চায়ের সাথে কেন বিস্কুট নয়, মুড়ি খাবেন….

নূরজাহান নীরা, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

চায়ের সাথে টা মানেই কি বিস্কুট? জানেন কি, বেশি বিস্কুটে মোটা হওয়া থেকে ডায়াবেটিস পর্যন্ত হতে পারে? বিস্কুটের বদলে মুড়ি খান। কারণ মুড়ি মেদ কমায়। বিস্কুট মানেই ময়দা। তৈরির সময় ভিটামিনের দফারফা। ফাইবার কমে যাওয়ায় কোষ্ঠকাঠিন্য। ধীরে ধীরে ওজন বাড়তে থাকা।

এছাড়া অধিক পরিমাণে ট্রান্স ফ্যাট থাকে বিস্কুটে। শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল বাড়তে থাকে। ওজন বাড়ে। অ্যাগ্রেশন বাড়তে থাকে। ডায়াবেটিস এবং হার্টের রোগের সম্ভাবনা বাড়তে থাকে।

বিস্কুটে মিষ্টির পরিমাণ প্রচুর। প্রতিদিন চায়ের সাথে যদি বিস্কুট খান, তাহলে ওবেসিটি নিশ্চিত। হঠাত্ৎ বাড়িয়ে দেয় ব্লাড সুগার লেভেল। এমনটাই বলছেন চিকিৎসকরা।

নিয়মিত বিস্কুট খাওয়ার কারণে শিশুদের অ্যালার্জি হতে পারে। চিনির পরিমাণ বেশি থাকার কারণে দাঁতের ক্ষতি হতে পারে।

তাহলে উপায়? বদলাতে হবে চায়ের সাথে টায়ের সংজ্ঞা। বিস্কুটের বদলে মুড়ি খান। প্রচুর উপকার। এমনটাই বলছেন চিকিৎসকরা। কম ক্যালরির পেট ভরানোর খাবার মানেই মুড়ি। যাদের বার বার খিদে পায়, অথচ সারাদিনে বেশিরভাগ সময়ে অফিসে বা বাড়িতে বসে কাজ করার জন্য শরীরে ক্যালরির চাহিদা কম, তাদের জন্য লাঞ্চ ও ডিনারের মাঝখানে বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে মুড়ি হতে পারে আদর্শ খাবার।

– এক কাপ অর্থাৎ ১৪ গ্রাম মুড়িতে রয়েছে ৫৬ ক্যালরি। কার্বোহাইড্রেটস ১২.৬ গ্রাম, প্রোটিন ১ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ০.১ গ্রাম, ফাইবার ০.২ গ্রাম, পটাসিয়াম ১৬ মিলিগ্রাম, আয়রন ৪.৪৪ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ৪ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১৪ মিলিগ্রাম, থিয়ামাইন ০.৩৬ মিলিগ্রাম এবং নিয়াসিন ৪.৯৪ মিলিগ্রাম।

– ওজন কমাতে সাহায্য করে মুড়ি।

– সোডিয়ামের পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকার কারণে ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণ করে।

– অনেকটা পানি টেনে নেয় বলে পেট ভরে থাকে দীর্ঘক্ষণ।

– পেটের গোলমালে শুকনো মুড়ি বা পানিতে ভেজা মুড়ি খেলে উপকার।

– ভিটামিন বি ও মিনারেল প্রচুর পরিমাণে থাকার কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমায়।

তাই সকাল-সন্ধ্যা চায়ের সাথে বিস্কুট নয়, মুটিয়ে যেতে না চাইলে আরো বেশি মুড়ি খান।

৩০/৪ /২০১৭/১০০/