দান বা সাদাকা মানব জীবনের উপকার…

 

ডেস্ক রিপোর্ট ,বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম  দান বা যাকে সহজভাবে বলা যায় দেয়া। একটি কবিতার exclamation-markকিছু কথা, যা গল্পের মতো করে এভাবে বলা যায়- এক দরিদ্র হয়তো ভিখারী শুনেছে রাজা আসবেন রথে চড়ে। সে তো খুব খুশি। স্বপ্ন দেখা শুরু করল, অনেক পরিকল্পনা, রাজা হয়তো এ পথে মোহর ছড়াতে ছড়াতে যাবেন। যদি কোনভাবে রাজার সামনে পড়ে যায়, তবে কিছু মোহর সে পাবে। অনেক চিন্তা, অনেক স্বপ্ন। পরদিন সত্যি সত্যি সে শুনলো রাজা রথে চড়ে আসছেন। সে কোন ভাবে ভীড় ঠেলে রাজার সামনে গেলো। রাজার কাছে কিছু চাওয়ার আগেই অবাক হয়ে খেয়াল করলো, মহারাজ নিজেই তার দিকে তাকিয়ে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। রাজা তার কাছে কিছু চাইছেন। সে তো অবাক! তার কিছু নেই শুধু ভিক্ষার ঝুলিটা আছে, যেখানে কিছু চাল আছে।

 

এখন রাজাকে কিছু বলতেও পারছে না, সে তার ঝুলি থেকে একটা চাল নিয়ে মহারাজের হাতে দিয়েছে। সে খুবই হতভম্ব হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। সে খুবই মনঃক্ষুণ্ন হয়েছে। একসময় মন খারাপ করে ঘুমিয়ে পড়ে। পরদিন সকালে সে তার কর্মে যাবে। তার ভিক্ষার ঝুলি থেকে চাল বের করার সময় সে লক্ষ্য করলো কী যেন একটা চকচক করছে! খুব ভাল করে তাকিয়ে দেখে অনেকগুলো চালের মধ্যে- একটা চাল সোনার। তখন সাথে সাথে সে বুঝে ফেললো- রাজাকে সে যে চালটা দিয়েছিলো, তা সোনা হয়ে তার কাছে ফিরে এসেছে। তখন সে আক্ষেপ করে বলল, কৃপণতা না করে যদি রাজাকে সব চাল দিয়ে দিতাম, তবে তো সবগুলো চাল সোনা হয়ে আসতো!

আসলে আমরা এটা বুঝি না যে স্রষ্টা আমাদেরকে তার প্রতিনিধি করে পাঠিয়েছেন শুধু দেয়ার জন্যে এবং যেটুকু আমি পেলাম, সেটুকু আসলে আমার না। আমার থাকবে না। যেটুকু আমি দিলাম সেটাই আসলে আমার। সেটাই আমার কাছে ঘুরে আসে। তার ভাণ্ডারে কোন কমতি নেই। তিনি চাইলে যাকে যা ইচ্ছা দিয়ে দিতে পারেন।

 

 

পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছু চাই। শুধুই চাই। কিন্তু মানুষের প্রয়োজন আসলে খুব সামান্য। কতগুলো পোষাক আমি পরতে পারবো? কতগুলো বাড়িতে থাকতে পারবো? কতগুলো গাড়িতে চড়তে পারবো? কিন্তু দেয়ার আছে অনেক কিছু আমরা এসেছি দেয়ার জন্যে। দেয়ার মজাটা হলো যখনই দিয়ে দেই তখনই সেটা ফিরে আসে। কিন্তু সেটা আমরা বুঝি না বলে সারাক্ষণ ভয়ে থাকি, কী হবে? আমার ভবিষ্যতের নিরাপত্তা থাকবে কিনা, এটা ওটা হবে কিনা। আরো জমাই আরো জমাই শেষ পর্যন্ত কেউ জমাতে পারে না, আর পারলেও ভোগ করতে পারে না। কিন্তু এই পরিমাণ যদি এতদিনে দিয়ে দিতো, তবে সেটা কতগুণ হয়ে ফিরে আসতো! এটাই হচ্ছে দেয়া এটাই হচ্ছে দান।

