সেপ্টে. 24

বছরে ৩০ কোটি টাকার ঘুষ বন্দরে : নতুনধারার পদক্ষেপ দাবী

শায়লা আরেফিন
মোংলা কাস্টমসে আমদানি পণ্য খালাসে বিল অব এন্ট্রি প্রতি ৩৫ হাজার ৭০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। আর বুড়িমারী শুল্ক স্টেশনে ১ হাজার ৭৫০ টাকা থেকে আড়াই হাজার টাকা দিতে হয়।

মূলত রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে এ দুই কাস্টমস-বন্দরে দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে। আমদানি-রফতানি পণ্যের কাগজপত্র সঠিক থাকলেও কাস্টমস-বন্দর কর্মকর্তাদের ঘুষ দিতে বাধ্য হন ব্যবসায়ীরা। শুধু তাই নয়, উদ্ভিদ সংঘ নিরোধ কেন্দ্র, বন্দর শ্রমিক, ক্রেন অপারেটর, পরিবহন শ্রমিকসহ ঘাটে ঘাটে টাকা না দিলে পণ্য খালাসে বিলম্ব হয়। বছরে প্রায় ৩০ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেন হয় এই দুই বন্দর ও কাস্টমসে।

গত এক বছর গবেষণা চালিয়ে এই ঘুষ-দুর্নীতি ও অবৈধ লেনদেনের তথ্য উদ্ঘাটন করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্য ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

ঘুষ-দুর্নীতি রোধে প্রতিবছর দুই কাস্টমস-বন্দরে কর্মকর্তা-কর্মচারীর আয় ও সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করাসহ আট দফা সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

রোববার ধানমণ্ডিতে টিআইবির সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে ‘বুড়িমারী স্থলবন্দর ও শুল্ক স্টেশন এবং মোংলা বন্দর ও কাস্টমস হাউস: আমদানি- রফতানি প্রক্রিয়ায় সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

দুই কাস্টমস ও বন্দরের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উভয় বন্দর ও কাস্টমসে সেবা প্রদানে প্রায় শতভাগ ক্ষেত্রেই নিয়মবহির্ভূতভাবে অর্থ আদায় হয় এবং রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা ঘটছে। এসব বন্ধে প্রয়োজনীয় কাঠামো ব্যবস্থা থাকলেও তা প্রয়োগে ঘাটতি আছে। সার্বিকভাবে দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ ঘটছে, যা নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক সদিচ্ছার ঘাটতি রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ক্রমাগতভাবে মোংলা ও বুড়িমারী বন্দরের গুরুত্ব বাড়ছে। উভয় বন্দরে ইতিবাচক কিছু পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু উভয় ক্ষেত্রে দু’ধরনের দুর্নীতি হচ্ছে।

প্রথমত, যোগসাজশে দুর্নীতি। অর্থাৎ ব্যবসায়ী ও বন্দর- কাস্টমস কর্মকর্তাদের যোগসাজশের মাধ্যমে। দ্বিতীয়ত, বলপূর্বক দুর্নীতি। উভয় বন্দরেই এ ধরনের শতভাগ দুর্নীতি বিরাজমান। এটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে।

তিনি বলেন, দুই বন্দরেই অটোমেশন হয়েছে। অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সফটওয়্যার ব্যবহৃত হচ্ছে। কিন্তু তারপরও দুর্নীতি হচ্ছে। যেমন একজন ব্যবসায়ী অথবা তার প্রতিনিধিকে অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ডে তথ্য দেয়ার পরও অনেক ধাপ অতিক্রম করতে হয়। তথ্যের প্রিন্ট কপি নিয়ে টেবিলে টেবিলে যেতে হয়। অর্থাৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বন্দরগুলোতে যারা দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে আছেন তাদের একাংশের সঙ্গে দুর্নীতিবাজরা জড়িত। সেটা কর্তৃপক্ষেরও অজানা নয়। কর্তৃপক্ষ দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে শুধু সদিচ্ছাই যথেষ্ট। এ ক্ষেত্রে যারা দুর্নীতিতে জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং অটোমেশনের আওতা বাড়াতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন টিআইবির উপদেষ্টা ড. সুমাইয়া খায়ের, পরিচালক (পলিসি অ্যান্ড রিসার্স) রফিকুল হাসান ও পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) শেখ মনজুর-ই-আলম প্রমুখ।

