়োগেই সব রোগের মুশকিল আসান’-এই মিথ।

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, দীর্ঘ সময় ধরে জার্ম কিল করতে যে অ্যান্টিবায়োটিকস প্রয়োগ করা হচ্ছে তাতে তৈরি হচ্ছে এক ধরনের ‘বাগ’। যারা অ্যান্টিবায়োটিকসকেও অকেজো করে দিতে পারে। আর এর ফলেই আর কাজ করবে না অ্যান্টিবায়োটিকস। ব্যাধি সারাতে যে অ্যান্টিবায়োটিকস সঞ্জীবনীর মত কাজ করে, তারও ধার কমবে। মানুষের মৃত্যুকে আর কোনও ভাবেই আটকানো যাবে না।

২৭/৪/২০১৭/৪০/