আসলে দান অবিনশ্বর এবং সকল কিছুর ওপরেই তা বিজয়ী হয়। ফেরেশতারা জিজ্ঞেস করলেন, হে স্রষ্টা! পাথরের চেয়ে শক্ত কিছু কি রয়েছে? আল্লাহ বললেন, লোহা পাথরের চেয়ে শক্ত। ফেরেশতারা আবার জিজ্ঞেস করলেন, আপনার সৃষ্টিতে লোহার চেয়ে শক্ত কিছু কি আছে? আল্লাহ বললেন, আগুন লোহার চেয়ে শক্ত। কারণ তা লোহাকে গলায়। ফেরেশতারা আবার বললেন, হে রক্ষাকর্তা! আপনার সৃষ্টিতে আগুনের চেয়ে শক্ত কিছু কি আছে? আল্লাহ বললেন, পানি আগুনকে দমন করে, নিভিয়ে ঠান্ডা করে দেয়। তখন ফেরেশতারা বললেন, হে আল্লাহ! আপনার সৃষ্টিতে পানির চেয়ে শক্ত কিছু কি আছে? আল্লাহ বললেন, বাতাস পানিকে জয় করে, তাকে আলোড়িত করে, গতিশীল করে। ফেরেশতারা বললেন, বাতাসের চেয়ে? আল্লাহ বললেন, হাঁ, দানশীল ব্যক্তি। যার ডান হাতের দান বাম হাত হতে গোপন রাখে।
দান করলে যে প্রতিদান পাওয়া যায় এ কথাটা সমস্ত ধর্মগ্রন্থে বার বার বিভিন্ন ভাবে এসেছে। সুরা সাবার ৩৯ আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, তুমি যা দান করবে আমি এর প্রতিদান অবশ্যই দেবো।

প্রভু যেহেতু বলেছেন তিনি অবশ্যই দিয়ে থাকেন। এখানে সন্দেহ করার কোনো সুযোগ নেই।

আমরা যা দান করি সেটা আবার ঘুরে আমাদের কাছে আসে। অর্থাৎ দানের রয়েছে প্রাকৃতিক প্রতিদান। আপনি যা পেতে চান তা-ই আগে দিতে হবে। অর্থ চাইলে অর্থ দিতে হবে। সম্মান পেতে হলে অন্যকে সম্মান করতে হবে। হাসিমুখ দেখতে হলে আগে নিজেকে হাসতে হবে। আসলে প্রকৃতিতে আমাদের কাজ, আচরণ, চিন্তা সবকিছুই জমা থাকে। আপনি যা-ই দেবেন প্রকৃতি শতগুণ তা আপনার দিকে ফিরিয়ে দেবে। আপনি যখন দান করবেন তখন সেখানে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়। প্রাকৃতিক আইন অনুসারে সে শূন্যতা পূরণের জন্যে চারপাশ থেকে প্রতিদানের প্লাবন আসতে শুরু করে। কারণ প্রকৃতি কখনো শূন্যতা রাখে না। যেভাবে বাতাসের শূন্যতা ঝড় সৃষ্টি করে, একইভাবে সৎ দান প্রতিদানের প্লাবন সৃষ্টি করে।
যত বিলিয়ে দেবেন তত সে শূন্যস্থান পূরণের জন্যে চারপাশ থেকে সৌভাগ্য আপনার দিকে আসতে থাকবে। যত যক্ষের মতো আকড়ে রাখবেন তত অভাববোধ ও নিরাপত্তাহীনতা বাড়তে থাকবে। কারও ভেতরে যদি অভাববোধ থাকে তবে সে অভাবের মধ্যেই থাকবে। যিনি দাতা অর্থাৎ যিনি দিতে পারে তার ভিতর আছে আছে অনুভূতি তৈরি হয়। তখন প্রকৃতি তাকে আছে আছে অবস্থাতেই রাখবে।

দানের ভূমিকা পাঁচটি-

প্রথমত, দান উপার্জনকে শুদ্ধ করে। কারণ উপার্জন করতে গিয়ে জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতসারে যে অন্যায় বা অতিরঞ্জন হয় দান সে অন্যায়কে কাটায়।

দ্বিতীয়ত, দান পাপ মোচন করে।

তৃতীয়ত, দান বালা-মুসিবত ও রোগ দূর করে।
এক যুবক একবার মুসা (আ) এর কাছে এসে বললো, যেন সে পশুপাখির ভাষা বুঝতে পারে। হযরত মুসা (আ) তাকে নিরুৎসাহিত করলেন। কিন্তু সে নানাভাবে আবেদন, নিবেদন করে বললো যে- এ জ্ঞান না শিখলে তার জীবন ব্যর্থ হয়ে যাবে এবং সমস্ত পশুপাখির ভাষা না হলেও অন্তত সে যেন তার গৃহপালিত পশু ও কুকুরের ভাষা বুঝতে পারে। অগত্যা মুসা (আ) আল্লাহকে বললেন। আল্লাহ তার প্রার্থনা মঞ্জুর করলেন।