মোংলায় বছরে অবৈধ লেনদেন ২০ কোটি ৩০ লাখ টাকা : মোংলা বন্দর ও কাস্টমসের দুর্নীতির প্রতিবেদন তুলে ধরেন টিআইবির ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার খোরশেদ আলম। তিনি বলেন, মোংলা বন্দরে শতভাগ পণ্য কায়িক পরীক্ষা করা হয়। এ ছাড়া আমদানি পণ্যের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ১৬টি এবং রফতানি পণ্যের ক্ষেত্রে ১২টি ধাপে নথি যাচাই-বাছাই ও অনুমোদন করতে হয়। বন্দর থেকে মোংলা কাস্টম হাউসের অবস্থান ৫৩ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে, যা দুর্নীতিকে উৎসাহিত করছে। পাশাপাশি অবকাঠামো ও জনবলের অভাব রয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমদানি পণ্য খালাস করতে ৮ ধাপে বিল অব এন্ট্রিপ্রতি পিয়ন থেকে শুরু করে সহকারী কমিশনার পর্যন্ত ৩৫ হাজার ৭০০ টাকা নিয়মবহির্ভূতভাবে লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১০০ টাকা পায় পিয়ন এবং সহকারী কমিশনার নেয় ৫ হাজার টাকা।

অন্যদিকে শুল্কায়নের পর বন্দর থেকে পণ্য খালাস নিতে গেলে বন্দরের ২০ ধাপে ৬ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে। আর বিকাল ৫টার পর পণ্য খালাস নিতে গেলে ৭ হাজার ২০০ টাকা দিতে হয়। শুধু তাই নয়, জাহাজ জেটিতে ভেড়াতে ও বের করতে কাস্টমস-বন্দর কর্তৃপক্ষকে ঘুষ দিতে হয়। কাস্টম হাউস ৭ ধাপে ৮ হাজার ৩৫০ টাকা ঘুষ নেয়। আর বন্দর ৯ ধাপে ২১ হাজার টাকা নিয়মবহির্ভূতভাবে অর্থ আদায় করে।

রিকন্ডিশনড গাড়ি আমদানি মোংলা বন্দরের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস। সেখানেও ঘুষ দিতে হয়। আমদানি করা গাড়ি শুল্কায়নের ক্ষেত্রে কাস্টম হাউসে নিয়মবহির্ভূতভাবে ৪ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। এর মধ্যে নোটিং করতে ২৫০ টাকা, কায়িক পরীক্ষায় ৮০০ টাকা, অ্যাসেসমেন্ট ১৬শ’ টাকা, আউট পাস শাখায় ৪৫০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এই গাড়ি বন্দর দিয়ে বের করার সময় বন্দরের ১০ ধাপে ১ হাজার ৭১৫ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এভাবে সব মিলিয়ে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে মোংলা কাস্টম হাউস ও বন্দরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০ কোটি টাকা ঘুষ আদায় করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বুড়িমারীতে ঘুষ ৯ কোটি টাকা : টিআইবির প্রোগ্রাম ম্যানেজার মনজুর-ই খোদা প্রতিবেদন উপস্থাপন করে বলেন, আমদানি করা প্রায় শতভাগ পণ্যে নিয়মবহির্ভূতভাবে অর্থ দিতে হয়। সব নথিপত্র সঠিক হলেও ন্যূনতম ঘুষ না দিয়ে পণ্যের শুল্কায়ন বা পণ্য ছাড় সম্ভব হয় না। নথিপত্রে ভুল থাকলে ঘুষের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শুল্ক স্টেশনে নন-কমার্শিয়াল পণ্যের ক্ষেত্রে ১ হাজার ৭৫০ টাকা এবং ফল বা কমার্শিয়াল পণ্যে আড়াই হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। আর বন্দরের বিলিং সেকশনে নন-কমার্শিয়াল পণ্যে ৩০০ টাকা এবং কমার্শিয়াল পণ্যে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এ ছাড়া উদ্ভিদ সংঘ নিরোধ কেন্দ্রে ফলের ট্রাকে ২০০ টাকা এবং বীজের ট্রাকে ৫০০ টাকা ঘুষ দিতে হয়।

