উদ্ধার ভিডিও ফুটেজ বনানী ধর্ষণের…

ডেস্ক রিপোর্ট, বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম

বনানীর রেইনট্রি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ভিডিও ফুটেজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মামলার প্রধান আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ সেলিমের ছেলে সাফাত আহমেদের মোবাইল ফোন থেকে এই ভিডিও ফুটেজ উদ্ধার হয়েছে।

সাফাতের গাড়িচালক বিল্লালের মোবাইল ফোন থেকে দুই শিক্ষার্থীর ধর্ষণের চিত্র নিজের মোবাইলে নিয়েছিল সাফাত। এ ঘটনায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করার চিন্তাভাবনা করছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

সাফাতের মোবাইল ফোন থেকে ভিডিও ফুটেজ উদ্ধারের খবর জানিয়ে মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, গাড়ি চালক বিল্লাল দ্য রেইনট্রি হোটেলের ৭০১ নম্বর কক্ষের বাথরুম থেকে মোবাইল ফোন দিয়ে ধর্ষণের দৃশ্য ভিডিও করে। বাথরুমের দেয়ালের কাঁচের রুমের দিক থেকে কিছুই দেখা যাবে না। কিন্তু বাথরুম থেকে দেয়ালের কাঁচ দিয়ে রুমের ভিতরের সব কিছু দেখা যায়। ভিডিও করার পর সাফাত তার মোবাইল ফোনে ঐ ফুটেজ নিয়ে নেয়। ঘটনার কয়েকদিন পর সাফাত তার দেহরক্ষী রহমত আলীকে ঐ দুই ছাত্রীর বাসায় পাঠিয়েছিলেন। দুই ছাত্রীর পারিবারিক বিষয়ে খোঁজ নেয়ার জন্য সাফাতের নির্দেশে এ কাজ করেছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে রহমত আলী জানান। গাড়ি চালক বিল্লাল এই মামলার চার দিনের রিমান্ডে আছেন। গতকাল তার রিমান্ডের তৃতীয় দিন শেষ হয়েছে। এই মামলায় সাফাতের দেহরক্ষী রহমত আলীর ৩ দিনের রিমান্ড গতকাল শেষ হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের উপকমিশনার (ডিসি) ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, আদালতের নির্দেশে রিমান্ডে থাকা আসামি নাঈম, বিল্লাল ও রহমত আলীকে (আজাদ) জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। নাঈম প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেই ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেছে।

সূত্র জানায়, মামলার প্রধান দুই আসামি সাফাত ও সাদমান ইতিমধ্যে ধর্ষণের ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বিল্লালের মোবাইল ফোনে ধারণ করা ফুটেজের কিছু তথ্য উদ্ঘাটন করা গেছে। রেইনট্রি হোটেল থেকে উদ্ধার করা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই করেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে সিআইডি। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে।

২০/৫/২০১৭/০-২০-২০/তৌহিদ আজিজ/