কমেই চলেছে মাছ রপ্তানি আয়…

ডেস্ক রিপোর্ট, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

বাংলাদেশের সামগ্রিক রপ্তানি আয় কমার সাথে সাথে গত কয়েকবছর ধরে অব্যাহতভাবে কমছে মাছ রপ্তানি আয়। এবছর হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি আয় ৩ দশমিক ১০ শতাংশ কমেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে, চলতি অর্থবছরের (২০১৬-১৭) প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি খাতে আয় হয় ৩৫ কোটি ৭৯ লাখ ৫০ হাজার ইউএস ডলার (২ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা)। এর মধ্যে শুধু ফেব্রুয়ারি মাসেই এ খাতে আয় হয় দুই কোটি ৮৮ লাখ ডলার বা ২২৮ কোটি টাকা। এ ছাড়া শুধু চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৩০ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার ডলার (২ হাজার ৪২১ কোটি টাকা), যা এ সময়ের হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪১ শতাংশ। সূত্র জানায়, চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ রপ্তানিতে দুরবস্থা কয়েকবছর ধরে অব্যাহত রয়েছে। গত অর্থবছরের (২০১৫-১৬) প্রথম তিন মাসে তার আগের অর্থবছরের (২০১৪-১৫) একই সময়ের চেয়ে রপ্তানি আয় কমে ৩৭ শতাংশ। বিগত অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে মাছ রপ্তানি থেকে আয় হয় ৯৩৮ কোটি টাকা। অথচ তার আগের অর্থবছরের একই সময়ে আয় হয়েছিল প্রায় ১ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। এ সময়ে মাছ রপ্তানি কমে ৫৫২ কোটি টাকা। এর মধ্যে জীবিত মাছ রপ্তানি কমে ৯৯ শতাংশের বেশি। এসময় সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হওয়া চিংড়িতেও বিপর্যয় নামে। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরের প্রথম তিন মাসে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে চিংড়ি রপ্তানি কমে প্রায় ৩৯ শতাংশ। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে মাছ রপ্তানিতে আয় হয় ৪ হাজার ৪৩৭ কোটি টাকা। তার আগের অর্থবছওে (২০১৩-১৪) আয় হয়েছিল ৪ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ৫ মাসে শুধু মাছ রপ্তানি করে আয় হয়েছে ১৩ লাখ ৮০ হাজার ডলার। যা তার আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ কম।

২১-০৫-২০১৭-০০-২০-২১-মাহামুদ হাসান তাহের