কেন খাবেন কাচা আম…

ডেস্ক রিপোর্ট ,বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

প্রকৃতিতে এখন গ্রীষ্মকাল। গাছে গাছে প্রচুর কাঁচা আম। এখনই কাঁচাVegetable Market. আম খাবার উৎকৃষ্ট মৌসুম। কাঁচা আম জুস হিসেবে খাওয়া খুবই উপকারী। একটু লেবু, লবন ও ধনেপাতা দিয়ে খুব সহজেই ব্লেন্ডারে বানানো যায় কাঁচা আমের জুস। জুস ছাড়াও কাঁচা আম খেতে পারেন অনেকভাবে। আসুন জেনে নেয়া যাক কাঁচা আমের কিছু যাদুকরী ক্ষমতা সম্পর্কে-

দেহগঠন করে কাঁচা আম
কাঁচা আম শরীরের অতিরিক্ত ক্ষতিকর পানি থেকে দেহকে রক্ষা করে এবং শরীরের তৃষ্ণা মেটায়। প্রচণ্ড গরমে শারীরিক সতেজ রাখে কাঁচা আমের জুস। এটি ভিটামিন-সি এর সমৃদ্ধ উৎস। খাবারটি মনোবল উন্নত করে ও রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে।

প্রচুর ভিটামিন সি
কাঁচা আমে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি, যা রক্তনালীর স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায় এবং নতুন রক্ত কোষ গঠনে সাহায্য করে। যক্ষা, রক্তস্বল্পতা, কলেরাসহ বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে কাঁচা আম।

ঘামাচি সারাতে অব্যর্থ
কাঁচা আমের সঙ্গে চিনি, জিরা ও একটু লবণ মিশিয়ে সেদ্ধ করে জুস করে খেলে তা ঘামাচি রোধ করতে সাহায্য করে।কাঁচা আমের আশ্চর্য গুণাগুণ

গরমকালে রোগ প্রতিরোধ
কাঁচা আমে আছে প্রচুর পেক্টিন। তাই কাঁচা আমের সাথে মধু ও লবণ দিয়ে মিশিয়ে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগের চিকিৎসা করা হয়। এটি গ্রীষ্মকালীন ডায়রিয়া, আমাশয়, পাইলস, বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য রোগের জন্য ওষুধ হিসেবে খুবই কার্যকর। যকৃতের রোগ চিকিত্সায় সাহায্য করে কাঁচা আম। এটি পিত্ত অ্যাসিড কমায় এবং ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ থেকে লিভারকে রক্ষা করে।

প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
কাঁচা আমে রয়েছে পাকা আমের তুলনায় অনেক বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে শরীরকে রক্ষা করে।

মর্নিং সিকনেস কাটাতে
কাঁচা আম মর্নিং সিকনেস কাটাতে অত্যন্ত কার্যকর।

ভেষজ গুণে ভরপুর
কাঁচা আমের ভেষজ গুণ ক্যান্সার, আলসার ও যকৃতের প্রদাহসহ বিভিন্ন জটিল রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে।
কাঁচা আমের আশ্চর্য গুণাগুণ
প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা আমে আছে
২ গ্রাম আঁশ, ৪৪ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি, প্রোটিন ২০.১ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১০ মিলিগ্রাম, আয়রন ৫.১ মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি১ ১-০.০৪ মিলিগ্রাম, ভিটামিনবি২ ০.০১ মিলিগ্রাম, ভিটামিন সি ৩ মিলিগ্রাম ও ক্যারোটিন ৯০ গ্রাম।

২/৪/২০১৭/২৮০/তৌ/আ/