বাড়িতে এসে যুবক তার জ্ঞান পরীক্ষা করা শুরু করলো। সকালবেলা গৃহকর্মী যখন দস্তরখান পরিষ্কার করছে সেখান থেকে একটা রুটির টুকরো পড়লো উঠানে। কুকুর দৌড়ে এসে রুটির টুকরো ধরার আগেই মোরগ সেটা নিয়ে গাছে ডালে উঠে গেল। কুকুর মোরগকে বোঝানোর চেষ্টা করলো যে, মোরগ পোকামাকড়, শস্যদানা খেতে পারে, কুকুর খেতে পারে না। তাই রুটির টুকরোটা যেন সে তাকে দিয়ে দেয়। মোরগ বলছে, একদিন কষ্ট কর, আগামীকাল মালিকের ছাগল মারা যাবে। তখন তুমি সেটার মাংস খেতে পারবে। যুবকটি শুনে ফেললো আর বাজারে গিয়ে ছাগলটিকে বিক্রি করে দিলো।

 

দ্বিতীয় দিনেও একই ঘটনা। দস্তরখান থেকে রুটির টুকরো পড়েছে, সেটা ঠোঁটে করে মোরগ গাছে উঠে পড়েছে, কুকুরও একই আর্জি করলো। মোরগ বললো, আজকের দিনটা কষ্ট কর। আজকে মালিকের গাধা মারা যাবে। গাধা যেহেতু ছাগলের চেয়ে বড় তাই তুমি বেশি মাংস খেতে পারবে। যুবকটি ভাবলো, মারা যেহেতু যাবেই তাহলে অন্যের ঘরে গিয়ে মরুক। তার ক্ষতি স্বীকার করার কী দরকার। যুবক তখন গাধাটিকেও বিক্রি করে দিলো। তৃতীয় দিনেও একই ঘটনা। মোরগ কুকুরকে সান্ত্বনা দিয়ে বললো, আজকে মালিকের ঘোড়া মারা যাবে। এই শুনে মালিক ঘোড়াকেও বিক্রি করে দিলো।

চতুর্থ দিন কুকুরের মেজাজ খারাপ। সে মোরগকে বললো, তোমার তিনটি ভবিষৎবাণীর কোনোটাই ঘটে নি। রুটি যদি না দিতে চাও তাহলে সরাসরি বলে দাও। খামোখা কেন মিথ্যা কথা বলছো। মোরগ বললো, সে মিথ্যা বলে নি। ঘটনা সত্যিই ঘটেছে। কুকুরকে সান্ত্বনা দিয়ে বললো আজকে কোনো অসুবিধা হবে না। কারণ মালিক নিজেই আজকে মারা যাবে। সে নিজেকে কোথায় নিয়ে গিয়ে বিক্রি করবে? এসব শুনে যুবক দিশেহারা হয়ে মুসার কাছে ছুটলো। মুসা বললো, দেখ আমার এখন কিছুই করার নেই। তোমার নিজের ক্ষতি তুমি নিজেই করেছো। তুমি ক্ষুদ্র লাভের জন্যে বৃহত্তর লাভকে জলাঞ্জলি দিয়েছো। তিনি যুবককে বললেন, ছাগলটি ছিলো তোমার গাধার সদকা। ছাগল মৃত্যুর ক্ষতি যদি তুমি স্বীকার করতে তাহলে গাধা বেঁচে যেত।
গাধা ছিলো ঘোড়ার সদকা। যখন গাধাও বিক্রি করে দিলে তখন ঘোড়ার পালা এলো। আর ঘোড়া ছিলো তোমার সদকা। ঘোড়াকেও যখন বিক্রি করে দিলে তখন তোমার নিজের জন্যে আর কোনো সদকা থাকলো না। এখন তুমিই তোমার সদকা হয়ে গেছ। যুবক মারা গেল। যেহেতু অনেক সম্পদশীল ছিলো তার আত্মীয়স্বজনরা ৪০ দিন ধরে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করলো। কুকুরের তখন আর খাওয়ার অসুবিধা হয় নি। আসলে একটি বিপদ মানে আপনাকে এ থেকে পরিত্রাণ পাবার জন্যে কিছু সদকা দিতে হবে। আপনি যদি এই সদকা না দেন তাহলে প্রকৃতি এটি অন্যভাবে পূরণ করবে যেখানে আপনার আর কিছুই করার থাকবে না। উপরন্তু আপনি যদি দিতে শেখেন, আগেই প্রকৃতিকে জমা রাখেন তাহলে আপনি যে কোনো বালা মুসিবত থেকে রক্ষা পেতে পারেন।