এ শুল্ক স্টেশনে ওজনে কারচুপির মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দেয়া হয়। ফল ও মসলা আমদানির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি শুল্ক ফাঁকি হয়। অন্যদিকে পণ্য আনলোডে শ্রমিকদের ট্রাকপ্রতি ২০০-৫০০ টাকা অতিরিক্ত বকশিশ দিতে হয়। ভুটান ও ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভারদের কাছ থেকে পণ্য আনলোডে টনপ্রতি ৪০ টাকা বকশিশ নেয়া হয়।

এর বাইরে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নকে ন্যূনতম ট্রাকপ্রতি ৯০০ টাকা চাঁদা দিতে হয়। আর ট্রাক ভাড়া করে দেয়া বাবদ দালালদের ৪০০ টাকা দিতে হয়। দালালদের টাকা না দিলে ট্রাক পাওয়া যায় না। এভাবে সব মিলিয়ে বন্দর, কাস্টমস, কোয়ারেন্টাইন, শ্রমিকরা ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে বছরে প্রায় ৯ কোটি টাকা ঘুষ আদায় করে থাকে।

টিআইবির ৮ সুপারিশ : এ দুই কাস্টমস-বন্দরে ঘুষ-দুর্নীতি রোধে টিআইবি ৮ দফা সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- প্রতিবছর কাস্টমস-বন্দরের সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীর আয় ও সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করা।

বৈধ আয়ের সঙ্গে সম্পদের অসামঞ্জস্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা। নিয়মবহির্ভূতভাবে অর্থের লেনদেন বন্ধে বন্দর ও কাস্টমস এলাকা সার্বক্ষণিকভাবে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা। এ ছাড়া দৃশ্যমান স্থানে মনিটরিং ব্যবস্থা করা। পাশাপাশি সব ধরনের মাশুল ও শুল্ক অনলাইনে এবং ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

এ ছাড়া সুপারিশের মধ্যে রয়েছে- পণ্যের শুল্কায়ন, পণ্য ছাড় এবং জাহাজের আগমন-বহির্গমন কার্যকর ওয়ানস্টপ সার্ভিস প্রদান নিশ্চিতে সব পর্যায়ে অটোমেশন চালু করা। শুল্কায়ন দ্রুত ও সহজতর করতে মোংলা বন্দর এলাকায় কাস্টম হাউসের পূর্ণাঙ্গ কার্যালয় স্থাপন করা। প্রযুক্তির ব্যবহারকে প্রাধান্য দিয়ে পণ্যের শতভাগ কায়িক পরীক্ষণের পরিবর্তে দৈবচয়নের ভিত্তিতে আংশিক ১০-২০ শতাংশ পণ্যের কায়িক পরীক্ষা এবং বন্দর এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা। এমতবস্থায় অনতিবিলম্বে এই ঘুষ প্রতিরোধে সরকারের পদক্ষেপ প্রত্যাশা করে বিবৃতি দিয়েছেন নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী

Continue reading

সেপ্টে. 24

ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন সংশোধন এখন সময়ের দাবী : অনলাইন প্রেস ইউনিটি

