টাইগারদের ভাগ্য নির্ধারন আজ…

ডেস্ক রিপোর্ট , বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

অবশেষে ক্রিকেটারদের মাসিক বেতন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আর সব কিছু ঠিক মত চললে হয়তো শনিবার বিকেলের মধ্যেই বেতন বাড়ার সুখবর পেতে পারেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা।

শনিবার বোর্ড পরিচালক পর্ষদের সভার অন্যতম আলোচ্যসূচি এটা। জাতীয় দল পরিচর্যা-পরিচালনা এবং তত্বাবধান যে কমিটির ওপর ন্যাস্ত, সেই ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি চেয়ারম্যান আকরাম খান আগেই জানিয়ে রেখেছেন ক্রিকেটারদের বেতন বাড়ছে নিশ্চিত। তবে কি হারে এবং কত টাকা করে বাড়বে? তা বোর্ড পরিচালক পর্ষদের সভায় ঠিক হবে।

জানা গেছে, ক্রিকেটারদের বেতন বাড়াতে বোর্ড প্রধান নাজমুল হাসান পাপনসহ অন্য শীর্ষ কর্তা ও পরিচালকরাও নীতিগতভাবে রাজি। বোর্ডের অভ্যন্তরে গড় পড়তা ৩০% বেতন বাড়ানোর চিন্তা ভাবনা চলছে। আর বোর্ডের উচ্চ পর্যায়ের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছেন প্রতি ক্যাটাগরিতে ৩০% বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব আছে ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি থেকে।

সে ক্ষেত্রে এ+ ক্যাটাগরির ক্রিকেটারদের মাসিক বেতন বেড়ে সাড়ে তিন থেকে চার লাখ টাকার ভেতরে হবার সম্ভাবনা প্রবল। তার মানে এ ক্যাটাগরির বেতন দাঁড়াবে আড়াই থেকে তিন লাখ। বি ক্যাটাগরির হবে দুই লাখের বেশি। সি ক্যাটাগরির ক্রিকেটাররাও তখন দেড় লাখের ওপরে পাবেন। আর ডি ক্যাটাগরির ক্রিকেটারদের বেতনও হবে সর্বনিম্ন এক লাখ করে।

বেতন বাড়ার সাথে থাকছে লোভনীয় বোনাস ও আরো অনেক সুবিধা। বাড়বে ক্রিকেটারদের উইনিং বোনাসের পরিমাণও।

আইসিসি টেস্ট র‍্যাংকিংয়ের ১-৩ নম্বর দলকে হারাতে পারলে বোনাস পাবে ৪ হাজার ডলার (পূর্বে ছিল ৩ হাজার ডলার)। ৪-৬ নম্বর দলকে হারাতে পারলে বোনাস পাবে ৩ হাজার ডলার (পূর্বে ছিল ২ হাজার ডলার)। শেষ তিন দলকে হারাতে পারলে বোনাস পাবে আড়াই হাজার ডলার (পূর্বে ছিল দেড় হাজার ডলার)।

আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাংকিংয়ের ১-৩ নাম্বার দলকে হারাতে পারলে বোনাস পাবে আড়াই হাজার ডলার (পূর্বে ছিল দেড় হাজার ডলার)। ৪-৬ নাম্বার দলকে হারাতে পারলে বোনাস পাবে দুই হাজার ডলার (পূর্বে ছিল এক হাজার ডলার)। শেষ তিন দলকে হারাতে পারলে বোনাস পাবে এক হাজার ডলার (পূর্বে ছিল ৭০০ ডলার)।

অন্যদিকে, টি-টোয়েন্টিতে যে কোনো দলকে হারাতে পারলে বোনাস পাবে দেড় হাজার ডলার (পূর্বে ছিল এক হাজার ডলার)। এছাড়া, ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় ও সিরিজ সেরা খেলোয়াড়রা পাবেন আলাদা বোনাস। পাশাপাশি তিন ফরম্যাটের অধিনায়ক প্রতি মাসে আলাদা করে পাবেন ২০ হাজার এবং সহ-অধিনায়ক ১০ হাজার টাকা।

এর আগে, গত ৯ এপ্রিল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় দলের পারিশ্রমিক নিয়ে খানিক অসন্তোষ প্রকাশ পায় টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকের কণ্ঠে, ‘ঘরোয়া ক্রিকেট লিগ যেমন প্রিমিয়ার লিগ ও বিপিএল দিয়ে খেলোয়াড়রা আর্থিকভাবে বেশি লাভবান হয়। আন্তর্জাতিক সূচির কারণে বছরের ৯-১০ মাসই ব্যস্ত থাকি। তাই ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের জন্য শুধু জাতীয় দলই নয়, প্রত্যেক খেলোয়াড়ই মুখিয়ে থাকে। ঘরোয়া লিগের মতো জাতীয় দলেও যদি এমন পারিশ্রমিক পেতাম তাহলে অবশ্যই ভালো হতো।’

২২/৪/২০১৭/১৮০/ই/খ/প্র/