মে 07

বিয়ে নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর গোলাগুলি…

 ডেস্ক রিপোর্ট , বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

মারমুখি স্ত্রীর পিস্তল থেকে স্বামীকে রক্ষা করলেন বাসযাত্রীরা। দক্ষিণ ভারতের ব্যাঙ্গালোরের এ ঘটনা ঘটে।আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটকের বাসিন্দা এক নারী তার স্বামীর ওপরে পর পর তিনবার গুলি চালিয়েছেন। স্ত্রীর হাত থেকে বাঁচতে রক্তাক্ত অবস্থায় একটি চলন্ত বাসে উঠে ওই ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে তার স্ত্রী গাড়ি নিয়ে ধাওয়া করে আবার ধরে ফেলেন তাকে।

পরে বাসের যাত্রীরা ওই নারীকে নিরস্ত্র করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। স্বামী গুরুতর আঘাত নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ঘটনাটি ব্যাঙ্গালোরের।

৫৩ বছর বয়সী সাই রাম এম আর তার স্ত্রীকে নিয়ে তামিলনাডুর হোসুর থেকে ফিরছিলেন নিজেদের এস ইউ ভি চালিয়ে। পথে একটি রেস্তোরাঁয় তারা দুপুরের খাবার খান, সঙ্গে মদও পান করেন দু’জনে।

ব্যাঙ্গালোরের ডেপুটি পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্ট এম বি বোরালিঙ্গাইয়া বলেছেন, মদ্যপান এবং দুপুরের খাওয়ার সময় থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মেয়ের বিয়ে নিয়ে ঝগড়া শুরু হয়। তারপরে গাড়িতে ওঠেন দুজনেই। সাই রামের স্ত্রী হামসা রাম গাড়িটি চালাচ্ছিলেন। ঝগড়া চলতেই থাকায় স্ত্রীর গালে একটা ঘুষি মারেন সাই রাম। হঠাৎই গাড়িতে রাখা একটি পিস্তল বার করে স্বামীর পেটে তিনটি গুলি করেন মিসেস রাম।

সাই রাম একটি বেসরকারি নিরাপত্তা এজেন্সির মালিক। তার গাড়িতে সবসময়েই যে একটি পিস্তল রাখা থাকে, সেটা সম্ভবত জানতেন তার স্ত্রী।

মারমুখী স্ত্রীর হাত থেকে বাঁচতে সাই রাম একটি চলন্ত সরকারি বাসে লাফিয়ে উঠে পড়েন। ওই বাসটিকে নিজের এস ইউ ভি গাড়ি নিয়েই ধাওয়া করেন মিসেস রাম। ব্যাঙ্গালোর শহরের ঠিক বাইরে বাসটিকে ধরেও ফেলেন তিনি। বাসটিকে থামিয়ে সেটায় চড়ে আবারো পিস্তল উঁচিয়ে স্বামীকে গুলি করার চেষ্টা করেন। তখনই অন্য যাত্রীরা ধরে ফেলেন মিসেস রামকে।

পুলিশ বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে মিসেস রাম তাদের জানিয়েছেন যে স্বামী তাকে মারার পরে আত্মরক্ষার্থে তিনি গুলি চালিয়েছেন।জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজন নারী পুলিশ অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

৭/৫/২০১৭/৪০/তৌ/আ/