চতুর্থত, দান দারিদ্র বিমোচন করে ও দাতার অন্তরে তৃপ্তি প্রদান করে।

পঞ্চমত, দান সম্পদে বরকত আনে।
দানের বৈষয়িক সমৃদ্ধির একটি বিবরণ রয়েছে- মুসলিম শরীফে। এক লোক পাহাড়ে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছিলো। এমন সময় মেঘ এলো। মেঘের ওপর থেকে গায়েবী আওয়াজ এলো- অমুকের বাগানে পানি দাও, বৃষ্টি শুরু হলো। সে দেখলো নালা বেয়ে বৃষ্টির পানি একটা বাগানে ঢুকছে। সে গিয়ে ঐ বাগানের মালিককে জিজ্ঞেস করলো, তোমার নাম কী? নাম শুনে সে চমকে উঠলো। কারণ এই নামই সে গায়েব থেকে বলতে শুনেছে। সে তখন জিজ্ঞেস করলো, তুমি এমন কী কাজ করো যে প্রকৃতি তোমাকে পানি দিচ্ছে? সে বললো, আমি এই ক্ষেত থেকে যে সম্পদ উপার্জন করি, এই বাগান থেকে যে ফসল হয় তার তিন ভাগের একভাগ পরিবারের জন্যে ব্যয় করি, এক ভাগ এই বাগানে বিনিয়োগ করি, এক ভাগ দান করি। এজন্যেই হয়তো আল্লাহ আমাকে এভাবে সাহায্য করেন।

 

গবেষণায় দেখা গেছে উপার্জনের একটা লেভেল পর্যন্ত সুখ থাকে। তারপর যত উপার্জনই হোক না কেন সুখ আর থাকে না। অর্থাৎ টাকা দিয়েও সুখ কেনা যায় না।

এরপরে পাশ্চাত্য বিজ্ঞানীরা বললেন টাকা দিয়ে সুখ কেনা যায়। কিছু কর্মীকে বোনাস দেওয়া হলো এবং তাদের সুখের লেভেল মাপা হলো, কিছুদিন পর টাকা খরচ করার পরে আবার সুখের লেভেল মাপা হলো, কার কেমন সুখের লেভেল বেড়েছে? দেখা গেলো কারও কারও বেড়েছে আবার অনেকের বাড়ে নি। প্রশ্ন হলো টাকাটা কী করে খরচ হলো? জানা গেল যারা টাকা খরচ করে আত্নীয়স্বজনদের কিছু দিয়েছে তারা আগের চেয়ে তৃপ্ত। আর যারা কাউকে কিছু না দিয়ে শুধু নিজের জন্যে খরচ করেছে তাদের কোন তৃপ্তি নেই সুখের লেভেল আগের মতোই রয়েছে।

দানের ব্যাপারে আমাদের প্রধান অবিদ্যা হলো আমরা মনে করি শুধু ধনীরাই দান করবে। অর্থাৎ দানের ক্ষেত্রে আমরা মনে করি, বড় অঙ্কের দানই দান, ছোট দান দান নয়। আপনার যা আছে যতটুকু আছে তা থেকেই দান করতে হবে। নবীজী বলেছেন, তোমার কাছে থাকা একটি খেজুরের একাংশ হলেও দান করো। স্ব-উপার্জন থেকে দান করুন। আয় না থাকলে ব্যয় কমিয়ে দান করুন। আমরা অনেক সময় মনে করি, বিপদে পড়লে দান করতে হয়। স্রষ্টার কাছে পছন্দনীয় হচ্ছে নিয়মিত দান। নিয়মিত দান আপনাকে অনেক বিপদ থেকে মুক্ত করে।

 

শেষ বিচারের দিনে তারাই আরশের ছায়ায় থাকবেন যারা গোপনে দান করেন। অর্থাৎ তার ডান হাত যে দান করেছেন বাম হাত তা জানতো না।

সাফল্য ও প্রাচুর্য নিশ্চিত করতে হলে আপনার যা আছে সেখান থেকেই দান করতে হবে এবং অন্যকে দানে উৎসাহিত করতে হবে। এ প্রসঙ্গে সূরা মাউনে আল্লাহ বলেছেন, যারা বিশ্বাসী নয় তারা মিসকিনদের খাবার দেয়ার ব্যাপারে লোকদের উদ্বুদ্ধ করে না। এখানে নিজেরা দেয় না সে কথা বলা হয় নি বরং বলা হয়েছে অন্যদেরকে উদ্বুদ্ধ করে না। কোরআনে আরো বলা হয়েছে, রিজিক সংকুচিত হওয়ার একটি প্রধান কারণ হচ্ছে, নিজে দান না করা এবং অন্যকে দানে উৎসাহ না দেয়া।

তাই নিজে নিয়মিত দান করুন এবং পরিবারের ছোটো-বড়ো সবাইকে টাকা রাখতে উদ্বুদ্ধ করুন। দেখবেন নিয়মিত দানের মাধ্যমে সমৃদ্ধি ও প্রাচুর্যের পথে আপনি এগিয়ে যাচ্ছেন। ধীরে ধীরে মুক্ত হচ্ছেন আপনার জীবনের সকল ক্ষতি ও অকল্যাণ থেকে।

১/৪/২০১৭/৩০/তৌ/আ