ছোলা কেন এবং কিভাবে খাবেন…

ডেস্ক রিপোর্ট, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

ছোলা আমাদের দেশের অতিপরিচিত একটি ডাল। এটি কাঁচা ও রান্না দু’ভাবেই খাওয়া যায়। রমজান মাসে এই ছোলাভুনা ছাড়া আমাদের ইফতার যেন অনেকটাই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। মুড়ি, পিঁয়াজু, বেগুনি, আলুর চপের সঙ্গে ছোলাভুনা মিলিয়ে না খেলে ইফতারকে ঠিক যেন ইফতারই মনে হয় না!

তবে শুধু রোজাই নয়, আজকাল অনেকে সব সময়েই ছোলা খেয়ে থাকেনই। ছোলায় অনেক পুষ্টি রয়েছে। তাই স্বাস্থ্য সচেতনতায় সারাবছর আপনিও খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন এই শস্যটি।

ছোলা আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস। ছোলায় আমিষের পরিমাণ মাংস বা মাছের আমিষের পরিমাণের প্রায় সমান। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় আছে প্রায় ১৭ গ্রাম আমিষ বা প্রোটিন, ৬৪ গ্রাম শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট এবং ৫ গ্রাম ফ্যাট বা তেল।

ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইডেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তাই খাওয়ার পর খুব তাড়াতাড়িই হজম হয়ে গ্লুকোজ হয়ে রক্তে চলে যায় না। বেশ সময় নেয়। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভালো। ছোলার ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগই পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়।

প্রোটিণ, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট ছাড়া ছোলায় আরও আছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ লবণ। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় ক্যালসিয়াম আছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ও ভিটামিন এ ১৯০ মাইক্রোগ্রাম। এ ছাড়াও আছে ভিটামিন বি-১, বি-২, ফসফরাস ও ম্যাগনেশিয়াম। এসবই শরীরের জন্য কাজে লাগে।

ছোলায় খাদ্য-আঁশও আছে বেশ। এ আঁশ কোষ্ঠ কাঠিন্যে উপকারী। খাবারের আঁশ হজম হয় না। এভাবেই খাদ্যনালী অতিক্রম করতে থাকে। তাই পায়খানার পরিমাণ বাড়ে এবং পায়খানা নরম থাকে। এতে কোষ্ঠ কাঠিন্য দূর হয়। পায়খানা করা সহজ হয়। নিয়মিত পায়খানা হয়ে যায় বলে ক্ষতিকর জীবাণু খাদ্যনালীতে থাকতে পারে না। ফলে খাদ্যনালীর ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা কমে।

আজিজ হৃদয় ১২-০৬-১৭-০০-১২০