শরৎকাল, সোমবার, ১৩ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,১১ই সফর, ১৪৪২ হিজরি, সকাল ৮:৪০
মোট আক্রান্ত

৩৫৯,১৪৮

সুস্থ

২৭০,৪৯১

মৃত্যু

৫,১৬১

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ৯৮,৭১৯
  • চট্টগ্রাম ১৮,৬১৩
  • বগুড়া ৭,৫৫৪
  • কুমিল্লা ৭,৪২০
  • ফরিদপুর ৭,০৯৮
  • সিলেট ৬,৭৮৭
  • নারায়ণগঞ্জ ৬,৭২৮
  • খুলনা ৬,৩১৮
  • গাজীপুর ৫,৪০৫
  • নোয়াখালী ৪,৯৪৪
  • কক্সবাজার ৪,৬৭১
  • যশোর ৩,৮৫৮
  • ময়মনসিংহ ৩,৬৫৬
  • মুন্সিগঞ্জ ৩,৪৭৪
  • বরিশাল ৩,৪৬৪
  • দিনাজপুর ৩,৩৪৩
  • কুষ্টিয়া ৩,২৪৩
  • টাঙ্গাইল ৩,০৭৩
  • রাজবাড়ী ৩,০৪০
  • রংপুর ২,৭৭৭
  • কিশোরগঞ্জ ২,৭৭৩
  • গোপালগঞ্জ ২,৫৫১
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৪৩৮
  • সুনামগঞ্জ ২,৩২৩
  • নরসিংদী ২,২৯০
  • চাঁদপুর ২,২৮২
  • সিরাজগঞ্জ ২,১৪৬
  • লক্ষ্মীপুর ২,১১৮
  • ঝিনাইদহ ১,৯০৬
  • ফেনী ১,৮৪০
  • হবিগঞ্জ ১,৭৩৯
  • শরীয়তপুর ১,৬৯০
  • মৌলভীবাজার ১,৬৮২
  • জামালপুর ১,৫৩১
  • মানিকগঞ্জ ১,৪৯২
  • মাদারীপুর ১,৪৫৮
  • পটুয়াখালী ১,৪১৫
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৪১৪
  • নড়াইল ১,৩২৫
  • নওগাঁ ১,৩১৩
  • গাইবান্ধা ১,১৫৫
  • পাবনা ১,১১৮
  • ঠাকুরগাঁও ১,১১৪
  • সাতক্ষীরা ১,০৯৩
  • রাজশাহী ১,০৮৫
  • জয়পুরহাট ১,০৮১
  • পিরোজপুর ১,০৬৯
  • নীলফামারী ১,০৪১
  • বাগেরহাট ৯৮৬
  • নাটোর ৯৮৬
  • বরগুনা ৯১০
  • মাগুরা ৯০৪
  • রাঙ্গামাটি ৮৯৪
  • কুড়িগ্রাম ৮৯০
  • লালমনিরহাট ৮৫০
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৭৭৫
  • বান্দরবান ৭৭০
  • ভোলা ৭২২
  • নেত্রকোণা ৭১৮
  • ঝালকাঠি ৬৯৪
  • খাগড়াছড়ি ৬৭৭
  • পঞ্চগড় ৬০৪
  • মেহেরপুর ৬০১
  • শেরপুর ৪৬৬
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর |

সারাদেশ

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

বজ্রপাতের দূর্ঘটনা থেকে মুক্তির উপায়…

ডেস্ক রিপোর্ট ,বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকমflooding-bangladesh-jpg

গত বছর ১৪২ জনের মৃত্যুর পর বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করেছিল সরকার। এবারও বিস্তৃত এলাকাজুড়ে বজ্রঝড় হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।এপ্রিলে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ৩-৪ দিন মাঝারি থেকে তীব্র কালবৈশাখী বা বজ্রঝড় এবং অন্যত্র ২-৩ দিন হালকা থেকে মাঝারি কালবৈশাখী ও বজ্রঝড় হতে পারে।তাৎক্ষণিক পূর্বাভাস (নাউ কাস্টিং), ব্যাপক প্রচারণা আর জনসচেতনতা সৃষ্টি করা গেলে এ ধরনের দুর্যোগ থেকে প্রাণহানির পরিমাণ কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।বজ্রপাতের সময় বাসা-বাড়ির মধ্যে থাকলে এর প্রভাব থেকে কিছুটা বাঁচা যায়। তবে রাস্তায় কিংবা খোলা মাঠে থাকাকালীন এমন পরিস্থিতি সামনে পড়লে কীভাবে সুরক্ষিত থাকবেন তার কয়েকটি উপায় জেনে নিন।১. বজ্রপাতের সময় উঁচু গাছপালার কাছাকাছি থাকবেন না। কারণ ফাঁকা জায়গায় কোনো যাত্রী ছাউনি বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই গাছ থেকে কমপক্ষে ৪ মিটার দূরত্বে অবস্থান করতে হবে।২. ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা, উঁচু জায়গায় কিংবা টিনশেডের বাড়িতে না থাকাই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয় যদি কোনো পাকা বাড়িতে আশ্রয় নেওয়া যায়।৩. বজ্রপাতের সময় রাস্তায় গাড়িতে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব গাড়ি থেকে বেরিয়ে পাকা কোনো বাড়ির ছাউনি কিংবা বারান্দায় অবস্থায় নেওয়া।৪. বজ্রপাতের সময় মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, টিভি, ফ্রিজসহ সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির সুইচ বন্ধ রাখা। বজ্রপাতের আভাস পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করুন।৫. বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলোর সংস্পর্শ এসে অনেকে আহত হন।৬. নদীতে নৌকায় অবস্থান করলেও পানি থেকে সরে আসতে হবে এবং নৌকার ছাউনিতে ঢুকে পড়তে হবে।৭ বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই বৈদ্যুতিক খুঁটি বা তার আছে এসব জায়গায় যাবেন না বা কাছাকাছি থাকবেন না।

 

৩/৪/২০১৭/১৬০/সা/ফা/

Share on facebook
Facebook
Share on google
Google+
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn

সর্বশেষ খবর

Leave a Reply

সর্বাধিক পঠিত

আরো খবর পড়ুন...

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম :
প্রধান সম্পাদক : লায়ন মোমিন মেহেদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : লায়ন শান্তা ফারজানা
৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা
email: mominmahadi@gmail.com
shanta.farjana@yahoo.co.uk
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।