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইন প্রেস ইউনিটির প্রতিষ্ঠাতা মোমিন মেহেদী বলেছেন ডিজিটাল আইন সংশোধন এখন সময়ের দাবী৤ এই দাবী বাস্তবায়নে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যোগ্য উত্তরসূরী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই এগিয়ে আসতে হবে৤ তিনি চাইলেই সম্ভব ভয়াবহ এই আইনের হাত থেকে সত্য ও সুন্দরের কারিগর সাংবাদিকদেরকে রক্ষা ৤ আর তাই মানবতার মা শেখ হাসিনার কাছে সন্তানদের এই অনুরোধ৤ তিনি অনলাইন প্রেস ইউনিটিতে ১১ সাংবাদিকের যোগদান আয়োজনে উপরোক্ত কথা বলেন৤ এসময় উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান রিপন শান, শান্তা ফারজানা, মুমতাহিনা মুন,  যুগ্ম মহাসচিব পবন রশীদ, উত্তরা প্রেসক্লাবের সাবেক সদস্য সাকিব আহমেদ, মিন মাহমুদ প্রমুখ৤

জুলাই 09

বেনাপোলে ইয়াবা ব্যবসায়ী আটক

মোঃ জাহিদ হাসান, বেনাপোল, যশোর
যশোর র‌্যাব-৬ ক্যাম্পের সদস্যরা বেনাপোল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২শ ৪৭ পিস ইয়াবাসহ ইমরান(২৫)ও রাজু আহম্মেদ (২৩) কে আটক করেছে। আটক ইমরান ঝিকরগাছা থানার প্রন্দপুর গ্রামে শহিদুল ইসলামের ছেলে ও রাজু আহম্মেদ বেনাপোল পোর্ট থানার ছোট আচড়া গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে। যশোর র‌্যাব-৬ এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সোহেল পারভেজ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর র‌্যাব-৬ জানতে পারে যে, যশোর জেলার বেনাপোল পোর্ট থানাধীন বেনাপোল বলফিল্ডের উত্তর পার্শ্বে পৌর কমিউনিটি সেন্টারের পূর্ব পার্শ্বে পাকা রাস্তার উপর কতিপয় ব্যক্তি মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করছে। এমন সংবাদের ভিক্তিতে উক্ত স্থানে র‌্যাবের একটি দল অভিযান চালালে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে আসামি ইমরান হোসেন (২৫) ও রাজু আহম্মেদকে (২৩) হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে তাদের দেহ তল্লাশি করে শাট ও প্যান্ট এর পকেট থেকে ২৪৭ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

Continue reading

জুলাই 05

সাউন্ডবাংলা আবৃত্তি-সংবাদ ও লেখালেখি কর্মশালায় অংশ নিতে চান?

Continue reading

জুলাই 05

জেদ্দায় ৯ বাংলাদেশী সড়কপথ দূর্ঘটনায় নিহত : সেভ দ্য রোডের শোক

রেজওয়ান মৃধা, স্টাফ রিপোর্টার

সৌদি আরবের জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৯ বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনায় শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন সেভ দ্য রোড-এর চেয়ারম্যান ও সোনাগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান জেড এম কামরুল আনাম, মহাসচিব শান্তা ফারজানা, প্রতিষ্ঠাতা মোমিন মেহেদী সহ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ৤ জানা গেছে, জেদ্দার মোহাম্মদী এলাকায় Continue reading

জুন 07

বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম এর নতুন ফ্যাক্স উদ্বোধন….

মনির জামান, বাংলারিপোর্ট২৪ডট কম.

আজ দুপুর ৩.০০ ঘটিকায় বাংলারিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকম একটি নতুন ফ্যাক্স শুভ Continue reading

মে 22

অভিনেত্রী তাজিনের শেষযাত্রা : জাতীয় সাংস্কৃতিকধারা সহ বিভিন্ন সংগঠনের শোক

চাঁদ আহমেদ জীবন

অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ মারা গেছেন। রাজধানীর রিজেন্ট হাসপাতালে তিনি মারা যান। সারাবাংলাকে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন রিজেন্ট হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. হাসিব এবং হাসপাতালে অবস্থানরত অভিনেতা রওনক হাসান। জানা গেছে, অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উত্তরায় তার নিজ বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হন। প্রথমে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় শিনশিন-জাপান হাসপাতালে। সেখান থেকে বেলা দেড়টার দিকে তাজিনকে নেয়া হয় উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে।

