ডাকাতি করার পরিকল্পনা আটক করা ডিবিদের…

ডেস্ক রিপোর্ট, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

ঈদ উল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর অভিজাত এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিয়েছিল র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার নকল ডিবি সদস্যরা।রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‍্যাব-২ এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল ইফতেখারুল মাবুদ।

তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত ভুয়া ডিবি সদস্যরা ঈদকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজধানীতে মিলিত হয়েছিল। ঢাকার বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় ডাকাতির পরিকল্পনা ছিল তাদের। ডাকাতির প্রস্তুতির সময় তাদেরকে ধানমন্ডির সোবহানবাগ এলাকা থেকে আটক করা হয়।

গত মাসে টাঙ্গাইলে একটি মোটরসাইকেল ছিনতাই করে তারা। ঈদ উপলক্ষ্যে ঢাকায় আসলেও বড় ধরনের কোনো ছিনতাইয়ের আগেই তাদেরকে আটক করা হয় বলে জানান লে. কর্ণেল ইফতেখারুল মাবুদ।

তিনি আরো জানান, কাগজপত্র দেখার নাম করে রাস্তায় প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল থামিয়ে ছিনতাই করতো ভুয়া ডিবি পুলিশের এই সদস্যরা। কখনো কখনো সুবিধামত গাড়ি ও মোটরসাইকেল ছিনতাই করে পালিয়ে যেতো। এছাড়া বিভিন্ন বাড়িতে ডিবি পরিচয়ে ঢুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতি, রাস্তা থেকে কোনো ব্যক্তিকে অপহরণ করে চাঁদা আদায়সহ বিভিন্ন অপকর্ম করত চক্রটি।

শুক্রবার দিবাগত রাতে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ওই চক্রের আট সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-২। তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগজিন, একটি চাপাতি, ৬ টি ডিবির জ্যাকেট, হাতকড়া, ওয়াকিটকি এবং একটি মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- জুয়েল হোসেন ওরফে জুয়েল রানা (২৭), হেমায়েত হোসেন ওরফে বিডিআর হেমায়েত ওরফে জসীম উদ্দিন (৫১), শেখ নাফিজ ওরফে শহর আলী (২৮), ফরিদুল ইসলাম ফরিদ (২৯), মোরশেদুল ইসলাম খান (৩৯), মোহাম্মদ আলী (৩২), আইয়ূব খান (২৫) ও স্বপন সরকার (৩৬)।

লে. কর্ণেল ইফতেখারুল মাবুদ জানান,  জুয়েল এই চক্রের নেতা এবং হেমায়েত তার সহকারী হিসেবে কাজ করতো। এর আগে বিভিন্ন প্রতারণার দায়ে দেশের বিভিন্ন থানায় জুয়েলের নামে চারটি, হেমায়েতের নামে ৮টি ও আইয়ূবের নামে ৬টি মামলা রয়েছে।

র‍্যাব-২ এর অধিনায়ক আরো জানান, তারা জেলখানায় গিয়ে একজন অন্যজনের মাধ্যমে পরিচিত হয়ে এই চক্রে জড়িত হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মাইক্রোবাসটির মালিক আসলাম নামের একজন। অভিযানের সময় কৌশলে সে পালিয়ে যায়।

১৮-০৬-১৭-০০-৮০-ই-খ-প্র