প্রতারক ছেলে বা মেয়ে চেনার উপায়

ডেস্ক রিপোর্ট ,বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

আপনি হয়তো এই কিছুদিন আগেই মাত্র তার সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন, এবং ভাবছেন তিনি এক যাদুকর। মনে রাখবেন, প্রতারক পুরুষরাও সাধারণত মেধাবি হয়ে থাকেন; যিনি ছলে-বলে-কৌশলে আপনাকে সহজেই তার প্রতি মোহাবিষ্ট করে ফেলতে সক্ষম। এখানে প্রতারক ছেলে বা মেয়ের কিছু বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হল যেন আপনি সহজেই তাকে চিনে নিতে পারেন।

জীবনসঙ্গী কিংবা মনের মানুষটি ধোঁকা দিলে বা প্রতারণা করলে সেটা সহ্য করা আসলেই খুব কষ্টের একটি বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু ফেসবুক আর মোবাইল ফোনের সম্পর্কে প্রতারণা যেন একটা নিত্য দিনের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিজের স্বামী-স্ত্রী বা প্রেমিক-প্রেমিকার ওপরে চোখ বুজে আস্থা রাখাটাই যেন একটা কঠিন ব্যাপার হয়ে উঠছে ক্রমশ। কেউই চান না যে জীবন সঙ্গী বা মনের মানুষটি তাকে ধোঁকা দিক। কিন্তু না চাইতেও পড়তে হয় এই কঠিন অবস্থার মুখোমুখি। কীভাবে বুঝবেন আপনার স্বামী/স্ত্রী অথবা প্রেমিক/প্রেমিকা আপনাকে ধোঁকা দিচ্ছে? জেনে নিন ১২টি লক্ষণ।

১) আগে তিনি আপনাকে যতটা সময় দিতেন, এখন আর ততটা সময় আপনি পান না। এমন না যে তার কাজের ব্যস্ততা বেড়েছে। কাজ ঠিক আগের মতই আছে, কেবল আপনাকে সময় দেয়া কমিয়ে দিয়েছেন।

২) আপনাকে নিয়ে বাইরে যেতে তার তীব্র অনীহা দেখা যায়। বরং তিনি বন্ধুদের সাথে বা একলা বেড়াতেই বেশি পছন্দ করেন।

৩) আপনি দেখতে কেমন দেখাচ্ছে, সুন্দর লাগছে কিনা ইত্যাদি দিকে এখন আর তার মনযোগ নেই। আপনি যেন তার জীবনে আছেন বলেই থাকা।

৪) তার মোবাইল ফোনটি তিনি কাউকেই ধরতে দেন না। বিশেষ করে আপনি ধরলে তিনি বিনা কারণেই মারাত্মক রাগারাগি করেন।

৫) দিনের একটা বেশ বড় অংশ তিনি পার করেন ইন্টারনেটে বা ফোনে কথা বলে। আপনি এসব নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন করলেই তিনি রেগে যান। কিংবা আপনাকে দেখলেই ব্যবহার করা বন্ধ করে দেন।

৬) নিজের চেহারা ও সাজগোজের দিকে তিনি আগের চাইতে অনেক বেশি মনযোগ দিতে শুরু করেছেন। হুট করেই তার স্টাইল করা যেন বেড়ে গিয়েছে।

৭) প্রচুর টাকা খরচ করছেন। কিন্তু কোথায় করছেন সেটা আপনি বুঝতে পারছেন না।

৮) তার ফোনটি আগের চাইতে অনেক বেশি ব্যস্ত থাকে। ফোনে অচেনা নাম্বার থেকে কল আসাও অনেক বেড়ে গিয়েছে। অন্যদিকে তার এমন বন্ধুদের সংখ্যা বেড়েছে যাদের আপনি চেনেন না।

৯) আজকাল তিনি আপনার অনেক বেশি সমালোচনা করেন। আপনার কোন কিছুই যেন তার কাছে ভালো না, সবকিছু নিয়েই অহেতুক সমালোচনা করেন। কিছুতেই তাকে খুশি করা যায় না।

১০) ফেসবুকে তিনি আপনাকে ফ্রেন্ড লিস্টে রাখতে আগ্রহী নন। কিংবা রাখলেও সবকিছুতে অনেক বেশি প্রাইভেসি দেয়া। এবং আপনি চাইলেও অনেক কিছু দেখতে পারেন না। কখনো ঝগড়ার সময়ও ফেসবুক পাসওয়ার্ড চাইলে তিনি আপনাকে দেননি। এবং ফেসবুকে বিপরীত লিঙ্গের মানুষদের সাথেই তার বেশি খাতির।

১১) তার পুরনো প্রেমের সাথে তার আজকাল অনেক বেশি যোগাযোগ হয়েছে। এবং আপনার চোখের আড়ালেই তারা খুব ভালো সম্পর্ক রক্ষা করে চলছেন।

১২) এমনিতে তিনি আপনার সাথে কারণে অকারণে খিটমিট করেন। কিন্তু যখনই আপনি এসব ব্যাপার নিয়ে প্রশ্ন করেন, তখনই খুব ভালো ব্যবহার করেন। আবার ঝগড়া হলে কথায় কথায় ব্রেকআপ উচ্চারণ করতেও তার বাঁধে না।

১৭/৪/২০১৭/১১০/ফরহাদ/শিমুল