রিজেন্ট হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শাহেদ বাংলারিপোর্টকে জানান, ‘দুপুরে যখন তাজিন আহমেদকে হাসপাতে ভর্তি করা হয় তখনই তার অবস্থা খুব শংকটাপন্ন ছিল। তার স্নায়ুস্পন্দন পাওয়া যাচ্ছিল না।’

তাজিন আহমেদের মৃত্যুর খবরে নাট্যাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। হাসপাতালে ছুটে গেছেন তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও বন্ধুরা।

অন্যদিকে তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন অলাইন প্রেস ইউনিটির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী, মহাসচিব ডা. নূরজাহান নীরা,  জাতীয় সাংস্কৃতিকধারার পৃষ্টপোষক নাট্যকার ও কথাশিল্পী শান্তা ফারজানা, সভাপতি কবি চঞ্চল মেহমুদ কাশেম প্রমুখ৤

Continue reading

মে 22

নাকফুল বাংলাদেশ সহ উদ্ভট নামের ৯ দল বাতিল

স্টাফ রিপোর্টার

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দ্বিতীয় মেয়াদে যাচাই-বাছাই শেষে আরো নয়টি দলের নিবন্ধন আবেদন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশনের যাচাই-বাছাই কমিটি এসব তথ্য নিশ্চিত করে।

আবেদন বাতিল করা নয়টি দল হলো বাংলাদেশ মঙ্গল পার্টি, বাংলাদেশ পরিবহন লেবার পার্টি, নাকফুল বাংলাদেশ, সোনার বাংলা উন্নয়ন লীগ, বাংলাদেশ তৃণমূল পার্টি, লিবারেল পার্টি, বাংলাদেশ রামকৃষ্ণ পার্টি, ঐক্যন্যাপ এবং মুক্তিযোদ্ধা কমিউনিজম ডেমোক্রেটিক পার্টি।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, মোট ৭৫টি নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছিল। প্রাথমিক তদন্ত শেষে ১৯টি দলের নিবন্ধন বাতিল করেছিল ইসি। বাকি ৫৬টি দলের কাছে ইসি চিঠি পাঠায়। সেই ৫৬টি দলের মধ্য ৪৭টি দল ইসির চিঠির জবাব দেয়। বাকি নয়টি দল চিঠির জবাব না দেওয়ায় তাদের নিবন্ধন আবেদন বাতিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এ ছাড়া দ্রুত বাকি ৪৭টি দল নিয়ে তৃতীয় পর্বের বাছাই শেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে ইসি।

সূত্র আরো জানায়, ইসিতে আবেদন করা দলগুলোর বেশির ভাগ দলই ভুল তথ্য দেয়। এর মধ্যে একটি দল বিএনপির গঠনতন্ত্র নকল করেও জমা দেয়। নিয়ম মেনে ট্রেজারি চালান জমা না দেওয়ায় ১৪টি এবং স্বাক্ষরবিহীন আবেদন জমা দেওয়ার কারণে আরো পাঁচটি আবেদন অর্থাৎ মোট ১৯ টি দলকে বাতিল ঘোষণা করা হয়। এরপরের দফায় ৫৬টি দল থেকে আরো নয়টি দল বাদ দেওয়ার পরামর্শ দেয় যাচাই-বাছাই কমিটি।

সূত্রটি আরো জানায়, নতুনধারা বাংলাদেশ-এনডিবি সহ হাতে গোণা কয়েকটি দল সকল শর্ত পূরণ করে আবেদন করেছে৤ আর তারই প্রেক্ষিতে নতুনধারা বাংলাদেশ-এনডিবির নিবন্ধন পাওয়ার সম্ভাবনা ৯০%৤ এ প্রসঙ্গে আলাপকালে নতুনধারার রাজনীতির প্রকর্তক কলামিস্ট মোমিন মেহেদী বলেছেন, নিবন্ধন নিয়ে কোন প্রকার রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হলে আইনের আশ্রয় নেবো প্রয়োজনে রাজপথে আন্দোলনে নামবো৤