এশিয়ার মধ্যে সেরা স্টেডিয়াম কক্সবাজারে…

ডেস্ক রিপোর্ট, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

কক্সবাজার সমুদ্রের কোল ঘেঁষে ৪৮ একর জায়গা নিয়ে শেখ কামাল ক্রিকেট স্টেডিয়াম শুধু বাংলাদেশে নয়, এশিয়ার মধ্যে সেরা স্টেডিয়ামে পরিণত হবে। কক্সবাজারের মনোরম পরিবেশের সাথে ক্রিকেটের জমজমাট লড়াই উপভোগ করতে  কক্সবাজার স্টেডিয়াম হতে পারে পর্যটকদের জন্য উপযুক্ত জায়গা। এখানে মিডিয়া সেন্টার, ডরমেটরি, অ্যাকাডেমি ভবন, জিম, সুইমিংপুল নির্মাণ হবে। এই মাঠে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজন করা হলে বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প অনেক এগিয়ে যাবে।

বিসিবি কর্তৃপক্ষ আশা করছেন, এখানে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করলে ব্যাপক সাড়া পড়বে এবং মাঠ দর্শক পূর্ণ থাকবে। কক্সবাজারের এই মাঠ সারা বিশ্বে ব্যাপক পরিচিতি পাবে। এখানের দুইটি মাঠেই আধুনিক ড্রেনেজ সিস্টেমের ব্যবস্থা করা হবে।মাঠ তিন-চার ফিট উপরে উঠানো হবে। জিমনেশিয়াম, সুইমিং পুলের ব্যবস্থা থাকবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা অন্য কোন দেশে গেলে যে ধরনের পরিবেশ থাকে, তেমন কিছুই এখানে করার চেষ্টা কর‍া হচ্ছে। এখানে মূল মাঠের সঙ্গে রয়েছে দুটি একাডেমি মাঠ ও একটি প্যাভিলিয়ন। সমুদ্রসৈকতে দৃষ্টিনন্দন এই ক্রিকেট স্টেডিয়াম যে কারও মন ছুঁয়ে যাবে। এই স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বসেই ক্রিকেট খেলা দেখার পাশাপাশি সমুদ্র দর্শনে দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা মুগ্ধ হবেন।

জানা যায়, শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম (ইংরেজি ভাষায়: Sheikh Kamal International Stadium), যেটি কক্সবাজার ক্রিকেট স্টেডিয়াম নামে স্থানীয়ভাবে পরিচিত। এটি যেন মনোরম নৈসর্গিক পরিবেশ। এটি নির্মাণ করা হচ্ছে কক্সবাজার গলফ কোর্স থেকে ইজারা নেওয়া জায়গার উপর। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে স্টেডিয়ামের দিকে মানুষদের আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে এটি ভূমিকা রাখবে। কক্সবাজারের সাগরপাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই স্টেডিয়াম নিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মহাযজ্ঞ পরিকল্পনা শীঘ্রই সম্পূর্ণরুপে বাস্তবায়িত হবে।এখানে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করা থেকে শুরু করে সৌন্দর্য বর্ধনের সব ধরণের পরিকল্পনা নেয়া আছে বিসিবির। অবকাঠামোগত উন্নয়নে বেশ ভালোভাবে নজর আছে তাদের।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে নির্মাণ করা শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পাশেই সুবিস্তৃত সৈকত। প্রথমে চোখ দিলে অবশ্য সারিসারি ঝাউবনই চোখে পড়বে। ঝাউবন পেরিয়েই সৈকত। সবমিলিয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের সুযোগ হলে এই ক্রিকেট স্টেডিয়ামটিও হতে পারে পর্যটকদের কাছে উদাহরণের ভেন্যু। কক্সবাজার স্টেডিয়ামের কমপ্লেক্সের দুই পাশে দুটি পুকুর আছে। এর একটি কিছুদিন পরই সুইমিং পুলে পরিণত হবে। অন্যটির অবকাঠামো সুবিধা দিয়ে সাধারণ দর্শকদের জন্য বরাদ্দ রাখা হবে। ম্যাচ চলাকালে সেখানে ছোট ছোট নৌকা রাখা হবে। পুকুরের চারপাশের সৌন্দর্য্য বাড়াতে ৪০০ নারিকেল গাছের চারা ইতোমধ্যেই লাগানো হয়েছে। সমুদ্রের গর্জন আর সবুজের সমারোহে ক্রিকেটটাও এখানে বেশ জমবে এমনই বিশ্বাস সবার।
১৬/৫/২০১৭/০-১৯০-১৭/অ/হা/