মেঘনায় ধরছে জাটকা ইলিশ…

ডেস্ক রিপোর্ট ,বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম  নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লক্ষ্মীপুরেরhilsha মেঘনা নদীতে অবাধে জাটকা ইলিশ শিকার করছেন জেলেরা। শিকার করা জাটকা রিকশা ও ভ্যানে গ্রামে গ্রামে ফেরি করে বিক্রি করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় মৎস্য বিভাগের কোনো তৎপরতা চোখে পড়ছে না। এতে ইলিশ রক্ষার্থে সরকারের নেয়া কর্মসূচি ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। জেলা মৎস্য অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, জেলায় সরকারি হিসাবে ৪৬ হাজার জেলে রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৭ হাজার নিবন্ধিত। অধিকাংশই মেঘনা নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন। লক্ষ্মীপুরের আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল এলাকার মেঘনা নদীর ১শ কিলোমিটার পর্যন্ত ইলিশের অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ইলিশ উৎপাদন ও জাটকা সংরক্ষণের জন্য ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সব ধরনের মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মৎস্য বিভাগ। এ নিষেধাজ্ঞার দুই মাস পরে মে-জুন আরও দুই মাসসহ চার মাস প্রত্যেক জেলে পরিবারকে ৪০ কেজি হারে প্রতি মাসে ভিজিএফের চাল দেওয়া হবে। পুলিশ জানায়,নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জেলেরা লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে জাটকা শিকার করছেন। এ অভিযোগে ৮ মার্চ রাতে লক্ষ্মীপুর সদরে ৮ জেলেকে আটক করেছে মৎস্য বিভাগ ও কোস্টগার্ড। পরে সদর ইউএনও মোহাম্মদ নুরুজ্জামান জেলে আলা উদ্দিন ও হারুনকে এক বছর করে জেল এবং অন্য ছয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানা করেন। ২৩ মার্চ মেঘনা নদীতে মাছ শিকারের দায়ে ২৬ জেলেকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। এ সময় মাছ ধরার ১০টি নৌকা ও ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। ২৬ মার্চ কমলনগরে ৮ জেলের কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। কমলনগরের ইউএনও ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা প্রত্যেককে ১৫ দিন করে কারাদন্ডের আদেশ দেন। ৩০ মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে মেঘনা নদীর বাতিরঘাট ও কাদিরপন্ডিতের হাট এলাকা মেঘনা নদীতে নিষিদ্ধ সময়ে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ শিকারের দায়ে পাঁচ জেলেকে আট করেছে কোস্টগার্ড। এ সময় ৩০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।আটকরা সবাই জেলে। তারা হলেন-পাশ্ববর্তী ভোলা জেলার মাইন উদ্দিন,আবদুল করিম, মো. আব্বাস, লোকমান ও আকতার হোসেন। নিষেধাজ্ঞার শুরু থেকে প্রতিদিন জেলেরা মেঘনা ও মেঘনার সংযোগ খালগুলোতে জাটকা নিধন করছেন।

২/৪/২০১৭/২১ে০/মো/মা/