এপ্রিল 19

মার্কিন রণতরী কোরীয়ায় না ভারতের দিকে…

ডেস্ক রিপোর্ট , বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

একটি স্ট্রাইক গ্রুপসহ বিমানবাহী রণতরী কার্ল ভিনসন কোরীয় উপদ্বীপের দিকে রওনা হয়েছে- চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে এমনটিই জানানো হয়। সেসময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেছিলেন, উত্তর কোরিয়াকে সতর্কবার্তা দিতে তিনি কোরীয় উপদ্বীপ এলাকায় বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তবে মঙ্গলবার বিবিসি জানায়, মার্কিন রণতরীটি কোরীয় উপসাগরে প্রবেশ না করে উল্টোদিকে ভারত মহাসাগরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই পথে বর্তমানে সুন্দা প্রণালী পার হচ্ছে নৌবহরটি। মার্কিন বাহিনীর প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ড জানায়, কার্ল ভিনসন অস্ট্রেলিয়ার পার্থে যাওয়ার কথা থাকলেও সেটি বাতিল করেছে তারা। তবে ৮ এপ্রিল সিঙ্গাপুর ছেড়ে আসার পর অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পশ্চিম উপকূলে দেশটির সঙ্গে একটি পূর্বনির্ধারিত মহড়া সম্পন্ন করেছে। এটি শেষ করে স্ট্রাইক গ্রুপ এখন প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম এলাকার দিকে রওনা দিয়েছে। কোরীয় উপদ্বীপে মার্কিন রণতরী মোতায়েনকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। জাপানি যুদ্ধজাহাজ এই বহরের সঙ্গে যোগ দেবে এমন ঘোষণাও এসেছিল। এর প্রতিক্রিয়ায় উত্তর কোরিয়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, পিয়ংইয়ংয়ের প্রতি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক ক্ষেত্রে শত্রুতামূলক নীতি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে সেগুলোর পাল্টা ও সমুচিত জবাব দেবে দেশটির সেনাবাহিনী ও জনগণ।  ফলে এখন মার্কিন রণতরীর ও ট্রাম্পের ঘোষণার এই বিপরীত গতির সংবাদে অনেকে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন হুমকি কতটা বিশ্বাসযোগ্য সেই প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। উল্লেখ্য, পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক ও আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম- এমন যুদ্ধাস্ত্র বহনকারী রকেট তৈরির উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের। তার এ উচ্চাকাঙ্ক্ষার বিষয়টি ওয়াশিংটন ও সিউলের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে। দেশটি ইতিমধ্যে পাঁচটি পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়েছে। একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাও চালিয়েছে। সূত্র: বিবিসি

১৯/৪/২০১৭/১৯০/আ/হৃ/